Categories
কোর ভিশন

নিষ্ঠুর সত্য

নিষ্ঠুর সত্য

– জাস্টিন লঙ-

যীশু খ্রীষ্টের স্বর্গারোহনের পূর্বেই, তিনি তাঁর শিষ্যদের একটি কার্য দিয়েছিলে যাকে আমরা মহান আদেশ বলে থাকিঃ “সমুদয় জগতে যাও,” সমস্ত জাতির লোকদের শিষ্য করার জন্য ৷ তখন থেকেই, খ্রীষ্টানেরা সেই দিনটির স্বপ্ন দেখতে থাকে যখন এই কার্যটি সম্পূর্ণ হবে ৷ আমাদের মধ্যে অনেকেই এটিকে মথি ২৪:১৪-পদের সাথে যুক্ত করি, যীশু’ খ্রীষ্ট প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে “সর্ব্ব্জাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে ৷” যদিও আমরা বাক্যাংশের সুনির্দিষ্ট অর্থ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করতে পারি, আমরা ভাবি যে কার্যটি “সম্পন্ন” হবে, এবং কোনভাবে “শেষের” সাথে আবদ্ধ ৷

যখন আমরা আগ্রহের সাথে যীশু খ্রীষ্টের পুনরাগমনের অপেক্ষা করছি, আমাদের “নিষ্ঠুর সত্যগুলির” সম্মুক্ষীন হতে হবেঃ যদি কার্যের সমাপ্তি ও যীশু খ্রীষ্টের পুনরাগমন কোনভাবে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাহলে তাঁর পুনরাগমনের এখনো দেরী আছে ৷ অনেক পরিমাপের দ্বারা, “কার্যের সমাপ্তি” আমাদের থেকে দূরে হয়ে যাচ্ছে !

আমরা কিভাবে “কার্যের সমাপ্তি” পরিমাপ করবো ? এই পদগুলিতে দুটি সম্ভাবনা আবদ্ধঃ ঘোষণাত্মক পরিমাপ ও শিষ্যত্বের পরিমাপ ৷

শিষ্যত্বের পরিমাপ হিসাবে, আমরা দুটিকেই বিবেচনা করতে পারি যে বিশ্বের কত সংখ্যক খ্রীষ্টান বলে দাবি করে, ও বিশ্বের কত সংখ্যক “সক্রিয় শিষ্য” হিসেবে বিবেচিত হতে পারে ৷

দ্য সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ্ গ্লোবাল ক্রীশ্চিয়ানিটি (সি.এস.জি.সি.) সমস্ত খ্রিষ্টানদের গণনা করে ৷ তারা আমাদের বলেন যে ১৯০০ সালে,বিশ্বের ৩৩% খ্রীষ্টান ছিল; ২০০০ সালেও, বিশ্বের ৩৩% খ্রীষ্টান ছিল ৷ এবং ২০৫০ পর্যন্তও, বিষয়গুলি নাটকীয় পরিবর্তন না হলে, তখনও বিশ্বে মাত্র ৩৩% খ্রীষ্টানই থাকবে ! একটি মণ্ডলী যদি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমানুপাতে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় তাহলে সে “সর্ব্ব্জাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত” সুসমাচার নিয়ে আসছে না ৷

“সক্রিয় শিষ্যত্ব”-এর সম্পর্কে কি ? এই পরিমাপটি অত্যান্ত কঠিন, যেমন আমরা “হৃদয়ের অবস্থা” সম্পূর্ণ জানতে পারি না ৷ কিন্তু দ্য ফিউচার অফ্ দ্য গ্লোবাল চার্চ –এ, প্যাট্রিক জনস্টোন অনুমান করেছিলেন যে ২০১০ সালের বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৬.৯% হলো “সুসমাচার প্রচারকারী বিশ্বাসী”৷ গবেষণা করে দেখা যায় অধিকাংশ অন্যান্য খ্রীষ্টীয় বিভাগের তুলনায় সুসমাচার প্রচারকারীদের সংখ্যা ক্রমাগত দ্রুত গতিতে বাড়ছে, কিন্তু বিশ্বের একটি ছোট শতাংশ হতে অবিরত রয়েছে ৷

যাইহোক, বিশ্বাসীদের সংখ্যা কার্যটি সম্পাদনের একমাত্র পরিমাপ নয় ৷ “ঘোষণাত্মক,” যেমন উপরে উল্লেখিত, সেটি পৃথক বিষয় ৷ কিছু লোক সুসমাচার শুনবে কিন্তু তা গ্রহণ করবে না ৷ তিন প্রকারের ঘোষনাত্মক যা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ঃ সুসমাচার অপ্রচারিত, সুসমাচার অপ্রাপ্ত ও অনিযুক্ত ৷ (মিশন ফ্রন্টিয়ার্স জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারী ২০০৭-এর প্রকাশনায় এই তিনটি বিষয়ের উপরে গভীরভাবে আলোকপাত করা হয়েছেঃ http://www.missionfrontiers.org/issue/article/which-peoples-need-prority-attention)৷

সুসমাচার অপ্রচারিত  হলো যারা সুসমাচারের প্রতি প্রবেশগম্য নয় তা পরিমাপের একটি প্রচেষ্টাঃ যারা, বাস্তবিকভাবে, তাদের জীবদ্দশায় সুসমাচার শোনার এবং প্রত্যুত্তর দেওয়ার সুযোগ পাবে না ৷ সি.এস.জি.সি.-র অনুমান ১৯০০ সালে বিশ্বের ৫৪% অপ্রচারিত ছিল এবং আজ ২৮% প্রচারিত রয়েছে ৷ এটি ভাল সংবাদঃ যে বিশ্বে সুসমাচারের প্রবেশগম্য নয় –এর হার ক্রমশঃ হ্রাস পাচ্ছে ৷ তবে খারাপ সংবাদঃ ১৯০০ সালে, অপ্রচারিত ব্যক্তিদের সম্পূর্ণ জনসংখ্যা ছিল ৮৮ কোটি ৷ আজ, জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য,সেই সংখ্যাটি বেড়ে হয়েছে ২১০ কোটি ৷

যখন সুসমাচার অপ্রচারিত লোকের শতাংশের পরিমাণ অর্ধেক হ্রাস পেয়েছিল, তখন প্রবেশগম্য নয় এমন লোকের মোট সংখ্যা দ্বিগুণেরও অধিক হয়ে যায় ৷ অবশিষ্ট কার্যের আকার বেড়ে যায় ৷

সুসমাচার অপ্রাপ্ত-রা একটু ভিন্ন হয়ঃ এটি পরিমাপ করে যে কোন সুসমাচার অপ্রচারিত গোষ্ঠীদের কাছে কোনও স্থানীয়, দেশীয় মণ্ডলী নেই যারা কোনো মিশ্র-সাংস্কৃতিক মিশনারীদের সাহায্য ছাড়াই সম্পূর্ণ গোষ্ঠীর কাছে সুসমাচার নিয়ে আসতে পারে ৷ জোশুয়া প্রজেক্ট প্রায় ৭,০০০ সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠীর একটি সূচী তৈরী করে যাদের মোট সংখ্যা ৩৫০ কোটি মানুষ যা বিশ্বের ৪২% ৷

পরিশেষে, অনিযুক্ত গোষ্ঠীগুলি যাদের মণ্ডলী স্থাপণের দলের দ্বারা সুসমাচারে কার্যে কোনো নিযুক্তির অভাব রয়েছে ৷ আজ, ১,৫১০টি এমন গোষ্ঠী আছেঃ আই.এম.বি.-র দ্বারা ১৯৯৯ সালে এর পরিচয়ের পর থেকে এই সংখ্যার পতন হচ্ছে ৷ এই পতন একটি ভালো লক্ষণ, কিন্তু এর অর্থ হলো “নব নিযুক্ত” গোষ্ঠীগুলির জন্য, কার্য সম্পন্ন হয় নি, শুধু নতুন করে শুরু হয়েছে ! স্থায়ী ফলাফল দেখার চেয়ে মণ্ডলী স্থাপণের দলের সাথে গোষ্ঠীর নিযুক্তি অনেক বেশী সহজ ৷ 

“নিষ্ঠুর সত্য”টি হলো যে, উপরোক্ত কোনো পরিমপের দ্বারা, আমাদের বিদ্যমান কোনো প্রচেষ্টাই শীঘ্রই কোনো সময়ে সমস্ত গোষ্ঠীর সমস্ত লোকের কাছে পৌঁছাতে সম্ভব হবে না ৷ আমরা এর জন্য বিভিন্ন ধরনের মূল কারণগুলি দেখতে পাই ৷

প্রথমত, অধিকতর খ্রীষ্টানদের প্রচেষ্টা যেই স্থানগুলিতে মণ্ডলী নেই সেখানে যাওয়ার পরিবর্তে, যেখানে মণ্ডলী রয়েছে সেই স্থানে যায় ৷ খ্রীষ্টীয় কারণে দেওয়া অর্থের বেশিরভাগ আমাদের নিজেদের উপরেই ব্যয় করা হয় এবং এমনকি বেশিরভাগ মিশনের অর্থও সংখ্যাগরিষ্ঠ খ্রীষ্টান অঞ্চলগুলিতেই খরচ করা হয় ৷ ব্যক্তিগত আয়ের প্রতি ১০০,০০০ ডলারের (প্রায় ৭,০০০,০০০ টাকা) মধ্যে, গড় খ্রীষ্টানেরা ১ ডলার ( প্রায় ৭০ টাকা) সুসমাচার অপ্রাপ্তদের (০.০০০০১%) কাছে পৌঁছানোর জন্য দেয় ৷

কর্মীদের মোতায়েন এই সমস্যাযুক্ত ভারসাম্যকে প্রতিফলিত করে ৷ কেবলমাত্র ৩% মিশ্র-সাংস্কৃতিক মিশনারীরা সুসমাচার অপ্রাপ্তদের মাঝে কার্যরত ৷ যদি আমরা সমস্ত পূর্ণকালীন খ্রীষ্টান কর্মীদের গণনা করি তাহলে কেবলমাত্র ০.৩৭%-ই সুসমাচার অপ্রাপ্তদের পরিচর্যা করে ৷ আমরা প্রতি ১৭৯,০০০ হিন্দু, প্রতি ২৬০,০০০ বৌদ্ধ এবং প্রতি ৪০৫,৫০০ মুসলিমদের জন্য একজন মিশনারী প্রেরণ করি ৷

দ্বিতীয়ত, অধিকতর খ্রীষ্টানেরা অ-খ্রীষ্টান জগতের সংস্পর্শের বাইরে রয়েছেঃ বিশ্বব্যাপী ৮১% অ-খ্রীষ্টান ব্যক্তিগতভাবে কোন বিশ্বাসীকে জানে না ৷ মুসলিম, হিন্দু এবং বৌদ্ধদের জন্য, এটি বেড়ে হয় ৮৬% ৷ মধ্য পূর্ব  ও উত্তর আফ্রিকাতে এর শতকরা হার ৯০% ৷ তুর্কি ও ইরানে এটি ৯৩% এবং  আফগানিস্তানে ৯৭% মানুষ ব্যক্তিগতভাবে কোন খ্রীষ্টানকে জানে না ৷ 

তৃতীয়তঃ যেই মণ্ডলীগুলিকে আমরা ধরে রেখেছি সেগুলি ধীর জনসংখ্যার বৃদ্ধিতে বিভিন্ন স্থানে মূলত বিদ্যমান ৷ বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা সেই

স্থানগুলিতে দ্রুতগতিতে বাড়ছে যেখানে আমরা নয় ৷ ১৯১০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যার ৩৩% খ্রীষ্টত্ব স্থিতিশীল থাকে ৷

ইতিমধ্যে, ইসলাম ১৯১০ সালের বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যার ১২.৬% থেকে বেড়ে ১৯৭০ সালে ১৫.৬%  এবং ২০২০ সালে আনুপাতিক ২৩.৯%

দাঁড়িয়েছিল ৷ এটি মূলত মুসলিম সমাজের জনসংখ্যার বৃদ্ধির জন্য, বার্তালাপের জন্য নয় ৷ কিন্তু সত্যটি অব্যাহত রয়েছে যে বিগত শতাব্দিতে ইসলাম বিশ্বের শতকরা হার হিসাবে দ্বিগুণ হয়ে গেছে এবং খ্রীষ্টানেরা একই থেকে যায় ৷ 

চতুর্থতঃ খ্রীষ্টীয় জগতে ভাঙ্গন ধরেছে ও মহান আদেশ একসাথে সম্পন্ন করার জন্য একতার অভাব আছে ৷ বিশ্বব্যাপী, আনুপাতিক ৪১,০০০ খ্রীষ্টীয় গোষ্ঠী আছে ৷ মিশনারী প্রতিনিধি সংস্থাগুলির সংখ্যা ১৯০০ সালে ৬০০ থেকে আজ আকাশচুম্বী ৫,৪০০টি ৷ সার্বজনীন যোগাযোগের অভাব, অনেক কম সমন্বয়, সমগ্র জাতিকে (এথনী) শিষ্য তৈরী করার প্রচেষ্টাকে পঙ্গু করে ৷

পঞ্চমতঃ অনেক মণ্ডলীগুলির প্রায়ই শিষ্যত্ব, খ্রীষ্টের আজ্ঞা পালনের অপর্যাপ্ত জোর এবং তাঁকে অনুসরণ করার আন্তরিক ইচ্ছা থাকে ৷ কম প্রতিশ্রুতিতে সামান্য পুনরুৎপাদনের ফলন এবং হ্রাস বা পতনশীল ঝুঁকি চালায় ৷ এটি মণ্ডলীর ক্ষতিতে দেখা যায় যারা মণ্ডলী ছেড়ে দেয় ৷ গড়ে বছরে ৫০ লক্ষ জন খ্রীষ্টান হয় কিন্তু ১ কোটি ৩০ লক্ষ জন খ্রীষ্টত্ব ছেড়ে চলে যায় ৷ যদি এই বর্তমান প্রবণতা চলতে থাকে, তবে ২০১০ থেকে ২০৫০ পর্যন্ত ৪ কোটি জন ব্যক্তি খ্রীষ্টান হবে যেখানে ১০ কোটি ৬ লক্ষ জন ছেড়ে চলে যাবে ৷

ষষ্ঠতঃ আমরা বিশ্বব্যাপী মণ্ডলীর বাস্তবতায় কোন কৌশলগতভাবে অভিযোজিত হই নি ৷ বিশ্বব্যাপী দক্ষিণ খ্রীষ্টানরা ১৯১০ সালে বিশ্বের ২০% খ্রীষ্টান থেকে বেড়ে ২০২০ সালে আনুপাতিক ৬৪.৭% হয়ে দাঁড়িয়েছে ৷  তবুও বিশ্বব্যাপী উত্তর মণ্ডলীর কাছে খ্রীষ্টীয় ধনের বৃহৎ অংশ রয়েছে ৷ নৃতাত্ত্বিক ও সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, আমরা আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির লোকদেরই মিশনারী হিসাবে পাঠানোকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি ৷ আমরা নিজেদের নিকটবর্তী-সংস্কৃতির দলগুলিকে, প্রতিবেশী সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠীগুলির কাছে পৌঁছানোর জন্য অগ্রাধিকার ও পর্যাপ্তরূপে সম্পদ দেওয়ার চেয়ে দূরবর্তী-সংস্কৃতির দলগুলিকে সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠীগুলির সাথে সংযুক্ত করার সহযোগিতার জন্য আমাদের বেশির ভাগ সম্পদ দিতে থাকি ৷ 

সপ্তমতঃ আমরা ভূমি হারাতে চলেছি ৷ পুর্ববর্তী ছয়টি বিষয় ও কারণগুলির ফলস্বরূপ, নিত্যনৈমিত্তিক হারানো ব্যক্তি এবং নির্দিষ্টভাবে সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তি দুজনেরই বৃদ্ধিগত একটি সংখ্যা আছে ৷ ২০১৫ সালে বিশ্বে হারানো ব্যক্তিদের সংখ্যা ৩ কোটি ২০ লক্ষ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি জন যেখানে সুসমাচারে প্রবেশগম্য নয়-এর সংখ্যা ১৯৮৫ সালে ১ কোটি ১০ লক্ষ থেকে বেরে ২০১৮ সালে ২ কোটি ২০ লক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৷

মহান আদেশ পরিপূর্ণ করার জন্য আমাদের আন্তরিক ইচ্ছা থাকলেও, যতক্ষণ না আমরা “দৌড়ে দৌড়াবো” তার পরিবর্তন না করি, বর্তমান 

 

 

(1) [1]ওয়ার্ল্ড খ্রিস্টান ডাটাবেস, 2015, *ব্যারেট এবং জনসন। 2001. বিশ্ব খ্রিস্টান প্রবণতা, পৃ ৬৫৬, এবং ২ অ্যাটলাস অফ গ্লোবাল খ্রিস্টান২০০৯। আরও দেখুন:মিশনারিদের নিয়োগ, বৈশ্বিক অবস্থা ২০১৮
(২) ইবিড।
(৩) http://www.gordonconwell.edu/ockenga/research/documents/ChristianityinitsGlobalContext.pdf
(৪) http://www.ijfm.org/PDFs_IJFM/29_1_PDFs/IJFM_29_1-Johnson&Hickman.pdf
http://www.gordonconwell.edu/ockenga/research/documents/ChristianityinitsGlobalContext.pdf
৫ http://www.ijfm.org/PDFs_IJFM/29_1_PDFs/IJFM_29_1-Johnson&Hickman.pdf
http://www.pewforum.org/2017/04/05/the-changing-global-religious-landscape/

জাস্টিন লং ২৫ বছর ধরে বৈশ্বিক মিশন গবেষণায় জড়িত, এবং বর্তমানে বিয়ন্ডের জন্য গ্লোবাল রিসার্চডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যেখানে তিনি আন্দোলন সূচক এবং গ্লোবাল ডিস্ট্রিক্ট সার্ভে সম্পাদনা করেন।

এই উপাদানটি ২৪:১৪ বইয়ের ১৪৯-১৫৫ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে- সকল মানুষের জন্য একটি সাক্ষ্য, যা ২৪:১৪ থেকে অথবা আমাজন থেকে পাওয়া যায়, যা মূলত মিশন ফ্রন্টিয়ার্স, www.missionfrontiers.org ২০১৮ সংখ্যায় প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ থেকে প্রসারিত করাহয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।