Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

মহামারীর সময়েও ঈশ্বর কার্যরত

মহামারীর সময়েও ঈশ্বর কার্যরত

– জন রল্স দ্বারা লিখিত 

মহামারী এবং অনিশ্চয়তার মধ্যেও, ঈশ্বর এখনও কার্যরত৷ বিশ্বজুড়ে তাঁর আত্মা মানুষের জীবনের মধ্যে চলাফেরা করছে৷

যেহেতু লোকেরা নিজেদের ঘরে, একাকীত্বের সময়ে, এবং বিভিন্ন প্রশ্নগুলির সাথে নিজেদের পেয়েছেন, অনেকে যেই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন এবং আবেগের অনুভুতি করেছেন তারা তার উত্তর খুঁজছেন৷ লোকেরা উত্তরের জন্য যেই স্থানগুলি ঘুরে দেখছেন তাদের মধ্যে একটি হচ্ছে ইন্টারনেট৷ অনলাইন লোকেদের সংখ্যা – গুগলে অনুসন্ধান করা, ইউটিউবে ভিডিও দেখা, ফেসবুকে মন্তব্য করা, এবং আরও অনেক বেশী – বৃদ্ধি অব্যাহত৷

দুইশো কোটির উপরে ফেসবুকের উপভোক্তা রয়েছে, এবং গুগলের পর ইউটিউব (যা ইউটিউবের মালিক) দ্বিতীয় বৃহত্তর অনুসন্ধানী ইঞ্জিন৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের (সোশ্যাল মিডিয়া) উপভোক্তাদের এই বৃদ্ধি সামাজিক পরিচর্যামূলক যোগাযোগ মাধ্যম এবং শিষ্যত্বের সুযোগগুলিকে বাড়িয়ে তুলছে৷ 

বহু লোকেরা যারা সন্ধানী ঈশ্বর তাদের জন্য সুসমাচারের জন্য দ্বার খুলে দিচ্ছেন৷

এক থেকে বহু আসে 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যে একটি সুসমাচার প্রচারের বিজ্ঞাপন দেখার মাধ্যমে ঈশ্বর আজ্জিবিদীন-এর জন্য সুসমাচারের দ্বার খুলে দেন৷ তিনি বিজ্ঞাপনটির প্রতি প্রতিক্রিয়া জানান এবং বিশারা নামক এক স্থানীয় শিষ্য নির্মাণকারীর সাথে যুক্ত হন৷ বিশারা এক বছর আগে বিশ্বাসে এসেছিলেন এবং যে কেউ শুনতে প্রস্তুত হত তার সাথে উৎসাহের সহিত তার বিশ্বাসকে প্রচার করতেন৷ ফলস্বরূপ, বিশ্বাসের ৩০টি অনন্য সম্প্রদায়্গুলিকে প্রতিনিধিত্বকারী, ৩০০-৪০০ জন বিশ্বাসে এসেছে৷ বিশারা তার বিশ্বাসের জন্য ভীষনভাবে নির্যাতিত হয়েছেন কিন্তু তিনি লাঙ্গলের মধ্যে তার হাত রেখেছিলেন এবং বর্তমানে আজ্জিবিদীনকে পরিচর্যার জন্য শিষ্য করেছেন ও প্রস্তুত করছেন৷

আপনি একা নন

একটি এশীয় অঞ্চলে, ঈশ্বর একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারে ব্যবহৃত প্রভূ যীশুর সিনেমার একটি ছোট ভিডিও ক্লীপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য সুসমাচারের জন্য একটি দ্বার খুলে দেন৷ একজন শিক্ষার্থী একটি বার্তার সাথে একটি বিজ্ঞাপনে এই বলে প্রতিক্রিয়া জানান, “আমি ভেবেছিলাম যে এই মহামারীর সময়ে আমিই একমাত্র একা, তবুও আমি আপনাদের মতো খ্রীষ্টানদের এবং আমাদের প্রতি আপনাদের প্রেমের কথা শুনেছি৷” এই শিক্ষার্থী খ্রীষ্টের প্রেমের কথা শুনে আর একা ছিলেন না৷ কমপক্ষে তিনজন ব্যক্তি এই বিজ্ঞাপনে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে খ্রীষ্টকে গ্রহণ করেছিল৷ 

এক বিজ্ঞাপন প্রচারণা জিজ্ঞেস করেছিল, “আপনি ঈশ্বরের কাছ থেকে কোন ধরনের প্রার্থনার উত্তর চান? শত শত শিক্ষার্থী এই ধরনের বিবৃতিতে উত্তর দিয়েছিল, “ঈশ্বর, অনুগ্রহ করে আমায় ক্ষমা করুন৷” “ঈশ্বর, অনুগ্রহ করে সেই বিষয়গুলিতে সাহায্য করুন যা আমাকে ভয়ভীত করে৷” “ঈশ্বর, অনুগ্রহ করে আমার কাছে এমন কাউকে নিয়ে আসুন যে আমাকে বোঝে এবং ভালোবাসে৷” “ঈশ্বর, অনুগ্রহ করে আমাকে কি বেছে নিতে হবে তা দেখান৷”

সুসমাচার অপ্রাপ্তদের কাছে পৌঁছনো হচ্ছে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সুসমাচার অপ্রাপ্ত এলাকার বহুজনকে যারা সুসমাচার প্রচার করতে পারে তাদের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দিচ্ছে৷ উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠী থেকে একটি ফেসবুক পরিচর্যা পেজ ১,৮০০ জনের চেয়ে বেশী অনুসারীবৃন্দ অর্জন করেছে৷ স্থানীয় খ্রীষ্টানরা সেই সুসমাচারে আগ্রহীদের সাথে যোগাযোগ করেন, এবং কমপক্ষে একজন ব্যক্তি ইতিমধ্যে বাপ্তিস্মা নিয়েছে৷ 

কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়

লক্ষ্যযুক্ত বিজ্ঞাপন এবং জৈব (মূল্য বিহীন) সামগ্রী ব্যবহারের মাধ্যমে, লোকেরা যীশুর বিষয়ে শুনছে৷ ৯৯.৯% মুসলিম জনসংখ্যা বিশিষ্ট একটি দেশে, এই বার্তাটি গণমাধ্যমের দ্বারা সন্ধানীদের খুঁজে পাওয়ার জন্য একটি দলের কাছে পৌঁছেছিলঃ “ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এবং ইউটিউবের সর্বত্রই আমি সবসময় প্রভূ যীশু সম্পর্কিত বিষয়গুলি দেখতে পাই এবং আরো৷ আমি মনে করি না যে এটি কোন কাকতালীয় ঘটনা৷ আমি ভাবছি যদি … আমি প্রভূ যীশুতে বিশ্বাস করি৷ আমি ভাবছি যদি আমি কোন আশ্চর্য়কার্য দেখতে পাই৷”

অসাধারণ সময় এবং সরঞ্জাম

মণ্ডলীর আরম্ভ থেকেই, লোকেরা সুসমাচার প্রচার করছে৷ যখন সারাদিন আমাদের চাকরীতে, বিদ্যালয়ে, এবং অন্য কোথাও লোকেদের সাথে আমরা যোগাযোগ করি আমাদের মধ্যে থাকা আশাটিকে আমরা তাদের বলি৷ ইন্টারনেটের শক্তি এবং পর্দার দ্বারা, এখন আমাদের কাছে সরঞ্জাম এবং প্রযুক্তি রয়েছে যা আমাদের প্রতিদিন ২৪ ঘন্টার দূরবর্তী স্থানেও পৌঁছে দেয়৷ এমনকি যখন আমরা ঘুমিয়ে থাকি, ঈশ্বরের আত্মা যারা তাঁর পুত্র, প্রভূ যীশু খ্রীষ্টের বিষয়ে প্রচার করতে পারে তাদের কাছে সন্ধানীদের টেনে আনার কার্যে লিপ্ত থাকেন৷

ডিজিটাল প্রচার মাধ্যম আমাদের ব্যক্তিগতভাবে একটি মিশনাল জীবনযাপনে প্রতিস্থাপন করে না, তবে সন্ধানীরা খ্রীষ্টীয় কর্মীদের কাছে পৌঁছানোর সাথে সাথে এটি একেবারে ভিন্ন পরিচর্যামূলক দৃষ্টান্ত তৈরী করতে সাহায্য করে৷ এই সন্ধানীরা সেই ব্যক্তিদের যোগাযোগ করে যারা তাদের সাথে কথোপকথন শুরু করতে পারে (অনলাইন এবং অফলাইন উভয়ভাবেই), যা শেষ পর্যন্ত এমন শিষ্যতে পরিচালিত করে যে শিষ্য তৈরী করতে পারে৷

কোন জাদুর বুলেট নয়

ডিজিটাল সুসমাচার প্রচার কোন জাদুর বুলেট নয়৷ আমরা কেবল মূল্য দিয়ে কোন বিজ্ঞাপন চালিয়ে এবং হাজার হাজার জনের পরিত্রাণের আকাঙ্খা করতে পারি না৷ এই ডিজিটাল সুযোগগুলির সর্বোত্তম ভাবে উপভোগ করার জন্য যথেষ্ট কৌশল, প্রশিক্ষণ, এবং চিন্তাভাবনার প্রয়োজন৷ কিন্তু সেই স্থানের মধ্যে, এই শক্তিশালী সরঞ্জামটি ঈশ্বরের গৌরব এবং তাঁর রাজ্যের অগ্রগতির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে৷

আপনি যদি কৌতূহলী হন বা গণমাধ্যমের মাধ্যমে সন্ধানীদের খোঁজ শুরু করতে চান, তাহলে এমন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী খ্রীষ্টিয় কর্মীদের জন্য বেশ কয়েকটি পরিচর্যাগুলি অনুশিক্ষণের প্রস্তাব এবং সংস্থান সরবরাহ করছে৷ কয়েকটি হ’লঃ

মাধ্যম থেকে আন্দোলন — মাধ্যম থেকে আন্দোলন দলটি শিষ্য নির্মাণকারীদের এমন আত্মীক সন্ধানীদের সনাক্ত এবং যুক্ত করার জন্য সামাজিক মাধ্যমের কৌশলে সজ্জিত করে যারা শিষ্যদের পুনরুৎপাদনের আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করে৷ তারা চলমান প্রচারের মাধ্যমে প্রথম পদক্ষেপগুলি থেকে অনুশিক্ষণ এবং পরামর্শদাতা সরবরাহ করে৷ www.Mediamovements.org 

রাজ্যের প্রশিক্ষণ — এই গোষ্ঠীটি কয়েক বছর ধরে ডিজিটাল প্রচার করে আসছে এবং লোকেদের আরম্ভ করতে সাহায্য করার জন্য তাদের কাছে বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত কোর্সগুলিও রয়েছে৷ www.Kingdom.training 

মিশন সামাজিক মাধ্যম ইউ — এমএমইউ হল একটি পরামর্শদাতা, অনলাইন প্রশিক্ষণ মাধ্যম যা খ্রীষ্ট-অনুসারীদের সামাজিক মাধ্যম, কাহিনী, এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিষ্যদের নির্মাণ এবং মণ্ডলী স্থাপনে আরো বেশী কার্যকর হতে সাহায্য করার জন্য তৈরী করা হয়েছে৷ www.missionmediau.org/foundations-of-media-stategy 

কাভানাহ সামাজিক মাধ্যম — মিশন দল এবং মণ্ডলীগুলির তাদের প্রসঙ্গের মধ্যে সন্ধানীদের খুঁজে পেতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ৷ প্রশিক্ষণ, সামাজিক মাধ্যম তৈরী, প্রচারের পরিচালনা, এবং অনুশিক্ষণে বিশেষজ্ঞ, তাদের বিজ্ঞাপনের সর্বাধিক বাজেটের জন্য তারা পরিচর্যার সাথে কার্য করে৷ সাথেই তারা একটি সাপ্তাহিক সামাজিক মাধ্যমের পডকাস্ট পরিচালিত করেনঃ “খ্রীষ্টান মিডিয়া মার্কেটিং৷” www.Kavanahmedia.com 

সামাজিক মাধ্যম থেকে আন্দোলন, রাজ্যের প্রশিক্ষণ, এবং মিশন সামাজিক মাধ্যম ইউ –এর একটি জোট এই দলগুলি কোন পথে কার্য করছে তা প্রতিফলিত করে একত্রে একটি দুর্দান্ত ভিডিও রেখেছিল৷ সহযোগিতার একটি মহান উদাহরণ দেখতে ওয়াট্ ইজ্ মিডিয়া আউটরিচ্? ভিডিওটি দেখুন৷

উপরুক্ত গোষ্ঠীগুলি যেই কৌশলটি ব্যবহার করেছে তা মনের সমাপ্তির সাথে শুরু হয়ঃ পুনরুৎপাদনকারী শিষ্য৷ গবেষণা-অবহিত, সৃজনশীল, এবং সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল সামাজিক মাধ্যমের সামগ্রী—ভিডিও এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টগুলি, কৌশলগত বিপণনের সাথে মিশ্রিত করে, লোকেদের বাক্যের প্রতি অন্বেষণ এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে৷ আমি প্রার্থনা করি যে আমরা যেন এই সময়ের দিকে নজর দিতে পারি এবং ইষাখরের (১ বংশাবলী) মতো ব্যক্তিদের সময়গুলিকে বুঝতে পারি এবং সমস্ত সম্ভাব্য উপায়গুলি ব্যবহার করে সকলেই যেন খ্রীষ্টের প্রেম, ত্যাগ, এবং ক্ষমাকে জানতে পারে তা দেখতে পারি৷

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

কেন আমাদের ভালো কর্ম করা বন্ধ করতে হবে?

কেন আমাদের ভালো কর্ম করা বন্ধ করতে হবে?

– সি. অ্যান্ডার্সন দ্বারা লিখিত .

এই ব্লগটি মূলত সি. অ্যান্ডার্সন-এর ব্লগ, Pursing Disciple Making Movements in the Frontiers –এ প্রকাশিত হয়েছিল৷ 

ছাঁটাই বস্তুগুলিকে কুৎসিত করে তোলে৷ প্রথমে সেটি যেমন দেখায় আমরা তা পছন্দ করি না৷ থাইল্যান্ডে আমার বাড়ির সামনে, আমাদের ফুলের গুল্ম রয়েছে৷ তাদের সুস্থ থাকতে ছাঁটাই করতে হবে৷ প্রতি কয়েক মাসে, আমি বাইরে গিয়ে শাখাগুলি ছাঁটাই করি৷ বিশেষ করে যেগুলির মধ্যে এখনও ফুল ফুটে রয়েছে তাদের কেঁটে ফেলা খুব কষ্টকর৷ যদি আমরা একটি শিষ্য নির্মাণকারী আন্দোলনকে দেখতে চাই তাহলে নিষ্ফল ক্রিয়াকলাপকে ছাঁটাই এবং ফলপ্রসূতার কর্মে বিনিয়োগ আবশ্যক৷ সর্বশেষ কিছু প্রবন্ধগুলিতে, আমি আন্দোলনগুলির সাথে ঈশ্বরে বিশ্বাসী নেতাদের মূল বৈশিষ্ট্যগুলি সম্পর্কে লিখেছি৷ আরও একটি যুক্ত করা যাক৷

ঈশ্বরের ব্যবহৃত আন্দোলনের নেতারা নিষ্ফল ক্রিয়াকলাপকে বন্ধ করতে ইচ্ছুক৷ তারা রাজ্যের ফল উৎপাদনকারী কার্যগুলি করতে মনোযোগী৷ শিষ্যের সংখ্যাবৃদ্ধির দ্বারা খ্রীষ্টের বাধ্য হতে ঈশ্বর প্রদত্ত আমাদের হৃদয়ে থাকা দর্শনের প্রকাশে আমরা যা কিছু করি তার মূল্যায়ণ করতে হবে৷ 

নেতারা যারা ছেড়ে দিতে অস্বীকার করেন, বা নিষ্ফল ক্রিয়াকলাপগুলি এবং প্রচেষ্টাগুলির প্রয়োজনীয় সমাপ্তীগুলি তৈরী করেন৷ তারা সংখ্যাবৃদ্ধি দেখতে পারেন না৷ উদার নেতারা তাদের কর্মের মূল্যায়ণ করেন৷ তারা ভালোকে ছাঁটাই করে উত্তমের প্রতি সময় দিতে ইচ্ছুক৷

আপনি কি ভালো কর্ম বন্ধ করতে ইচ্ছুক?

আমার দ্বারা প্রশিক্ষিত একজন নেতা তার কর্মকান্ডের পদক্ষেপগুলি সম্পাদন করতে ক্রমাগত সংঘর্ষ করেছিলেন৷ তিনি তার আন্দোলনের দর্শনে সামান্য অগ্রগতি করেছিলেন৷ আমরা যখন ফোনে সাক্ষাৎ করি, অথবা তিনি প্রশিক্ষণে উপস্থিত হন, তখন এই যুবক এশিয়ান ব্যক্তিটি আগ্রহী ছিলেন৷ আবেগপ্রবণ প্রার্থনা, তার গালগুলি হয়ে প্রবাহিত অশ্রুধারা, মধ্যস্থতার সময় প্রবাহিত তার মুখের বাক্য৷ আমি দেখতে পাচ্ছিলাম যে তিনি কি ভীষণভাবে দেখতে চেয়েছিলেন যে তার লোকেরা যাতে ঈশ্বরকে জানতে পারে৷ প্রেরিতের পুস্তকটি পড়ে তিনি আন্দোলনের নীতিগুলিকে গ্রহণ করেছিলেন, তাদের সত্য বলে বিশ্বাস করেছিলেন৷

এই ভাইয়ের সাথে কয়েক বছর কাজ করার পর, সমস্যাটি স্পষ্ট হয়েছিল৷ পিতার প্রতি তার প্রতিশ্রুতি, খ্রীষ্টিয় সম্প্রদায়ের মাতৃমণ্ডলীটি, তাকে বিরত করেছিল৷ তিনি ফলপ্রসূ শিষ্য নির্মাণকারী কার্যক্রমের প্রতি মনোযোগ দিতে পারছিলেন না৷

একটি অনুশিক্ষণ অধিবেশনের পর, তিনি তার ঐকসের হারানো ব্যক্তিদের সাক্ষাতের একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেন এবং একটি বাইবেলের গল্প বলেন৷ কয়েক সপ্তাহের পর তিনি কথা বলেন৷ তিনি বলেছিলেন সেই সপ্তাহে তিনি একটি যাজক সম্মেলনে, তার এক জ্ঞাতিভাইয়ের বিবাহে, এবং একটি বড় মণ্ডলীর পাষ্টার, তার পিতার জন্য ভারার্পিত কার্যগুলি চালাতে ব্যস্ত ছিলেন৷ 

প্রতিবার আমরা সাক্ষাৎ করতাম, বিভিন্ন ধরনের বিষয় থাকত যেগুলির সাথে তার ব্যস্ততা ছিল৷ ধরনটি একই ছিল৷ শিষ্য নির্মাণের উপর মনোনিবেশ করে অন্যদের প্রতি তার আনুগত্যের ভিত্তিতে, তার জীবনের কিছু বিষয়গুলি বন্ধ করতে তিনি ইচ্ছুক ছিলেন না৷ 

এই ভাইয়ের একজন আন্দোলনের নেতা হিসাবে সম্ভাবনা ছিল৷ আজকে, বহু বছর পরেও,তার কেবলমাত্র একটি ছোট মণ্ডলী রয়েছে৷ তার ভালো বিষয়গুলি ছেড়ে দেওয়া, এবং পরিবর্তে ফলপ্রসূ বিষয়গুলি বেছে নেওয়া উচিৎ ছিল৷ এটি তার ইচ্ছামত করতে পারার কোন পছন্দ ছিল না৷

আমিই প্রকৃত দ্রাক্ষালতা এবং আমার পিতা ক্ষেত্রপাল। 2আমার সঙ্গে যুক্ত কোন শাখায় যদি ফল না ধরে তিনি সে শাখা কেটে ফেলে দেন আর প্রত্যেকটি ফলবন্ত শাখা তিনি ছেঁটে দেন যেন তাতে আরও বেশি ফল ধরে। যোহন ১৫:১-২

নিষ্ফল অনুশীলনগুলির ছাঁটাই

ছাঁটাই মানে কেটে ফেলা৷ আমরা আমাদের ছাঁটাই যন্ত্রগুলিকে শাখায় নিয়ে যাই এবং ছিন্ন করি৷ এটি ভূমিতে পড়ে এবং শুকিয়ে যায়৷ আমরা এটিকে মাঠে কিংবা জঞ্জালপাত্রে ফেলে দিয়ে থাকি৷ 

একজন শিষ্য নির্মাণকারী হিসাবে আপনাকে কী ছাঁটাই করতে ইচ্ছুক হতে হবে? ঈশ্বরের জিজ্ঞাস্যের প্রতি এটি একটি প্রশ্নটি ৷ আপনার আরম্ভের জন্য, আমার নিজস্ব জীবন থেকে কিছু উদাহরণ দেখা যাক৷ প্রার্থনার জন্য শূণ্যস্থান তৈরী করতে, প্রতিবেশীদের শিষ্য করতে, আন্দোলনের আগত নেতাদের প্রশিক্ষণ এবং পরামর্শ, এবং হারানোদের জন্য সময় দেওয়ার জন্য আমাকে এই সমস্ত বিষয়গুলি “ছাঁটাই” করে বাদ দিতে হয়েছিল৷ 

  • প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানগুলি আজ্ঞাবহ শিষ্যদের ফলাফল দেয়নি যারা অন্যদের প্রশিক্ষিত কররে পারে
  • আমি যেই নেতৃত্বের সমূহের অংশীদার ছিলাম তা অনেকটা সময় নিয়েছিল কিন্তু আমার ডিএমএম দর্শনকে এগিয়ে নিয়ে যায়নি
  • বিষয়গুলি শিষ্য নির্মাণের সাথে সম্পর্কিত না হলে বিদ্যালয়গুলিতে কথা বলা
  • সম্মেলনে অংশ নেওয়া যেহেতু আমি সেখানে উপস্থিত হতে “অনুমিত” ছিলাম
  • নিষ্কাশিত ক্রিয়াকলাপ এবং বৈঠকগুলি যা জীবনদায়ী নয়
  • প্রতিটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা

নিঃসন্দেহে, এইগুলি কঠিন নির্ণয় ছিল৷ যখন আপনি সেগুলি করেন সবাই বুঝতে পারে না৷ আপনি কিভাবে সেই বিষয়গুলি করেন তার প্রতিও সাবধান থাকবেন৷ উদাহরনস্বরূপ! লোকেদের বলবেন না, “আপনার জন্য আমার কাছে সময় নেই কারণ আমি আরো ফলপ্রসূ বস্তুর প্রতি মনোযোগ দিয়েছি”৷ বুদ্ধিমান হন কিন্তু ঈশ্বর আপনাকে কি করবার জন্য আহ্বান করেছেন তার উপর মনোযোগ দিয়ে নির্ণয় নেবেন৷

ফলপ্রসূ ক্রিয়াকলাপগুলির বৃদ্ধি

অন্যান্য বস্তুগুলি কেটে বাদ দিয়ে দিলে, আপনি আপনার জীবনে ফলপ্রসূ অথবা উদ্ভাবনী ক্রিয়াকলাপগুলির জন্য স্থান তৈরী করেন৷ আমরা সবসময় জানতে পারি না যে কে ফল ফলাবে৷ বিশেষত এই ধরনের সময়ে, আমাদের ঈশ্বর দ্বারা প্রদত্ত সৃজনশীল নতুন ধারণাগুলির চেষ্টা করতে হবে৷ তারা ফলপ্রসূ হতেও পারে বা নাও পারে, কিন্তু আমাদের পরীক্ষা করতে এবং যাঁচাই করতে হবে৷ 

আপনার জীবনে সুসমাচার প্রচারের নতুন পদ্ধতির সৃষ্টি বা পরীক্ষা করার জন্য স্থান আছে কী?

সম্ভবতঃ আরো গুরুত্বপূর্ণ যে কোনটি ফলপ্রসূ তা পর্যবেক্ষণ করা এবং তাতে নিবেশ করা৷ সেই বস্তুগুলির জন্য আরও বেশী সময়, আরও অর্থ, আরও মানুষিক-শক্তি যা অনুরূপ পরিস্থিতিতে আপনার বা অন্যদের জন্য ভালোভাবে কাজ করছে৷ সেজন্যই শিষ্য নির্মাণকারী আন্দোলনগুলি অনুসরণকারীদের সম্প্রদায়ের অংশ হওয়া এতটা গুরুত্বপূর্ণ৷ আমরা একে অপরের থেকে এবং সাথে শিখতে পারি৷

কিছু ফলপ্রসূ অনুশীলনগুলি রয়েছে যেগুলির আমি আমার জীবনে স্থান তৈরী করার জন্য কঠোরভাবে পরিশ্রম করি৷

  • হারানোদের জন্য অসাধারণ প্রার্থনা (উপবাস এবং প্রার্থনার জন্য আমার দিন থেকে ঘন্টাগুলি, এবং মাস থেকে দিনগুলি আলাদা করে রাখা)
  • আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কথোপকথন যাদের সাথে আমি অনুশিক্ষণ করি 
  • আমার পাড়ায় প্রার্থনার চলন, যাদের সাথে আমার দেখা হয় শুভেচ্ছা জানাতে থেমে যাওয়া এবং কথা বলা
  • অনলাইনে এবং ব্যক্তিগতভাবে আবিষ্কারী বাইবেল অধ্যয়ন 
  • আমার দলের জন্য নেতৃত্ব বিকাশের প্রশিক্ষণ
  • আমার নিজস্ব আত্মীক উন্নয়ণ এবং একজন ডিএমএম প্রশিক্ষক হিসাবে বৃদ্ধির জন্য চলমান শিক্ষা

এটি প্রয়োগের সময়৷

যেই ক্রিয়াকলাপগুলি আপনাকে আন্দোলনগুলির উদ্বোধনে এগিয়ে নিয়ে যাবে তার জন্য স্থান তৈরী করতে আপনাকে কী বন্ধ করতে হবে?

আপনার মনে যা কিছু আসছে লিখুন৷ পরবর্তী দু’এক দিনে, সেটি ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনায় ঈশ্বরের সাথে প্রক্রিয়ার জন্য সময় দিন৷ DMMs Frontier Missions Facebook Group-টিতে, অথবা নীচের মন্তব্যে, এই প্রবন্ধে আপনি যা শিখেছেন তা প্রয়োগ করতে আপনি যেই পদক্ষেপ নেবেন তা পোস্ট করুন৷

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

ভোজপুরী সিপিএম কিভাবে অন্যান্য আন্দোলনগুলি শুরু করেছিল

ভোজপুরী সিপিএম কিভাবে অন্যান্য আন্দোলনগুলি শুরু করেছিল

– ভিক্টর জন দ্বারা লিখিত –

ঈশ্বর উত্তর ভারতের ভোজপুরী বক্তাদের মধ্যে, এক কোটিরও বেশী বাপ্তিস্মাপ্রাপ্ত প্রভূ যীশুর শিষ্যদের এক সিপিএমের সাথে আশ্চর্যজনক কার্য করছেন৷ এই আন্দোলনে ঈশ্বরের গৌরব এই এলাকার ঐতিহাসিক পটভূমির বিরুদ্ধে আরও উজ্জ্বলভাবে প্রকাশিত হয়৷ ভারতের ভোজপুরী এলাকাটি বিভিন্ন দিক থেকে উর্বর – কেবলমাত্র মাটিতেই নয়৷ এখানে অনেক মহান ধর্মীয় নেতারা জন্ম গ্রহণ করেছেন৷ এই অঞ্চলেই গৌতম বুদ্ধ তাঁর জ্ঞানার্জন করেছিলেন এবং তাঁর প্রথম ধর্মোপদেশ দিয়েছিলেন৷ যোগ এবং জৈন ধর্মের সূত্রপাতও এখানেই হয়েছিল৷ 

ভোজপুরী এলাকাটিকে অন্ধকারের স্থান হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে – শুধুমাত্র খ্রীষ্টিয়দের জন্য নয়, কিন্তু অ-খ্রীষ্টিয়দের জন্যও৷ নোবেল বিজয়ী ভি.এস. নাইপল, পূর্ব উত্তর প্রদেশ ভ্রমণের পরে, এক অন্ধকার এলাকা নামক একটি বই লেখেন, যা এই অঞ্চলটির উচ্ছ্বাস এবং ভ্রষ্টাচারকে ভালোভাবে ব্যক্ত করেছে৷ 

অতীতে, এই অঞ্চলটি খুবই, সুসমাচারের জন্য অতিশয় প্রতিকূল ছিল, যা বিদেশ হিসাবে দেখা হয়েছিল৷ এটি “আধুনিক মিশনের কবরস্থান” হিসাবে পরিচিত ছিল৷ যখন বৈদেশিক প্রশ্রয় সরে যায়, লোকেরা সুসমাচার গ্রহণ করতে শুরু করে৷

কিন্তু ঈশ্বর কেবলমাত্র ভোজপুরী বক্তাদের কাছেই পৌঁছাতে চান না৷ ঈশ্বর যখন আমাদের ভোজপুরী গোষ্ঠীর বাইরেও ব্যবহার করতে শুরু করেন, কিছু লোকেরা জিজ্ঞেস করেছিল, “আপনারা ভোজপুরীদের সাথে পৌঁছানোতেই সীমিত থাকেন না কেন? সেখানে তাদের মতো আরো অনেক আছে! ১৫ কোটি মানুষের এক বিপুল সংখ্যা! সেই কার্যটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনি সেখানেই থাকছেন না কেন?”

আমার প্রথম প্রতিক্রিয়াটি হ’ল সুসমাচারের কার্যের অগ্রণী প্রকৃতি৷ প্রেরিত/অগ্রণী কার্য সবসময় সেই স্থানগুলির সন্ধানে জড়িত থাকে যেখানে সুসমাচারটির এখনও শিকড় গজায়নিঃ যেখানে খ্রীষ্ট এখনও অপরিচিত সেই স্থানে খ্রীষ্টের পরিচয় করানোর সুযোগ সন্ধান করা৷ সেটি ছিল আমাদের অন্যান্য ভাষার গোষ্ঠীগুলিতে প্রসারিত হওয়ার একটি কারণ৷ 

দ্বিতীয়ত, এই বিভিন্ন ভাষাগুলি একে অপরের সাথে, তাদের প্রয়োগে সমপাতীত হয়৷ কোনও স্পষ্ট রেখা নেই যেখানে একটি ভাষার ব্যবহার সমাপ্ত এবং অন্যটির শুরু হয়৷ এছাড়াও, বিশ্বাসীরা প্রায়শই তাদের সম্পর্কগুলির জন্য স্থানান্তরিত করে, যেমন বিয়ে করা বা অন্য কোথাও কোন চাকরীর প্রস্তাব পাওয়া৷  আন্দোলনের ব্যক্তিরা যেমন ভ্রমণ করে বা স্থানান্তরিত করে, তাদের সাথে সুসমাচারও গিয়েছে৷ 

কিছু ব্যক্তিরা ফিরে এসে বলেছিল, “আমরা ঈশ্বরকে এই অন্য স্থানটিতে কার্য করতে দেখেছি৷ আমরা এই এলাকাটিতে একটি কার্য শুরু করতে চাই৷” আমরা তাদের বলেছিলাম, “এগিয়ে যাও !”

সুতরাং তারা এক বছর পরে ফিরে এসে বলেছিল, “আমরা সেখানে ১৫টি মণ্ডলী স্থাপণ করেছি৷” আমরা আশ্চর্য এবং আশির্বাদিত হয়েছিলাম, কারণ এটি জৈবিকভাবে ঘটেছিল৷ কোনও আলোচ্যসূচী ছিল না, কোনও প্রস্তুতি ছিল না, এবং কোনও তহবিলও ছিল না৷ তারা যখন জিজ্ঞেস করেছিল যে এরপরে কী, আমরা বিশ্বাসীদের ঈশ্বরের বাক্যের মধ্যে ভিত্তি করে এবং দ্রুত পরিপক্ক হতে সাহায্য করার জন্য তাদের সাথে কার্য শুরু করে৷ 

তৃতীয়ত, আমরা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি আরম্ভ করেছিলাম, যা ইচ্ছাকৃত এবং অজান্তে (আমাদের চেয়ে ঈশ্বরের পরিকল্পনা) উভয় ভাবেই কার্যটিকে প্রসারিত করেছিল৷ কখনও কখনও আশেপাশের ভাষাগোষ্ঠীর ব্যক্তিরাও প্রশিক্ষণে আসতো এবং তারপরে বাড়ি ফিরে গিয়ে তাদের নিজস্ব লোকেদের মাঝে কার্য করতো৷

সম্প্রসারণের চতুর্থ কারণটিঃ অনেক সময় লোকেরা আমাদের কাছে আসতো এবং বলতো, “আমাদের সাহায্য চাই৷ আপনারা কী আমাদের সাহায্য করতে আসতে পারেন?” আমরা যথাসাধ্য তাদের সহায়তা এবং উৎসাহিত করতাম৷ এগুলিই ছিল ভোজপুরী এলাকা ছাড়িয়ে প্রতিবেশী অঞ্চলে যাওয়ার মূল কারণ৷

১৯৯৪ সালে ভোজপুরীদের মধ্যে কার্য শুরু হয়, তারপর এইক্রমে অন্যান্য ভাষা এবং এলাকায় ছড়িয়ে পড়েঃ আধি (১৯৯৯), জ্ঞাতিভাই (২০০২), বাংলা (২০০৪), মাগাহী (২০০৬), পাঞ্জাবি, সিন্ধি, হিন্দি, ইংরেজি (শহুরে সম্প্রদায়্গুলিতে) এবং হারিয়ানভি (২০০৮), অঙ্গীকা (২০০৮), মৈথিলি (২০১০), এবং রাজস্থানী (২০১৫)৷

আমরা ঈশ্বরের প্রশংসা করি যে আন্দোলনটি বিভিন্ন ভাষাগোষ্ঠী, বিভিন্ন ভৌগলিক অঞ্চল, একাধিক বর্ণগোষ্ঠী (সেই সমস্ত ভাষা এবং ভৌগলিক অঞ্চলের মধ্যে), এবং বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে বিভিন্ন উপায়ে ছড়িয়ে পড়ছে৷ সুসমাচারের শক্তি সমস্ত ধরনের সীমানাকে ভাঙ্গতে থাকে৷

মৈথিলি জনগনের মধ্যে কার্যটি অংশীদারিত্বের খুব ভালো উদাহরণ হিসাবে পরিচর্যা করে৷ একজন মূল নেতার সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব আন্দোলনকে প্রসারিত করার একটি পরীক্ষা ছিল৷ আমাদের নিজস্ব কর্মচারীদের সাথে আমাদের নিজস্ব কার্যালয় খোলার পরিবর্তে, আমরা একই লক্ষ্যকে আরো বেশী পুনরুৎপাদনযোগ্য উপায়ে অর্জন করেছি৷

যদিও এই আন্দোলনগুলি দেশীয়ভাবে পরিচালিত হয়, আমরা একত্রে অংশীদারিত্ব অবিরত করি৷ সম্প্রতি আমরা পূর্ব বিহারের ১৫উর্দ্ধে অঙ্গীকা নেতাদের সর্বজনীন (সংহত) পরিচর্যার প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেছি৷ আসন্ন বছরে আমরা তিনটি পৃথক সর্বজনীন পরিচর্যা কেন্দ্রগুলি শুরু করতে এবং আরো স্থানীয় অঙ্গীকা নেতাদের উত্থাপনে সহায়তা করার পরিকল্পনা করেছি৷ মৈথিলির মধ্যে কার্যরত আমাদের মূল অংশীদারও অঙ্গীকা এলাকায় কার্য প্রসারিত করছে৷

ভিক্টর জন, উত্তর ভারতের একজন স্থানীয় বাসিন্দা, ভোজপুরী জনগেণর মধ্যে একটি আন্দোলনের লক্ষ্যে এক সর্বজনীন কৌশল স্থানান্তরণের পূর্বে ১৫ বছর একজন পাষ্টার হিসাবে পরিচর্যা করেছিলেন৷ ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে সূচনা থেকে তিনি বৃহত্তর এবং ক্রমবর্ধমান ভোজপুরী আন্দোলনের এক অনুঘটকের ভুমিকা পালন করেছেন৷

এই পোস্টটি ভোজপুরী ব্রেকথ্রু পুস্তকের অনুমতি নিয়ে উদ্ধৃত হয়েছে৷ (স্মৃতিসৌধ, সিওঃ উইগটেক রিসোর্সেস, ২০১৯), পৃষ্ঠা ৪, ১২১-১২৩, ১৩৭, ১৪২-১৪৩, এবং ২৪:১৪ বই-এর ১৮৫-১৮৮ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে – সমস্ত লোকদের পক্ষে একটি সাক্ষ্য, ২৪:১৪ থেকে বা অ্যামাজন-এ উপলব্ধ৷

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

ইউইউপিজি অন্তর্ভুক্ত পরিচর্যা

ইউইউপিজি অন্তর্ভুক্ত পরিচর্যা

– লিপক লেমতুর দ্বারা লিখিত 

Global Assembly of Pastors for Finishing the Task-এর জন্য এক ভিডিও থেকে সম্পাদিত – 

 

 

আমি ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশের একটি ছোট রাজ্য, নাগাল্যান্ড থেকে এসেছি৷ আমি গত ১৭ বছর ধরে মণ্ডলী স্থাপণের মধ্যে আছি৷ আজ আমি এক বিপুল সংখ্যক নেতাদের প্রতিনিধিত্ব করছি যারা [মথি] ২৪:১৪ দর্শনে একমত হয়ে একত্রিত হয়েছেন৷ আমাদের বর্ণবাদী পটভূমি বা মিশন সংস্থাগুলি নির্বিশেষে, আমরা একত্রে এসেছি, এবং একমত হয়ে বলেছি, “আসুন কাজটি শেষ করি৷”

আজকে আমার দেশের মধ্যে বিশ্বের সর্ববৃহৎ শস্যক্ষেত্রে রয়েছেঃ ১ কোটি ৫ লক্ষ জনসংখ্যা এবং প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ আমাদের কাছে ৬১৫,০০০টি গ্রাম ১,৭৫৭ জনগোষ্ঠী এখন পর্যন্ত যাদের সনাক্ত করা হয়েছে৷ ১,৭৫৭ জনের মধ্যে ১,৫১৭ জন সুসমাচার অপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর তালিকায় রয়েছে৷ অসংযুক্ত সুসমাচার অপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর ভারত ৬৮৮টি তালিকা রয়েছে৷ সুতরাং, আমাদের সন্মুখে অপ্রতিরোধ্য কার্যটি সহ, আমরা ভারতের ২৪:১৪ পরিবার প্রার্থনা সহকারে একমত হয়েছিঃ আমরা প্রতিটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সুসমাচার পৌঁছানোর কার্যটি শেষ করবো, যাতে ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৫ সাল পর্যন্ত সেখানে কোন অসংযুক্ত জনগোষ্ঠী না থাকে৷ সুতরাং আমাদের কাছে তাৎক্ষনিকতা এবং অপ্রতিরোধ্য কার্যের একটি বোধ আছে৷

আমরা আমাদের সন্মুখে এক বিপুল সংখ্যকের সাথে ধরা হতে পারি৷ কিন্তু আমরা সাধারণ সরঞ্জামগুলির কাছে ফিরে যেতে চাইঃ আমাদের যে কার্যভার অর্পণ করা হয়েছে তার জন্য বাইবেল আমাদের সহজ পথটি দেখিয়েছে৷ মহান আদেশ প্রত্যেক বিশ্বাসীকে দেওয়া হয়েছেঃ সমস্ত জাতির কাছে গিয়ে সুসমাচার প্রচার করো, পিতা, পুত্র, পবিত্র আত্মার নাম বাপ্তিস্ম দেও, এবং প্রভূ যীশু যেসকল আদেশ করেছেন তা পালন করতে শেখাও৷ এই মহান আদেশটি সকল বিশ্বাসীদের দেওয়া হয়েছিল, সুতরাং আমরা সমস্ত বিশ্বাসীদের যাজকত্বে বিশ্বাস করি৷ ১ পিতর ২:৯ পদে, পিতর লিখেছেনঃ “তোমরা মনোনীত বংশ, রাজকীয় যাজক শ্রেণী” আমরা সম্মত হই, একটি কাগজের টুকরোতে নয়; আমরা অনুশীলনে একমত৷

এটি যোহন ৪ অধ্যায়ের মতো, যেখানে প্রভূ যীশু কুয়োর পাড়ে সেই শমরিয় স্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সে কে ছিল তা প্রকাশ করেছিলেন৷ এই স্ত্রীটি এক অন্ধকার অতীতে বাস করেছিলঃ তার পাঁচজন স্বামী ছিল, এবং ষষ্ঠ যার সঙ্গে সে ছিল সেও তার স্বামী ছিল না৷ কিন্তু সে প্রভূ যীশু খ্রীষ্টকে গ্রহণ এবং বিশ্বাস করে, তারপর সে তার কলসী ফেলে রাখে ও তার গ্রামে ফিরে যায় এবং বলেঃ “একজনকে দেখবে এস, আমি যা কিছু করেছি, সব তিনি বলে দিয়েছেন। বোধহয় ইনিই সেই মশীহ?” এবং সারা গ্রাম বিশ্বাসে এসেছিল। অতএব এই স্ত্রীটি, যে সবেই বিশ্বাস করেছিল, একজন ঈশ্বরের সন্তান হয়েছিল। সে একজন যাজকের পরিচয় গ্রহণ করে এবং অবিলম্বে তার যাজকত্বের অনুশীলনে ইচ্ছুক ছিল।

আমরা আমাদের সমস্ত বিশ্বাসীদের একত্রিত করতে চাই, যাতে তারা প্রতিটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সুসমাচারের পৌঁছানোর কর্মসৈন্য হয়ে ওঠে। একটি নতুন গ্রামে প্রবেশ করার জন্য আমরা তাদের একটি সাধারণ পরিকল্পনার সাথে প্রশিক্ষণ, একটি সাধারণ সরঞ্জাম দিতে চাই। সেটি লুক ১০ অধ্যায় থেকে, যেখানে প্রভূ যীশু ৭০ জনকে প্রেরণ করেন, দুজন দুজন করে। এর অর্থাৎ ৩৫ জোড়া ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেঃ ঈশ্বর তাদের শান্তির ব্যক্তি দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করা। আমরা তাদের সাধারণ সরঞ্জামে সুসজ্জিত করিঃ তাদের কাহিনী এবং ঈশ্বরের কাহিনী বলতে পারা। এবং প্রত্যেক বিশ্বাসীদের সাধারণ শিষ্যত্ব এবং কিভাবে একটি মণ্ডলী গঠিত হয় তার প্রশিক্ষণ দিই। 

তার জন্য, আমরা প্রেরিত ২:৪১-৪৭ পদ দেখছি। একটি মণ্ডলী হিসাবে প্রথম বিশ্বাসীরা কি করেছিল? এটি সহজ ছিল। তারা কোথায় দেখা করতো? তারা তাদের গৃহে দেখা করতো। আমরা পুরো নতুন নিয়ম জুড়ে এর উদাহরণগুলি দেখি। কলসীয় ৪:১৫ অধ্যায়ে পৌল লিখেছেনঃ “তোমারা গৃহে সমবেত মণ্ডলীকে আমার অভিবাদন জানিও।” ফিলেমন-কেওঃ “তোমারা গৃহে সমবেত মণ্ডলীকে আমার অভিবাদন জানিও।” এবং রোমীয় ১৬ এবং ১ করিন্থীয় ১৬ অধ্যায়েও বিশ্বাসীরা তাদের গৃহে সমবেত হওয়ার বিষয়ে আমরা পড়ি। সমবেত হওয়ার স্বাভাবিক স্থানটি ছিল তাদের গৃহ।

সুতরাং আমরা বিশ্বাসীদের সাধারণ পথ এবং সাধরণ সরঞ্জামে সজ্জিত করি। আমরা চাই যে তারা কিভাবে একটি মণ্ডলী গঠিত হয় এবং একটি হিসাবে কি করনীয় তা জানুক। তারপর তারা তাদের মধ্য থেকেই একজন নেতা বেছে নেয়। সুতরাং তাদের কাছে পাঁচ-পদক্ষেপের একটি পরিকল্পনা রয়েছেঃ প্রবেশ, সুসমাচার, শিষ্যত্ব, মণ্ডলী গঠন, এবং নেতৃত্বের বিকাশ। আমরা সমস্ত বিশ্বাসীদের একত্রিত করতে এবং তাদের ফসলের জন্য প্রেরণ করতে চাই। আমরা চাই প্রত্যেক বিশ্বাসী সুসমাচারের মালিকানা নিতে শুরু করবে, এবং তাদের কাহিনী এবং ঈশ্বরের কাহিনী বলবে। আমরা তাদের বন্ধু এবং আত্মীয়দের একটি তালিকা তৈরী করেছি যাদের তারা চেনে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বহুল পরিমানে এই জনগোষ্ঠীগুলিকে স্পর্শ করা যারা কখনো সুসমাচার শোনেনি। এই ব্যক্তিগুলি হলো যাদের আমরা প্রতিদিন বাজারে এবং ব্যবসাগুলিতে দেখা হয়। এমনকি আমরা যখন সামাজিকীকরণ করি তখন আমরা রদের মধ্যে অনেকের সাথে দেখা করি।

সুতরাং আমরা প্রত্যেক বিশ্বাসীদের সুসমাচারের মালিকানা নিতে এবং তাদের পরিবার ও বন্ধুদের একটি তালিকা তৈরী করার জন্য সজ্জিত করি — মার্ক ৫ অধ্যায়ের অশুচি আত্মার সমান। প্রভূ যীশু সবেমাত্র লোকটিকে উদ্ধার করেছিলেন, যে তার জীবনের অর্ধেক সময় কবরে ঘুমিয়ে ছিল। যখন গ্রামবাসী প্রভূ যীশুকে এলাকা ছাড়তে বলে, এই সবে নতুন বিশ্বাসী (বর্তমানে পোশাক পড়ে এবং সুমানসিক স্থিতিতে) প্রভূ যীশুকে অনুরোধ করেছিলঃ “আমাকে আপনার সাথে নিয়ে যান!” কিন্তু প্রভূ যীশু বিপরীতটি করলেনঃ তাকে তাঁর সাথে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে, প্রভূ যীশু তাকে ছেড়ে দেন এবং তাকে এক নতুন বিশ্বাসীর দায়িত্ব প্রদান করেন। তার কাছে কর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল না এবং কোনো খ্রীষ্টিয় পটভূমি ছিল না। কিন্তু প্রভূ যীশু কেবল তাকে শস্যক্ষেত্রের মধ্যে ছেড়ে দেন এবং বলেনঃ “তুমি তোমার বাড়িতে আপনজনদের কাছে ফিরে যাও এবং প্রভু তোমার জন্য কি করেছেন, কিভাবে তোমার প্রতি কৃপা করেছেন সেকথা তাদের বল।” 

তাহলে যদি আমরা সকল বিশ্বাসীদের একত্রিত করি এবং প্রশিক্ষণ দিই, আমরা কার্যটি অর্জন করতে সক্ষম হব। আমরা এই জনগোষ্ঠীগলিকে সংযুক্ত করতে গেলে, অনেকেই জিজ্ঞেস করতে পারে, “আমরা কিভাবে সংযুক্তি পরিমাপ করতে পারি?” ভারতের ২৪:১৪ পরিবার হিসাবে আমরা বলেছি যে আমরা সংযুক্তির পরিমাপ করতে চাই। যখন একটি আন্দোলন শুরু হয় তখন জড়িত একটি জনগোষ্ঠীকে বিবেচনা করিঃ চারটি প্রজন্মের মণ্ডলীর স্থাপণ করা হচ্ছে।যেখানে মণ্ডলীগুলি অভ্যান্তরীনের দ্বারা চালিত হয় — এক স্থানীয় ব্যক্তি। যেখানে মন্ডলীগুলি অন্য মণ্ডলীগুলির স্থাপন করে। এর অর্থ স্থানীয় প্রেরণ — পরবর্তী গ্রামে আরেকটি প্রজন্মের মণ্ডলী স্থাপণের জন্য প্রেরণ। যখন আমরা চারটি প্রজন্ম দেখি, এটি দেখায় যে মণ্ডলীগুলি এখন নিজের টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে; সেই স্থানে একটি স্থানীয় মালিকানা এবং একটি স্থানীয় নেতৃত্ব রয়েছে। এর অর্থ নতুন বিশ্বাসীরা নিজেরাই অন্যদের কাছে সুসমাচার নিয়ে যাচ্ছে। মণ্ডলীগুলি সুস্থ, স্ব-শাসিত, স্বাবলম্বী, তাদের নিজস্ব নেতা বাছাই করে, এবং অন্য গ্রামে যেখানে সুসমাচার প্রচার করা হয়নি শ্রমিক প্রেরণ। তারা স্ব-সংশোধন এবং স্ব-ভোজন করে। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তাদের কোন বহিরাগতের প্রয়োজন নেই৷ যখন চার প্রজন্মের মণ্ডলীগুলি আরম্ভ হয়, আমরা বলি একটি জনগোষ্ঠী সংযুক্ত হয়েছে।

একটি আন্দোলনকে স্বাবলম্বী হতে হবে। আমরা যদি কোনো ক্ষেত্র থেকে খুব শীঘ্রই বেরিয়ে যাই, বা কেবল একজন বা দুজন শ্রমিককে প্রার্থনা এবং সুসমাচার প্রচারের জন্য প্রেরণ করি, আমরা বলি না যে জনগোষ্ঠী সংযুক্ত হয়েছে। মনে যেই শব্দটি আসে তা হল খ্রীষ্টিয় কার্যাধ্যক্ষত্ব। আমরা কি ভালো কার্যাধ্যক্ষ? আমরা কি শীঘ্রই ক্ষেত্র থেকে বেরিয়ে এসেছি? যদি সুসমাচার নিজেকে ধরে রাখতে সক্ষম না হয়, আমরা শীঘ্রই ক্ষেত্র থেকে বেরিয়ে এসেছি। আমরা একজন বা দুজন শ্রমিককে প্রেরণ করেছি বলে তারা সুসমাচার প্রাপ্ত হয়েছে বিবেচনা করলে, আমরা কিছু জনগোষ্ঠীকে পিছনে ছেড়ে বিপদে পড়তে পারি। তবে আমাদের চারটি প্রজন্মের মণ্ডলীর সিপিএম অনুশীলন অনুসারে লক্ষ্য নির্ধারণ এবং পরিমাপ করা দরকার, যেখানে এটি স্ব-স্বাবলম্বী। আমরা এই জনগোষ্ঠীর জন্য ভালো কার্যাধ্যক্ষ হতে চাই। আমরা এই জনগোষ্ঠীর সাথে স্বর্গে সাক্ষাৎ করতে চাই। প্রকাশিতবাক্য ৭:৯ পদে বিভিন্ন ভাষার জনগোষ্ঠী যীশু খ্রীষ্টের আরাধনার জন্য একত্রিত হওয়ার বর্ণনা দেয়। তাই আমরা কোনও জনগোষ্ঠীকে পিছনে ছেড়ে যেতে চাই না। ভারতের ২৪:১৪ পরিবারের অনুরোধ হিসাবে, আমরা আপনাদের সকলকে ভারতীয় মণ্ডলীর জন্য প্রার্থনার নিবেদন জানাই। প্রার্থনা করুন যাতে আমরা সুসমাচারের মালিকানা নিতে এবং কার্যটি সম্পূর্ণ করতে পারি। আমাদের সময়সীমার তৎপরতা মনে রাখবেনঃ ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৫ সালের মধ্যে। সুতরাং আমাদের প্রার্থনায় যোগ দিন যাতে আমরা প্রত্যেক বিশ্বাসীদের একত্রিত এবং প্রশিক্ষিত করতে পারি, অসংযুক্ত সুসমাচার অপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীগুলির কাছে সুসমাচার পৌঁছে দিতে পারি। এবং এই বিষয়ে আমরা যাতে ভালো কার্যাধ্যক্ষ হতে পারি; যাতে আমরা শীঘ্রই ক্ষেত্র থেকে বেরিয়ে না আসি এবং কার্যটি অসমাপ্ত না ছাড়ি। প্রার্থনা করুন যেন ঈশ্বর এই গতিবেগটি নির্মাণের জন্য সর্বত্র আমাদের সংস্থানও সরবরাহ করেন।

আমরা দেখেছি যে যখন কোনো আম্দলন শুরু হয় তখন অন্যান্য আন্দোলণগুলিও শুরু হয়। সুতরাং একজন আন্দোলনের নেতা হিসাবে, আমরা মণ্ডলীর গুণক হওয়ার জন্য আরও বেশী শ্রমিকের প্রশিক্ষণ চাই। তারপর আমরা তাদের শস্যক্ষেত্রে প্রেরণ করতে চাই। এই অপ্রতিরোধ্য এবং তাৎক্ষনিকতার কার্য, এবং ভারতীয় মণ্ডলীগুলি একতায় চলার জন্য প্রার্থনায় আমাদের সাথে যোগ দিন। প্রার্থনা করুন যেন এই এক সময়ের মতো, আমরা ২৪:১৪ দর্শনের সাথেও একমত হওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে পারি এবং বলতে পারি, “আসুন আমরা একত্রে কার্যটি শেষ করি!”

অনেক ভারতীয় সিপিএম নেটওয়ার্কগুলিতে (এবং পাশাপাশি কিছু অন্যান্য দেশ), তারা যথেষ্ট প্রগতি দেখেছে যে তাদের লক্ষ্য চারটি প্রজন্মের মণ্ডলীগুলির তাদের সংযুক্তির মানদণ্ডে — অন্য কোথায়, যখন কোন আন্দোলন শুরু হয় একটি গোষ্ঠী কার্যকরভাবে জড়িত হয়। অন্যান্য অবস্থানের নেটওয়ার্কগুলি একটি গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী অনুঘটককে এবং চার প্রজন্মের মণ্ডলীর একাধিক প্রবাহকে আন্দোলন সংযুক্তির চিহ্নস্বরূপ বিবেচনা করা হয়।

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

ইতিহাসের কাহিনীসূত্র — অন্তিম অধিস্থাপনের সমাপ্তি

ইতিহাসের কাহিনীসূত্র — অন্তিম অধিস্থাপনের সমাপ্তি

– স্টিভ স্মিথ দ্বারা লিখিত 

প্রায়শই আমরা ভুল প্রশ্ন দিয়ে শুরু করে থাকিঃ “আমার জীবনের জন্য ঈশ্বরের ইচ্ছা কী?” এই প্রশ্নটি অতি স্ব-কেন্দ্রিক হতে পারে৷ এটি আপনি এবং আপনার জীবন সম্পর্কিত৷ 

সঠিক প্রশ্নটি হলো “ঈশ্বরের ইচ্ছা কি?” পর্ব৷ তারপর আমরা জিজ্ঞেস করি, “আমার জীবন কিভাবে তার সর্বোত্তম পরিচর্যা করতে পারে?” 

ঈশ্বরের নামকে মহিমান্বিত করতে, আপনাদের বুঝতে হবে ঈশ্বর আমাদের প্রজন্মে কি করছেন—তাঁর উদ্দেশ্য৷ সেটি জানার জন্য ঈশ্বর ইতিহাসে কি করেছেন তা আপনাদের জানতে হবেঃ আদিপুস্তক ১ অধ্যায়ে যেই কাহিনীটি শুরু হয়েছিল এবং প্রকাশিতবাক্য ২২ অধ্যায়ে যা শেষ হবে৷

তখন আপনি ঐতিহাসিক চিত্রপটে নিজেকে খুঁজে পাবেন৷ উদাহরণস্বরূপ, রাজা দাউদ তাঁর নিজস্ব প্রজন্মের মধ্যে অনন্যভাবে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যের পরিচর্যা করেছিলেন (প্রেরিত ১৩:৩৬) স্পষ্টভাবে কারণ তিনি ঈশ্বরের মনের মতো ব্যক্তি ছিলেন (প্রেরিত ১৩:২২)৷ তিনি পিতার কাহিনীর প্রতি তার প্রচেষ্টার অবদান রাখতে চেয়েছিলেন৷ আব্রাহামের প্রতিশ্রুতিটি (ভূমির উত্তরাধিকারী এবং জাতিগুলির প্রতি আশির্বাদ হবে) এগিয়ে একটি বিরাট ঝাঁপ নেয় যখন ঈশ্বর তাঁর মনের মতো এবং তাঁর উদ্দেশ্যের পরিচর্যা করার ব্যক্তিকে খুঁজে পান৷ ২ শমুয়েল ৭:১ পদ অনুসারে, ইস্রায়েলীয়দের জয় করার কোনও স্থান অবশিষ্ট না থাকাতে তাঁর সেই দেশ উত্তরাধিকারের প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছিলেন৷ 

আমাদের পিতার হৃদয় হলো ইতিহাসের কাহিনীসূত্র৷ যখন তিনি তাঁর হৃদয়ের মতো নায়কদের খুঁজে পান তখন তিনি চিত্রপটের গতি বাড়িয়ে দেন৷ ঈশ্বর এক নতুন প্রজন্মকে আহ্বান করছেন যা শুধুমাত্র চিত্রপটের মধ্যে থাকবে তা নয় কিন্তু চিত্রপটটি সমাপ্ত করে, কাহিনীসূত্রকে তার চূড়ায় পৌঁছে দেবে৷ তিনি একটি প্রজন্মকে আহ্বান করছেন যে একদিন বলবে, “ঈশ্বরের রাজ্য সম্প্রসারণের জন্য আর কোনও স্থান অবশিষ্ট নেই” (যেমন পৌল রোমীয় ১৫:২৩ পদে একটি বৃহৎ অঞ্চল সম্পর্কে লিখেছেন৷)

কাহিনীসূত্রকে জানা হলো ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানা

একবার আপনি কাহিনীসূত্রকে জানলে, আপনি এতে নিজের স্থানটি নিতে পারবেন, কোনও পার্শ্ব চরিত্র হিসাবে নয় কিন্তু লেখকের শক্তি দ্বারা চালিত এক নায়ক হিসাবে৷

প্রধান কাহিনীসূত্রটি সৃষ্টিতে শুরু হয়েছিল (আদিপুস্তক ১ অধ্যায়ে) এবং পূর্ণতায় সমাপ্ত হয় (প্রভূ যীশুর পুনরাগমণ — প্রকাশিতবাক্য ২২)৷ এটি একটি মহান দৌড়ের কাহিনী৷ প্রত্যেক প্রজন্ম রিলে দৌড়ে একটি অধিস্থাপন চালায়৷ একটি চূড়ান্ত প্রজন্ম থাকবে যা সর্বশেষ অধিস্থাপনটি চালায় — একটি প্রজন্ম যে রাজাকে তাঁর ইতিহাস-দীর্ঘ প্রচেষ্টার পুরস্কার গ্রহণ করতে দেখে৷ সেখানে একটি অন্তিম-অধিস্থাপন থাকবেআমরা কেন নয়?

ইতিহাসের উদ্দেশ্য

এই কেন্দ্রীয় কাহিনীসূত্রটি সম্পূর্ণ বাইবেল জুড়ে চলে, প্রতি ৬৬টি পুস্তকের মাধ্যমে তার পথ বুনছে৷ তবুও কাহিনীসূত্রটি ভুলে যাওয়া বা উপেক্ষা করা সহজ, এবং এই ধরনের চিন্তায় অনেকেই উপহাস করে৷

শেষের দিনগুলিতে স্বেচ্ছাচারী উচ্ছৃঙ্খল ধর্মনিন্দুকদের আবির্ভাব হবে। তারা বলবে, “তাঁর আগমনের প্রতিশ্রুতির কি হল?” আমাদের পিতৃপুরুষেরা তো গত হয়েছেন, কিন্তু সৃষ্টির আদি থেকে যেমন ছিল এখনও সব কিছুই তেমনি চলছে। (২ পিতর ৩:৩-৪)

এই বাস্তবতা আমাদের প্রজন্মের পাশাপাশি পিতরের বর্ণনা দেয়৷

ইতিহাসের কাহিনীসূত্রটি কি?

  • সৃষ্টিঃ আদিপুস্তক ১-২ অধ্যায়ে, একটি উদ্দেশ্যের জন্য ঈশ্বর মনুষ্য জাতিকে সৃষ্টি করেছেনঃ তাঁর পুত্রের নববধূ (সঙ্গী) হবার জন্য, প্রেমময় উপাসনার মধ্যে সদা তাঁর সাথে বাস করার জন্য
  • পতনঃ আদিপুস্তক ৩ অধ্যায়ে, পাপের মাধ্যমে, ঈশ্বরের আকৃতি থেকে মানুষের পতন ঘটেসৃষ্টিকর্তার সাথে আর সম্পর্ক নেই
  • বিভাজনঃ আদিপুস্তক ১১ অধ্যায়ে, ভাষাগুলি বিভ্রান্ত হয়েছিল এবং পৃথিবীর শেষ প্রান্ত পর্যন্ত মানবতাকে ছড়িয়ে দিয়েছিল—ঈশ্বরের মুক্তির সংস্পর্শের বাইরে৷
  • প্রতিশ্রুতিঃ আদিপুস্তক ১২ অধ্যায়ে শুরু করে, ঈশ্বরের লোকেদের (আব্রাহামের বংশধরদের) শুভ-সমাচার-প্রচারের প্রচেষ্টার দ্বারা ঘোষিত একজন মুক্তিদাতার রক্ত-মূল্যের মাধ্যমে ঈশ্বর পৃথিবীর লোকেদের আবার তাঁর কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য আহ্বান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন
  • মুক্তিঃ সুসমাচারগুলিতে, প্রভূ যীশু পাপের ঋণ শোধ করার জন্য, ঈশ্বরের লোকেদের ফেরত কেনার জন্য মূল্য প্রদান করেছিলেন — সমস্ত এথনোস (জনগোষ্ঠী) থেকে লোকেদের৷
  • আদেশঃ তাঁর জীবনের অন্তে, প্রভূ যীশু ঈশ্বরের লোকেদের ঈশ্বরের মিশন সমাপ্ত করার জন্য উদ্বোধন করেছিলেনঃ মহান কাহিনীসূত্রটি৷ এবং তিনি তাঁর ক্ষমতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন৷
  • শিষ্য-নির্মাণঃ প্রেরিতের পুস্তক থেকে আজ পর্যন্ত, ঈশ্বরের লোকেরা মহান আদেশ সম্পাদনের দ্বারা আশির্বাদিত হয়েছেন৷ “সারা জগতে যাও” এবং এই মুক্তিটি পরিপূরণ করোঃ সমস্ত এথনে শিষ্য নির্মাণ করো, খ্রীষ্টের সম্পূর্ণ নববধূ হবার জন্য৷
  • পরিসমাপ্তিঃ পরিসমাপ্তিতে, প্রভূ যীশু তাঁর নববধূকে নিয়ে যেতে ফিরে আসবেন—যখন সে সম্পূর্ণ এবং তৈরী থাকবে৷ আদিপুস্তক ৩ অধ্যায় থেকে প্রকাশিতবাক্য ২২ অধ্যায় সমস্তই জাতিগুলির মধ্য থেকে প্রভূ যীশুর নববধূকে ফেরত আহ্বানের বিষয়ে৷ নববধূ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, মণ্ডলীর মিশন অসমাপ্ত৷ 

পিতর তাঁর দ্বিতীয় পত্রের শেষ অধ্যায়ে এই কাহিনীসূত্রের উল্লেখ করেছেন

কিন্তু বন্ধুগণ, এ কথা ভুলে যেও না যে, প্রভুর দৃষ্টিতে একটি দিন সহস্র বছরের মত এবং সহস্র বছর একটি দিনের সমান। প্রভু তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণে বিলম্ব করেন না, যদিও কেউ কেউ এ কথা মনে করে। তোমাদের প্রতি অসীম তাঁর ধৈর্য। তাঁর ইচ্ছা নয় যে কেউ ধ্বংস হোক। তিনি চান, সকলেই যেন হৃদয় পরিবর্তন করে। মনে রেখো, প্রভুর দিন চোরের মত আসবে। সেদিন আকাশমণ্ডল প্রচণ্ড শব্দে লুপ্ত হবে। মৌলিক পদার্থগুলি আগুনের তাপে বিলীন হবে এবং পৃথিবী সমেত সবকিছুই হবে ধ্বংস। (২ পিতর ৩:৮-১০, উদ্ব্যক্তি যুক্ত)

ঈশ্বর ধৈর্যশীল। যতক্ষণ না কাহিনী সম্পূর্ণ হচ্ছে তিনি তাঁর পুত্রকে পুনরায় পাঠাবেন না। ঈশ্বর ধীর নন; কোনও জনগোষ্ঠী (এথনোস) বিনষ্ট হোক তা তিনি চান না। তিনি চান যে আদিপুস্তক ১১ অধ্যায়ের সমস্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জাতিগুলি প্রচুর সংখ্যায় খ্রীষ্টের নববধূ অংশ হয়। মথি ২৪:১৪ পদে প্রভূ যীশু এইসকল এথনে’র উল্লেখ করেছিলেন। মহান আদেশের মধ্যে তিনি এই এথনে’র কথাই বলেছিলেন (সমগ্র এথনে-কে শিষ্য করো”)। এই এথনে’ই প্রকাশিতবাক্য ৭:৯ পদে চিত্রিত হয়েছে।

ইতিহাসের কাহিনীসূত্রের চূড়ান্ত পর্বটি পুত্রের কাছে এক সম্পূর্ণ নববধূকে একটি দুর্দান্ত বিবাহ উদযাপনের জন্য উপস্থাপিত করেছে। পিতরের শেষ অধ্যায়ে, তিনি এই নববধূর সমাবেশের এবং পৌলের লেখার বিষয়ে উল্লেখ করেছেনঃ

প্রিয় বন্ধুগণ, যেহেতু তোমরা এরই প্রতীক্ষায় রয়েছ সেইজন্য বিশেষ চেষ্টা কর, যাতে তোমরা নিষ্কলঙ্ক ও নিখুঁতভাবে শান্তিতে তাঁর সম্মুখে উপস্থিত হতে পার। মনে রেখো, আমাদের প্রভুর অপার সহিষ্ণুতার জন্যই আমরা পরিত্রাণ পেয়েছি। আমাদের প্রিয় ভ্রাতা পৌল যে প্রজ্ঞা লাভ করেছেন তদনুযায়ী তিনি তোমাদের কাছে এই কথাই লিখেছেন। তাঁর সমস্ত পত্রে… (২ পিতর ৩:১৪-১৬, উদ্ব্যক্তি যুক্ত)

পৌল একই শব্দ ব্যবহার করে একই কাহিনীসূত্রের উল্লেখ করেছেনঃ

খ্রীষ্ট যেমন মণ্ডলীকে ভালবেসেছেন এবং তার জন্য আত্মদান করেছেন, স্বামীরা, তোমরাও সেইভাবে স্ত্রীকে ভালবাস। 26-27তিনি মণ্ডলীকে পবিত্র ও নিষ্কলঙ্ক করার রজন্য বাণী উচ্চারণ করে অবগাহন দ্বারা তাকে শুচিশুদ্ধ করে পবিত্র করেছেন, যাতে সর্বপ্রকার কলঙ্ক, বিকৃতি ও কলুষমুক্ত মণ্ডলীকে গৌরবান্বিত করে আপন করে নিতে পারেন… এই শাস্ত্রবচনে নিহিত আছে অতি গভীর নিগূঢ়তত্ত্ব, আমি এই তত্ত্ব খ্রীষ্ট ও তাঁর মণ্ডলী সম্পর্কে প্রয়োগ করছি। (ইফিসীয় ৫:২৫-২৭,৩২, উদ্ব্যক্তি যুক্ত)

ইফিসীয় ১ অধ্যায়েও একই পরিকল্পনার উল্লেখ করেছেনঃ

ঈশ্বরই তাঁর পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনার নিগূঢ়তত্ত্ব আমাদের কাছে ব্যক্ত করেছেন, যা তিনি খ্রীষ্টের মাধ্যমে পূর্ণ করবেন। ১০ এই পরিকল্পনা সমগ্র বিশ্ব, স্বর্গ ও মর্ত্যের সব কিছুই খ্রীষ্টের মাঝে সম্মিলিত করার সঙ্কল্প যা কাল পূর্ণ হলে খ্রীষ্টেরই মাঝে তিনি রূপায়িত করবেন(ইফিসীয় ১:৯-১০, উদ্ব্যক্তি যুক্ত)

সৃষ্টি থেকে পরিসমাপ্তি পর্যন্ত ঈশ্বরের পরিকল্পনা হলো প্রত্যেক ভাষা এবং সংস্কৃতির ব্যক্তিদের খ্রীষ্টে তাঁর সদাকালের নববধূ হিসাবে, তাঁর জীবনে ফিরিয়ে সম্মিলিত করা। কিন্তু এই সময়ে, সেই নববধূ অসম্পূর্ণ। তার এখনও একটি বাহু, একটি চোখ এবং একটি পা অনুপস্থিত। তার পোশাক এখনও কলঙ্কিত এবং কুঁচকানো। বর যখন নিজের বাহুর মধ্যে নববধূকে জড়িয়ে রাখতে প্রস্তুত হয়ে বেদিতে দাঁড়িয়ে আছেন, তখন মনে হয় নববধূ বিয়ের দিনটির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য খুব তাড়াহুড়ো করছে। কিন্তু নববধূর ভঙ্গিমা বদলে যাচ্ছে। এটি আমাদের প্রজন্মের অন্যতম দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্য, এবং এটি ইতিহাসের দৌড়ে আমাদের অধিস্থাপনের স্বতন্ত্রতাকে ইঙ্গিত করে। গত দুই দশক ধরে বিশ্বব্যাপী মণ্ডলী বিশ্বের অবশিষ্ট ৮০০০ জনের উর্দ্ধে সুসমাচার অপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীগুলিকে সম্পৃক্ত করার প্রতি গতি বাড়িয়েছে—বিশ্বের অংশগুলি এখনও নববধূতে ভালোভাবে প্রতিনিধিত্ব করেনি।

এটি একটি ভালো প্রথম পদক্ষেপ, কিন্তু প্রবৃত্তিই শেষ লক্ষ্য ছিলা না। বিশ্বের দুইশো কোটির উর্দ্ধে ব্যক্তিরা এখনও পর্যন্ত সুসমাচারের প্রবেশাধিকার পায় নি, তাদেরকে সংযুক্ত করার আমাদের প্রচেষ্টার অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। তাদের কেবল সম্পৃক্ত নয়, তাদের কাছে পৌঁছাতেও হবে। প্রভূ যীশু আমাদের ঈশ্বরের রাজ্য যেমন স্বর্গে এই পৃথিবীতেও তেমনি পালিত হবার প্রার্থনা করতে বলেছেন (মথি ৬:৯-১০)। যখন সুসমাচার একটি সুসমাচার অপ্রাপ্ত স্থানকে সম্পৃক্ত করে, ঈশ্বরের রাজ্য অবশ্যই বলপূর্বক মুক্ত হয়। প্রভূ যীশু সর্বদা তাঁর শিষ্যদের শিষ্য নির্মানকারী যারা শিষ্য নির্মাণ এবং মণ্ডলী স্থাপণের মণ্ডলী যারা মণ্ডলী স্থাপণ করতে পারে এমন দর্শনে লিপ্ত করেছেন। এইটি যা হয়েছিল প্রেরিতের পুস্তকে। প্রারম্ভিক শিষ্যত্বের ডিএনএ-টি ছিল যে প্রত্যেক শিষ্য উভয়ই প্রভূ যীশুর এক অনুসারী এবং এক মৎসধারী হবে (মার্ক ১:১৭)।

প্রভূ যীশু একটি ছোট বা অসম্পূর্ণ নববধূর দ্বারা সন্তুষ্ট হবেন না। তিনি এমন নববধূ চান যাকে সমগ্র এথনে থেকে কেউ গণনা করতে পারবে না। তাদের প্রত্যেকের মধ্যে রাজ্যের সংখ্যাবৃদ্ধির মাধ্যমে এটি করার একমাত্র উপায়। ঈশ্বরের আন্দোলনগুলিকে আবার প্রচলিত করার জন্য গতিবেগ নির্মাণ করা হচ্ছে। গত ২৫ বছরর ধরে বিশ্বে এই মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনগুলির সংখ্যা ১০ থেকে ১,০০০-এর উপরের চেয়ে কিছুটা মাত্র বৃদ্ধি পেয়েছে! ঈশ্বর ইতিহাসের সময়রেখাকে ত্বরান্বিত করছেন!

তবুও এখনও পর্যন্ত হাজার হাজার সুসমাচার অপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী এবং স্থানের মধ্যে কোনো সংখ্যাবৃদ্ধিকারী মণ্ডলী নেই। পিতরের সাথে, আমাদেরও অবশ্যই চিত্রপটের রেখাটির সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য ঈশ্বরের সাথে যোগ দিতে হবে। 

কাহিনীর নায়ক হয়ে উঠুন—কোনো পার্শ্ব চরিত্র নয়। প্রত্যেক সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং স্থানে পৌঁছানোর দিকে মনোযোগ দিন, এবং এটি সংখ্যাবর্দ্ধক শিষ্য, মণ্ডলী এবং নেতাদের প্রেরিত-মতো আন্দোলনের মাধ্যমে করুন।

“ঈশ্বরের ইচ্ছা কি” জিজ্ঞেস করুন এবং “আমার জীবন কিভাবে এই প্রজন্মের মধ্যে সেই উদ্দেশ্যের সর্বোত্তম পরিচর্যা করতে পারে?” প্রভূ যীশু সেই প্রচেষ্টায় যোগদানকারী সকলকে তাঁর শক্তিশালী উপস্থিতির প্রতিশ্রুতি করেছিলেন (মথি ২৮:২০)।

কিছু প্রজন্ম সেই অন্তিম অধিস্থাপনটি সমাপ্ত করবে। আমরা কেন নয়?

স্টিভ স্মিথ, টিএইচ.ডি. (১৯৬২-২০১৯) ২৪:১৪ জোটের সহকারী এবং একাধিক পুস্তকের লেখক ছিলেন (টি৪টি সহঃ অ্য ডিসাইপল রে-রেভোলিউসন)। তিনি প্রায় দুই দশক ধরে সাড়া বিশ্বের সিপিএমকে অনুঘটক বা প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন।

এই উপাদানটি মিশন ফ্রন্টিয়ার্স-এর  নভেম্বর ২০১৭ সালের প্রকাশনায়, “কিংডম কর্নেলসঃ ইতিহাসের কাহিনীসূত্র — অন্তিম অধিস্থাপনের সমাপ্তি” থেকে সংকলিত, http://www.missionfrontiers.org৷ ২৪:১৪ বই-এর ৪০-৪৩, ১৭-২৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখিত হয় – সমস্ত লোকদের পক্ষে একটি সাক্ষ্য ২৪:১৪ থেকে বা অ্যামাজন-এ উপলব্ধ

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

আন্দোলনের অভিমতের দিকে আমার যাত্রা

আন্দোলনের অভিমতের দিকে আমার যাত্রা

– ডগ লুকাস দ্বারা লিখিত

অধ্যক্ষ, দল সম্প্রসারণ –

আমার মনে আছে ১৯৭৮ সালে, যিনি আমাদের সেই উকিলের সাথে দলের সম্প্রসারণকে সংজ্ঞাবদ্ধ করার চেষ্টা করে অন্তর্ভুক্ত করতে সাহায্য করেছিলেন৷ এটি সহজ ছিল না৷ আমরা এক স্বতন্ত্র চিন্তাবিদদের সংগ্রহ, প্রত্যেকে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের প্রতি মনোনিবেশ করেছে, একটি সাধারণ দর্শনের পিছনে এখনও ঐক্যবদ্ধঃ মণ্ডলী স্থাপণ৷

মিশনগুলির এক ভিন্ন গুজব শুনে, ৩৫ বছর পরে (২০১৩ সালে), সেই কঠোর জয়ের স্পষ্টতা একজন দল সম্প্রসারণের অধ্যক্ষ হিসাবে আমার লড়াই করার একটি কারণ হতে পারে৷ যখন আমি আমার যাত্রা এবং আমার সংস্থার যাত্রাটিকে ফিরে তাকাই, আমি অবাক হই যে এটিকে আমার আলিঙ্গন করে নিতে কিভাবে এতটা সময় লেগেছে৷ এটা এতো কঠিন ছিল কেন? এই ব্যক্তিগত রূপান্তরটি কিভাবে চালনা করলাম? এবং আমরা কেমন করে, এক সংস্থাগত ভাবে, এই কৌশলগুলি প্রয়োগ করতে চাইছি?

প্রথমে, আন্দোলনের চিন্তনটি আমার পক্ষে সত্যের কোন একক উৎসবিহীন, খুব “অস্পষ্ট” মনে হয়েছিল৷ এবং লোকেদের কাছে যা বর্ণনা শুনেছি তা খুবই সহজ৷ অবশ্যই, যদি প্রেরিতের পুস্তকটি জীবিত ছিল, তবে আমাদের এর বাছাই করতে ১৯টি শতাব্দী লেগেছিল কেন? আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করিঃ যদি সেখানে লক্ষ্য লক্ষ্য অংশগ্রহনকারীদের সাথে, বাস্তবিক ভাবেই ১০০০ এর উর্দ্ধে আন্দোলনগুলি রয়েছে, আমরা তাদের দেখতে পারি না কেন? এবং আমরা কি নিশ্চিত হতে পারি যে সেগুলো কোনো স্ফীত সংখ্যা নয়?”আমি আরও আশ্চর্য্য হয়েছি যেঃ “এমনকি যদি এশিয়া এবং আফ্রিকার প্রতিবেদনগুলি সত্যি হয়ে থাকে, যদি এতোই সহজ হয়, তবে কেন উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপে এটি কাজ করছে বলে মনে হয় না?”

পাশাপাশি, আমি যুক্তি দিয়েছিলাম, আমরা সবসময় একটি কেন্দ্রীয় নিউক্লিয়াসের দিকে মনোযোগী ছিলামঃ ভাড়াটে কিংবা কেনা ভবনে ১০০জনের একটি গোষ্ঠী৷ আমি একটি মণ্ডলীর একটি কর্মী, অনুষ্ঠানগুলি এবং একটি বাজেট সজ্ঞায়িত করতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত৷ আমার প্রশিক্ষণের বছরগুলি আমাকে একটি দৃষ্টান্তের জন্য প্রস্তুত করেছিলঃ একটি মণ্ডলীর “আদর্শ” নমুণা৷ যে সমস্ত প্রত্যাশা এবং সংজ্ঞাগুলি আমার মনে ছেপে গিয়েছিল, সেই ছাঁচটি ভাঙ্গা শক্ত ছিল৷

তাহলে কি বদলেছে — আমার মধ্যে এবং আমার সংস্থার মধ্যে? নিম্নলিখিত উপাদানগুলি একটি দৃষ্টান্তমূলক পরিবর্তন আনার জন্য সারিবদ্ধঃ

১) একজন উকিলঃ কারণটিতে বিজ্ঞ এমন একজন ব্যক্তির উপর আমি বিশ্বাসী৷ আমাদের মামলায়, তিনি আমাদের কার্যনির্বাহী ভিপি৷ এরিক আমার আজীবন বন্ধু ছিল৷ আমি হারানোদের প্রতি তার দর্শন ও আবেগকে সম্মান করি৷ সে কিভাবে “আমাকে বিজয়ী করেছে” তার দিকে ফিরে তাকানর সাথে আমি আরো কিছু অতিরিক্ত জিনিসগুলি সনাক্ত করতে পারি যেগুলি সাহায্যকারী হয়েছিল৷

২) ধৈর্য্যশীলঃ উকিল আমার ভাষায় কথা বলতেন এবং কিভাবে আমাকে প্রভাবিত করতে হবে তা বুঝতে পেরেছিলেন৷ তিনি আমাকে কোনো ভাষণ দিতেন না বা অবজ্ঞাপূর্ণভাবে কথাও বলতেন না৷ তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন যে আমরা আমাদের সংস্থার নির্বাচিত ক্ষেত্র কর্মীদের প্রশিক্ষণের সাথে পরীক্ষা শুরু করার জন্য অনুমতি দেব কিনা৷ আমরা আনন্দের সাথে তাঁর প্রচেষ্টাকে আশীর্বাদ জানাই, এবং তিনি প্রায়শই আমাকে সেই প্রশিক্ষণগুলিতে জড়িত করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন৷ তিনি ভালোভাবেই কিন্তু গোপনে থাকতেন৷ আমি যদি ধৈর্য্যশীল না হতাম তাহলে কিভাবে এই নতুন পদ্ধতির প্রশিক্ষণে সেই সমস্ত কর্মীদের স্বাগত করতে পারতাম৷ কিন্তু আমি তখনও কুস্তি লড়েছিলাম৷ মাসের পর মাস ধরে, আমি আশেপাশে খোঁচা খাচ্ছিলাম, “এটি পাওয়ার” চেষ্টা করছিলাম৷ কিন্তু আমি জিজ্ঞেস করতেই থাকিঃ “এটি” আসলে কি?

৩) সহ্যশক্তিঃ উকিল কখনও আমার উপর হাল ছেড়ে দেননি৷ তিনি এক দৃঢ় বিশ্বাসকে ধরে রেখেছিলেন যে যদি সংস্থার সংস্থাপক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পরিবর্তনের পক্ষে থাকলে আরও কার্যকরভাবে আন্দোলনের চিন্তনে রূপান্তরণ হবে৷ আমি সেই নির্বাহী কর্মকর্তা নই যে সমস্ত প্রচেষ্টা ডেকে আনে৷ কিন্তু তিনি নির্বাহী কর্মকর্তাকে বোর্ডে রাখার সুস্পষ্ট সুবিধাগুলি দেখেছিলেন৷ তিনি শুধু আমার উপর কখনও হাল ছেড়ে দেননি৷ যেন গতকাল ঘটেছে এমন সুনির্দিষ্ট আলোচনাগুলি আমার মনে আছে৷ “আপনি বলতে চাইছেন এই সমস্ত এত সহজেই ঘটেছে? এটি কেবল সংখ্যাবৃদ্ধি হতে থাকে? এর মধ্যে আরো অনেক কিছু রয়েছে৷” তিনি কেবল আমাকে বুঝতে সাহায্য করার জন্য আমার সাথে মামলা অধ্যয়ন এবং নীতিগুলির বিষয়ে আলতোভাবে চলতেন৷ 

৪) মামলা অধ্যয়নঃ তিনি আমাকে উদাহরণগুলি দেখিয়েছিলেন৷ তিনি সর্বদা কাহিনীর সন্ধান করতেন, যাতে আমি একটি চিত্র গ্রহণ করতে পারি — বিশেষত আমাদের নিজস্ব ক্ষেত্রগুলি থেকে৷ একবার আমরা আমাদের প্রাথমিক গ্রহণকারীদের কাছ থেকে ফল দেখতে শুরু করলে, তিনি জেনে যেতেন যে এখন আমি এই বিষয়ে কথা বলতে শুরু করব৷ নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকার অংশঃ সংস্থার পরিচর্যা বিষয়ে কাহিনী বলা এর শ্রেষ্ঠত্ব৷ এটি ব্যক্তিদের সংস্থার কার্যকারীতাকে বিশ্বাস করতে সাহায্য করে এবং ব্যক্তিদের আমাদের কর্মীদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব সম্পর্কে ভালো বোধ করতে সাহায্য করে৷ 

কিন্তু এই চারটি বিষয়গুলি সত্বেও, আমার আরও সময়ের প্রয়োজন ছিল৷ আমাকে এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে এমন উপাদানগুলিতে ভেঙ্গে ফেলতে হয়েছিল যা আমি প্রতিবারে স্বল্পমাত্রায় হজম করতে পারতাম৷ সম্পূর্ণ হাতিটি খাওয়ার চেয়ে, আমি কেবল ভোজনের প্রতি মনোযোগ দিয়েছিলাম… মাঝেমধ্যে কেবল একটি কামড়৷ আমি আমার নিজস্ব শহরের আশেপাশে (লুইসভিলে, কেওয়াই) যেখানে আন্তর্জাতিক প্রার্থীরা থাকেন এবং কাজ করেন সেখানে প্রার্থনা-চলন শুরু করেছিলাম৷ আমি প্রশিক্ষণ সহচর এবং সমকক্ষ পরামর্শদাতাদের গোষ্ঠীগুলির মধ্যে আমার সাথে সাক্ষাতের জন্য অন্যদেরও আমন্ত্রণ জানাতে শুরু করি৷ সহজেই-শিক্ষণীয় তিন-তৃতীয়াংশ (ডিবিএস) শৈলীর বিন্যাসটি ব্যবহার করে, আমি “আমার আত্মীক পরিবার” এক সাপ্তাহিক সমাবেশ শুরু করতে দুটি অন্য পরিবারের সাথে কাজ করেছি৷ (www.Zume.training -এ এই সাধারণ ধারণাগুলি সম্পর্কে আরও শিখুন৷) আমার এই সাধারণ পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করার সাথে, কিছু গোষ্ঠীগুলি উন্নত হয়েছিল যেখানে অন্যেরা ব্যর্থ হয়েছিল৷ একবার আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রক্রিয়াটি অনুভব করতে শুরু করলে, এটি দুই সপ্তাহের মধ্যেই, হঠাৎ ক্লিক করতে শুরু করে৷

পথমধ্যে, আমি একত্রিত ধারণাগুলির গোষ্ঠী শুরু করেছি এবং সেগুলি নীতি হিসাবে চিহ্নিত করেছি৷ আমি এগুলি একজন বন্ধুর সাথে করেছি, আরম্ভ থেকেই সংখ্যাবৃদ্ধি করার চেষ্টাতে৷ এই নীতিগুলি, আমার জন্যে, আমার নিজস্ব প্রয়োজনের তাগিদে, সেই অন্যান্যদের সাথে একসমান যাত্রায় এক প্রশিক্ষণ ওয়েবসাইটে পরিবর্তিত হয়েছে৷ আমি যা শিখেছি তা লেখা আমার জন্য এক ভালো অনুশীলন হয়েছে৷ (এটি বিনামূল্যে www.MoreDisciples.com –এ উপলব্ধ৷) আমি আরো শিষ্যরা-এর উপর কাজ করেছি, আমরা www.Zume.training –এ অনলাইন প্রশিক্ষণ উপকরণগুলির পরীক্ষণ এবং বাস্তবায়নের অংশীদার হয়ে আশির্বাদিত হয়েছি৷ এই কোর্সটি এখন সারা বিশ্বে হাজার হাজার অন্যদের, ডজন ডজন দেশে এবং ভাষায় প্রশিক্ষণ প্রদান করছে৷ 

একটি সংস্থা হিসাবে, আমরা ঘন ঘন প্রশিক্ষণগুলি করতে শুরু করেছি৷ ধন্যবাদ, আমাদের অনেক কর্মীরা ব্যক্তিগত এবং দলগত উভয় ভাবেই সিপিএম/ডিএমএম নীতিগুলিকে বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে৷ আজকে, আমরা অনুমান করতে পারি যে আমাদের ৮০-৯০% কর্মীরা ডিএমএম কৌশলকে তাদের প্রাথমিক পদ্ধতি হিসাবে স্বীকার করেছে৷ এবং সম্পূর্ণ রূপান্তরনের মধ্যে, আমরা সম্ভবত এটির কেবলমাত্র একটি পরিবারকে হারিয়েছি৷ এটি একটি বিশাল সাফল্য ছিল৷ পরিবর্তনের কারণে এখন আমরা অনেক বেশী কার্যকর সংগঠন৷ এমনকি মহামারীর মাঝেও, ঈশ্বর আমাদের দলের সদস্যদের এবং আমরা যারা ২,৪০০জনকে বাপ্তাইজিত করতে ও ৭৯৬টি নতুন গোষ্ঠী স্থাপণের জন্য প্রশিক্ষিত তাদের মাধ্যমে কাজ করেছেন৷ এখন ৫০টি দেশে যেখানে আমরা পরিচর্যা করি সেখানে ২৫,০০০ জনের উর্দ্ধে বিশ্বাসযোগ্য উপস্থিতির সাথে, ৪০০০ এর উর্দ্ধে সক্রিয় গোষ্ঠী রয়েছে৷

আমরা আশ্চর্য্য হই যে কেন উত্তর আমেরিকাতে আরো বেশী ব্যক্তিরা এই সহজ এবং কার্যকর নীতিগুলিকে বাস্তবায়ন করছে না৷ সম্ভবত এর কারণ আমরা রবিবার সকালে একটি পরিষেবায় উপস্থিত হওয়া হিসেবে খ্রীষ্টিয় জীবনের সংজ্ঞা দেওয়াতে অভ্যস্ত৷ হতে পারে যে, আমাদের জীবন খেলাধুলা এবং অবসর কর্যকলাপের সাথে এতটাই পরিপূর্ণ যে আমরা ভাবি যে এই সাধারণ, পুনরুৎপাদনযোগ্য নীতিগুলির সাথে চলার জন্য আমাদের কাছে সসময় নেই৷ কারণ যাই হোক না কেন, ঈশ্বর বিশ্বের বহু অন্যান্য স্থানগুলিতে যা করছেন, তা ধরার লক্ষ্যে আমাদের কয়েকশো এবং কয়েক হাজার প্রার্থনার উকিলদের এবং বাস্তবায়নকারীদের একত্রিত করার জন্য আমাদের একটি উপায় খুঁজে বের করতে হবে৷

আন্দোলনের চিন্তনের পথে আমার যাত্রা ধীর ছিল৷ কিন্তু এটি একটি বিরাট পরিবর্তন৷ আমি সেই উকিলকে ধন্যবাদজ্ঞাপন করি যিনি এই পথে আমাকে সাহায্য করেছিলেন৷ এবং আমার জীবনে ঈশ্বরের ধৈর্য্য এবং অনুগ্রহের জন্য আমি তাঁর সবচেয়ে কৃতজ্ঞ৷ আমি অন্যান্য নেতাদের এবং সংস্থাগুলির থেকে এই ধরনের কাহিনীর অপেক্ষায় থাকব৷

এই ধরনের প্রশ্নেগুলির উত্তরের জন্য, দেখুন, উদাহরণের জন্য, “The Story of Movements and The Spread of The Gospel,” “A Still Thriving Middle-aged Movement” and “How Movements Count৷”

 

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

আল্লাহ কিভাবে হাইতির কোন জায়গার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন

আল্লাহ কিভাবে হাইতির কোন জায়গার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন

লিখেছেন জেফটে মার্সেলি –

আমি হাইতির নো প্লেস লেফট হাইতির দাসদের একজন। আমাদের দর্শন বিশ্বস্তভাবে যীশুকে মেনে চলা, যারা শিষ্য বানায়, গির্জা রোপণ করে, এবং ধর্মপ্রচারকদের একত্রিত করে যতক্ষণ না কোন জায়গা অবশিষ্ট না থাকে। আমরা ফাঁকা মাঠে প্রবেশ করে, যারা শুনবে তাদের সাথে সুসমাচার ভাগ করে, যারা সাড়া দেবে তাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করা, নতুন গির্জায় পরিণত করা, এবং তাদের ভেতর থেকে নেতাদের উত্থাপন করে এই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি করা। হাইতির প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন স্থানে এই ঘটনা ঘটছে। যখন এই গির্জাগুলো বাড়িতে, গাছের তলায় এবং সর্বত্র জড়ো হয়, আমরা দেখতে পাচ্ছি নতুন নেতা এবং দলকে ফসল থেকে তুলে আনা হচ্ছে।

এর একটা বড় উদাহরণ হল আমাদের দলের অন্যতম নেতা যিহোশূয় জর্জ। তিনি দক্ষিণ-পূর্ব হাইতিতে অবস্থিত একটি এলাকা গানথিয়ারে কোন জায়গার জন্য পরিশ্রম করছেন। সম্প্রতি, তিনি তার টিমোথি, উইসকেনসলি এবং রেনাল্ডো, আনসে-এ-পিরেস নামে একটি এলাকায় পাঠান। লুক ১০ এর উদাহরণ অনুসরণ করে তারা কোন অতিরিক্ত ব্যবস্থা না নিয়ে চলে যায় এবং শান্তির ঘর অনুসন্ধান করে। তাঁরা এসে তৎক্ষণাৎ সুসমাচারের ঘর-বাড়ী ভাগাভাগি করতে লাগলেন এবং সদাপ্রভুর কাছে তাদের ঈশ্বরের কাছে নিয়ে যেতে চাইলেন। কয়েক ঘন্টা পর তারা ক্যালিক্সটে নামের রাস্তায় একজনের সাথে দেখা করে। যখন তারা যীশুর মধ্যে পাওয়া আশার কথা তাঁর সংগে ভাগ করে নিলেন, তখন তিনি সুখবর পেলেন এবং যীশুকে জীবন দিলেন।

উইসকেনসলি এবং রেনাল্ডো ক্যালিক্সটেকে জিজ্ঞেস করেন তিনি কোথায় থাকেন এবং তিনি তাদের তার বাড়িতে নিয়ে যান। তাঁরা ঘরে ঢুকে যীশুকে তাঁর পুরো পরিবারের সংগে ভাগ করে নিলেন এবং তাঁরা সবাই সেই দিন যীশুকে অনুসরণ করতে লাগলেন। এই দুই রাষ্ট্রদূত পরবর্তী চার দিন এই পরিবারের সাথে কাটান, তাদের প্রশিক্ষণ দেন এবং তাদের প্রতিবেশীদের সাথে ভাগ াভাগি করার জন্য ফসল ের বাইরে নিয়ে যান। এই চার দিনে ৭৩ জন লোক ঘুরে যীশুকে বিশ্বাস করে, তাদের মধ্যে ৫০ জনকে বাপ্তিস্ম দেওয়া হয় এবং তারা ক্যালিক্সের বাড়িতে একটি নতুন গির্জা গঠন করে। উইসকেনসলি এবং রেনাল্ডো সহজ, বাইবেল, পুনরুৎপাদনযোগ্য সরঞ্জাম মধ্যে কয়েকজন উদীয়মান নেতাকে প্রশিক্ষণ দিতে ফিরে যেতে থাকেন। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, এই নতুন গির্জা ইতোমধ্যে আরও দুটি গির্জায় পরিণত হয়েছে! যীশুর প্রশংসা করো!

আমার লোকেরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে শারীরিক ও আধ্যাত্মিকভাবে অত্যাচারিত হয়েছে। হাইতি মানুষকে বলে, “যতক্ষণ না তোমার জীবন পরিষ্কার হচ্ছে ততক্ষণ তুমি যীশুকে অনুসরণ করতে পারবে না। তারা বলে, “বাইবেল পড়ো না, কারণ তোমরা তা বুঝতে পারবে না। যীশু বলছেন, “আমার অনুসরণ কর এবং আমি তোমাদের মানুষের মাছ বানাব। এখন আমরা যীশুর কথা শুনছি। হাইতির নাগরিকরা গ্রেসের সুসমাচারে স্বাধীনতা খুঁজছে। যখন আমরা সুসমাচার ের এবং কর্মগ্রন্থে আমাদের দেওয়া যীশুর রাজ্য কৌশল অনুসরণ করি, তখন ফসলের প্রভু মহান কাজ করছেন। আমরা সত্যিই ঈশ্বরের আত্মার একটি আন্দোলন অনুভব করছি। হাজার হাজার হাইতিবাসী খ্রীষ্টের রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাদের পরিচয় গ্রহণ করছে এবং হাজার হাজার নতুন যীশু সমাবেশ গঠিত হচ্ছে। আমরা আমাদের নিজেদের রাজ্য গড়ে তুলতে চাই না, বরং ঈশ্বরের রাজ্য কেড়ে নিতে চাই। আর তিনি এটা গুণ করছেন!

আমরা ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আন্দোলন নীতি বাস্তবায়ন শুরু করি। আমরা এখন চতুর্থ প্রজন্মের গির্জার (এবং আরো) সাতটি ধারা ট্র্যাক করছি যা ৩,০০০ এর ও বেশী নতুন গির্জা এবং ২০,০০০ বাপ্তিস্মের প্রতিনিধিত্ব করছে।

জেফতে মার্সেলিন হাইতির বাসিন্দা। তিনি এমন কোন জায়গা দেখতে পাননি যেখানে সুসমাচার এখনো জানা যায়নি। 22 বছর বয়সে, জেফটে একটি আন্দোলন অনুঘটক হিসেবে তার জীবনের জন্য ঈশ্বরের পরিকল্পনা অনুসরণ করার জন্য একজন চিকিৎসক হিসেবে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রত্যাখ্যান করেন।

এটি মিশন ফ্রন্টিয়ার্স, www.missionfrontiers.org, www.missionfrontiers.orgপৃষ্ঠা ২১-২২ এর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সংখ্যায় প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ থেকে, এবং ২৪:১৪বইয়ের ১৩৩-১৩৫ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে- সকল মানুষের সাক্ষ্য, যা ২৪:১৪ বা আমাজনথেকে পাওয়া যাবে।

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

কিছু ভুল ধারণা ব্যাখ্যা করা – পর্ব ১

কিছু ভুল ধারণা ব্যাখ্যা করা – পর্ব ১

– টিম মার্টিন এবং স্ট্যান পার্কস –

1. 24:14? আপনি কে?

আমরা একই ধরনের ব্যক্তি, অনুশীলনকারী এবং সংগঠনের একটি জোট যারা একটি দর্শনের প্রতি অঙ্গীকার বদ্ধ: প্রতিটি অপ্রাপ্ত মানুষ এবং স্থানে আন্দোলন দেখা। আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি অপৌঁছানো মানুষ এবং স্থানে কার্যকর রাজ্য আন্দোলন। আমরা চারটি মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে এটা করি:

  1. মথি ২৪:১৪ এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে পৌঁছানো — রাজ্যের সুসমাচার প্রতিটি অপৌছানো মানুষ এবং স্থানের কাছে নিয়ে আসা।
  2. চার্চ রোপণ আন্দোলনের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা, শিষ্য, গির্জা, নেতা এবং আন্দোলনের সাথে জড়িত।
  3. ২০২৫ সালের শেষনাগাদ প্রতিটি অ-পৌঁছানো মানুষকে এবং একটি আন্দোলন কৌশলের সাথে যুক্ত করার জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতা অনুভব করা।
  4. অন্যদের সহযোগিতায় এই কাজগুলো করা।

2. আপনি কেন 24:14 নাম ব্যবহার করেন?

ম্যাথু 24:14 এই উদ্যোগের জন্য কর্নারস্টোন গঠন করেন। যীশু প্রতিজ্ঞা করেছিলেন: “রাজ্যের এই সুসমাচার সকল জাতির সাক্ষ্য হিসেবে সারা বিশ্বে প্রচারকরাহবে, এবং তারপর এর পরি সমাপ্তি ঘটবে”। আমাদের ফোকাস হচ্ছে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কাছে সুসমাচার পাঠানো। আমরা সেই প্রজন্মের মধ্যে থাকতে চাই যা যীশু শুরু করেছেন এবং আমাদের আগে বিশ্বস্ত কর্মীরা তাদের জীবন দিয়েছেন। আমরা জানি যে যীশু ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করছেন যতক্ষণ না প্রত্যেক লোক সুসমাচারে সাড়া দেয় এবং তাঁর বধূর অংশ হয়ে ওঠে।

3. আপনি কি 2025 সাল কে নির্ধারণ করছেন যে বছর সব জাতির কাছে পৌঁছানো হবে?

না, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে 31 ডিসেম্বর, 2025 সালের মধ্যে প্রতিটি সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও স্থানকে একটি কার্যকারী রাজ্য আন্দোলন কৌশলের সাথে যুক্ত করা। এর মানে হচ্ছে যে আন্দোলন কৌশলে সজ্জিত একটি দল (স্থানীয় বা বিদেশী বা সমন্বয়) প্রতিটি সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং স্থানে অবস্থিত থাকবে। আমরা কোন দাবি করি না কখন মহান কমিশনের কাজ শেষহবে । এটা ঈশ্বরের দায়িত্ব। তিনি আন্দোলনের ফলপ্রসূতা নির্ধারণ করেন।

4. এটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এত তাড়াহুড়ো কেন?

যীশুর মহান কমিশনের কথা বলার পর 2000 বছর অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। ২ পিটার ৩:১২ আমাদের বলেছেন “তার প্রত্যাবর্তনের দিন ত্বরান্বিত করতে”। গীতসংহিতা 90:12 আমাদের দিন গুনতে করতে বলে। 24:14 -এর প্রতিষ্ঠাতাদের একটি দল প্রভুর জন্য অপেক্ষা করে এবং জিজ্ঞেস করে যে আমাদের কোন সময়সীমা নির্ধারণ করা উচিত কি না। আমরা তাঁকে আমাদের সেই বলার দ্বারা অনুভব করেছিলাম যে একটি জরুরী সময়সীমা নির্ধারণ করে, আমরা আরও বিচক্ষণভাবে আমাদের সময়ের ব্যবহার করতে পারি এবং দর্শন পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ত্যাগ স্বীকার করতে পারি।

5. আপনি কি আপনার কৌশলের চারপাশে সারিবদ্ধভাবে সমস্ত মিশন সংস্থাগুলি পেতে চেষ্টা করছেন?

না, আমরা উপলব্ধি করেছি যে ঈশ্বর অনেক মণ্ডলী, মিশন সংস্থা এবং নেটওয়ার্কগুলিকে বিশেষ সেবাকার্যের জন্য ডেকেছেন। 24:14 জোট মানুষ এবং সংগঠন নিয়ে গঠিত যা অনুঘটক আন্দোলনের উপর মনোযোগ প্রদান করে। কেউ কেউ ইতিমধ্যে ইহা করিয়াছেন এবং ইহা করিতেছেন; অন্যরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছে। বিভিন্ন সংগঠন এবং কর্মীদের অনন্য পদ্ধতি এবং সরঞ্জাম আছে কিন্তু আমরা সবাই একই সিপিএম স্বতন্ত্র অনেক শেয়ার করি। এই কৌশল গুলি আধুনিক প্রেক্ষাপটে শিষ্য তৈরি এবং চার্চ গঠনের প্যাটার্ন প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে আমরা সুসমাচার এবং কাজের বইয়ে দেখি।

6. গ্রেট কমিশন সমাপ্ত করার জন্য ব্যক্তিদের সহযোগিতা করার অন্যান্য প্রচেষ্টা হয়েছে। 24:14-এর বিষয়ে পার্থক্য কি?

24:14 এই অন্যান্য উত্তম উদ্যোগের উপর গড়ে উঠেছে। পূর্ববর্তী কিছু বিশ্বব্যাপী মণ্ডলীকে কিছু মাইলফলকের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে (যেমন জনগোষ্ঠীকে দত্তক নেওয়া)। ২৪. ১৪ ই এ লক্ষ্য হচ্ছে অন্যরা যা শুরু করেছে তা শেষ করা। এই আন্দোলন গুলো টেকসই উপায়ে সমগ্র জনগণের দল এবং স্থানে পৌঁছাতে পারে। ২৪:১৪ জোটের অংশীদার যেমন ইথনে, ফিনিশিং দ্যা টাস্ক, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স অন চার্চ প্ল্যান্টিং গুণ (জিএসিএক্স) এবং গ্লোবাল চার্চ প্ল্যান্টিং নেটওয়ার্ক (জিসিপিএন)। 24:14 চার্চ রোপণ আন্দোলনের নেতাদের নেতৃত্বে অনন্য। এবং আন্দোলনের অভিজ্ঞতা (বিশেষ করে অপ্রাপ্তদের মধ্যে) সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে অনেক উন্নত “সর্বোত্তম অনুশীলন” হয়েছে।

7. “চার্চ রোপণ আন্দোলন” কি?

একটি চার্চ রোপণ আন্দোলন (সিপিএম) শিষ্য এবং উন্নয়নশীল নেতা উন্নয়নশীল শিষ্যদের গুণ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এর ফলে আদিবাসী গির্জাগুলো গির্জা রোপণ করে। এই গির্জাগুলি একটি পিপল গ্রুপ বা জনসংখ্যা বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই নতুন শিষ্য এবং গির্জা তাদের সম্প্রদায়কে রূপান্তরিত করতে শুরু করে যেহেতু খ্রীষ্টের নতুন শরীর রাজ্যের মূল্যবোধের বাইরে বাস করে।

যখন গির্জাগুলি একাধিক স্রোতে চার প্রজন্মের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে প্রজনন করে, প্রক্রিয়াটি একটি টেকসই আন্দোলনে পরিণত হয়। শুরু হতে অনেক বছর লাগতে পারে। কিন্তু একবার প্রথম গির্জা শুরু হলে, আমরা সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে চার প্রজন্মের কাছে একটি আন্দোলন দেখতে পাই। অতিরিক্ত, এই আন্দোলন গুলি প্রায়ই নতুন আন্দোলন পুনরুৎপাদন করে। আরও বেশি করে, সিপিএম অন্যান্য ব্যক্তিদের গ্রুপ এবং জনসংখ্যা বিভাগের মধ্যে নতুন সিপিএম চালু করছে।

8. চার্চের সংজ্ঞা কি?

২: ৩৬-৪৭।

সারা বিশ্বে বিভিন্ন সংজ্ঞা আছে। তা সত্ত্বেও এই আন্দোলনের অধিকাংশই চার্চের সংজ্ঞায় মূল উপাদানের ব্যাপারে একমত হবে। এগুলো অ্যাক্ট ২ এর প্রথম গির্জার বর্ণনায় পাওয়া যায়। বস্তুত, অনেক আন্দোলন শিষ্যদের একটি সদ্য বাপ্তিস্ম প্রাপ্ত দলকে অ্যাক্ট ২ অধ্যয়নের নেতৃত্ব দেয়। তারপর তারা প্রার্থনা করতে শুরু করে এবং কিভাবে তারা এই ধরনের গির্জা হতে পারে তা বের করতে শুরু করে। আমরা আপনাকে আপনার নিজের চার্চের সাথে এই ব্যায়াম করতে উৎসাহিত করছি।

এই গির্জাগুলো নিউ টেস্টামেন্ট থেকে গির্জা হওয়ার আরো অনেক দিক অধ্যয়ন এবং প্রয়োগ করে। আমরা আপনাকে চার্চের সংজ্ঞা দিতে উৎসাহিত করছি, নিউ টেস্টামেন্টের চেয়ে কম নয়।

দ্বিতীয় পর্বে আমরা ঘন ঘন ভুল ধারণা সম্পর্কিত পাঁচটি অতিরিক্ত প্রশ্নের উত্তর দেব।

আন্তর্জাতিক তেল এবং গ্যাস একটি কর্মজীবন যেখানে টিম আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান এবং উন্নয়ন ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, 2006 সালে তিনি টেক্সাসের স্প্রিং এর উডসএজ কমিউনিটি চার্চে প্রথম মিশন যাজক হন। ২০১৮ সালে তার ভূমিকা আরো মনোযোগী হয়ে ওঠে যখন তিনি “শিষ্য-আন্দোলনের যাজক” হয়ে ওঠেন। টিম বেশ কয়েক বছর ধরে বাইবেল আন্দোলনে ছাত্র এবং প্রশিক্ষক এবং ম্যাথিউ 24:14 পূরণ দেখার একটি আবেগ আছে।

স্ট্যান পার্কস পিএইচডি ২৪:১৪ কোয়ালিশন (ফেসিলিটেশন টিম), বিয়ন্ড (ভিপি গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিস) এবং এথনে (লিডারশিপ টিম) পরিবেশন করে। তিনি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সিইভিএম জন্য একটি প্রশিক্ষক এবং কোচ এবং 1994 সাল থেকে অপৌঁছানো মধ্যে বসবাস এবং সেবা করেছেন।

মিশন ফ্রন্টিয়ার্স, www.missionfrontiers.org,পৃষ্ঠা ৩৮-৪০ সংখ্যায় প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ থেকে সম্পাদিত, এবং বইয়ের ৩২৩-৩২৬ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে- সকল মানুষের সাক্ষ্য, যা ২৪:১৪ অথবা আমাজনথেকে পাওয়া যাবে।

মোরাভিয়ান, আন্দোলন এবং মিশন: ২০২১ সালের জন্য একটি পাঠ

মোরাভিয়ান, আন্দোলন এবং মিশন: ২০২১ সালের জন্য একটি পাঠ

– স্ট্যান পার্কস দ্বারা একটি দীর্ঘ নিবন্ধ থেকে অভিযোজিত –

শিষ্যআন্দোলনের মধ্যে একটি অক্ষীয় বক্তব্য আছে: “ঈশ্বরের প্রতিটি আন্দোলন প্রার্থনার আগে হয়েছে।
২০২০ সালের দিকে তাকিয়ে ২০২১ সালের দিকে তাকিয়ে ২৪:১৪ স্ট্র্যাটেজি টিম জানুয়ারিকে প্রার্থনা এবং রোজার মাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আমরা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি প্রতিটি অ-পৌঁছানো মানুষের দলকে দেখার জন্য, প্রতিটি বৈশ্বিক স্থানে, যারা শিষ্য এবং গির্জাকে গুণ করে। একটি স্থায়ী প্রার্থনা আন্দোলন ছাড়া ঈশ্বরের এই পদক্ষেপ অনুষ্ঠিত হবে   না। যেহেতু আমরা ২০২১ সালের পরিকল্পনা করছি, আসুন আমরা আমাদের সময় এবং নিজেদের কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ের জন্য সময় দেওয়ার পরিকল্পনা করি।

এবং আসুন আমরা বিবেচনা করি   কিভাবে একে অপরকে ভালোবাসা এবং ভাল কাজের জন্য উত্তেজিত করা যায়, একসাথে দেখা করতে অবহেলা না করা, যেমন কারো কারো অভ্যাস, কিন্তু একে অপরকে উৎসাহিত করা, এবং যত   বেশি আপনি দিন আসন্ন হতে   দেখবেন। – হিব্রু 10:24-25

১৭২৭ সালের ১৩ই আগস্ট জার্মানির স্যাক্সনিতে হার্নহাটে (“লর্ডস ওয়াচ”) মোরাভিয়ানদের একটি শরণার্থী সম্প্রদায় এবং তাদের লুথেরান রক্ষকদের উপর পবিত্র আত্মা ঢেলে দেওয়া হয়। যখন তারা একটি কমিউনিকেশন সার্ভিস উদযাপন করল, তখন তারা একটি শক্তিশালী “পেন্টেকোস্ট” অনুভব করল। এই ঘটনা সম্প্রদায়কে আমূল বদলে দিয়েছে এবং প্রার্থনা এবং মিশনের শিখা জ্বালিয়ে দিয়েছে যা আগামী কয়েক দশক ধরে পুড়ে যাবে।

এটি মোরাভিয়ানদের একটি রাউন্ড দ্য ক্লক “প্রার্থনা ঘড়ি” এর প্রতি অঙ্গীকারের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত করে, যা ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকে। ২৬ শে আগস্ট তারিখে ২৪ জন পুরুষ এবং ২৪ জন নারী একসাথে এক ঘণ্টা, দিনরাত এক ঘণ্টার বিরতিতে নামাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন। লেভিটিকাস ৬:১৩ এর উপর ভিত্তি করে, “পবিত্র আগুন কখনই বেদীর উপর দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি”, তারা অনুভব করে যে তাদের সুপারিশ কখনই বন্ধ করা উচিত নয়।

প্রার্থনার চেতনা শুধু সমাজের প্রাপ্তবয়স্কদেরই স্পর্শ করেনি, শিশুদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। পিতামাতা এবং সম্প্রদায়ের অন্যান্য সদস্যরা শিশুদের পুনরুজ্জীবন এবং মিশনের জন্য প্রার্থনায় গভীরভাবে আপ্লুত।

সেই সময় থেকে মোরাভিয়ানরা পুনরুজ্জীবন এবং সুসমাচারের মিশনারি সম্প্রসারণের জন্য ক্রমাগত প্রার্থনা করতেন। তাদের পুনরুজ্জীবনের জন্য প্রার্থনা মহান জাগরণে একটি উত্তর     দেখেছে- একটি ইভাঞ্জেলিক এবং   পুনরুজ্জীবন আন্দোলন যা       ১৭৩০ এবং ১৭৪০-এর দশকে প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপ এবং আমেরিকান উপনিবেশে ছড়িয়ে   পড়েছিল। ১ তাদের প্রার্থনা বিশ্বের অন্যতম সেরা মিশনারি আন্দোলনের অনুঘটক হয়ে ওঠে।

যখন তারা প্রার্থনা করতে থাকল এবং ঈশ্বরের কাছে আরও কিছু প্রার্থনা করছিল, তখন পবিত্র আত্মা তাদের কাজে লাগাতে বেশি সময় নেয়নি। তারা শীঘ্রই ভেড়ার রাজ্য পৃথিবীর শেষ প্রান্তে ছড়িয়ে দেবার আহ্বান অনুভব করল। মিশনে আহ্বান অনুভব করে ভাইয়েরা তাদের প্রথম দুই মিশনারিকে সেন্ট থমাস দ্বীপে পাঠান: ডেভিড নিৎসম্যান এবং লিওনহার্ড ডোবার। এই যুবকেরা অবিশ্বাস্য নিষ্ঠা দেখিয়েছে। সেন্ট থমাসে ক্রীতদাসদের আত্মা জয় করতে, তারা নিজেদের দাসত্বে বিক্রি করার চেষ্টা করে। এটা বৈধ ছিল না কারণ তারা সাদা ছিল, কিন্তু অবশেষে তারা ক্রীতদাসদের জানার একটি উপায় খুঁজে পায়। এই মিশনারিরা কিছু খারাপ পরিস্থিতিতে মন্ত্রী করেছে যা আপনি কল্পনাও করতে পারেননি। 3

এই নির্যাতিত মোরাভিয়ান দলের নেতা এবং রক্ষক ছিলেন কাউন্ট নিকোলাস লুডভিগ ফন জিনজেনডর্ফ। তিনি বলেন: “আমার একটাই আবেগ আছে: তিনিই একমাত্র তিনিই। জগৎ ক্ষেত্র এবং ক্ষেত্র জগৎ; আর তারপর সেই দেশ হবে আমার বাড়ি যেখানে আমি খ্রীষ্টের জন্য আত্মা জিততে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করতে পারি। 4

১৭৬০ সালে জিনজেনডর্ফ মারা যাওয়ার পর, আঠাশ বছর ক্রস-কালচারাল মিশনের পর, ৩০০ মোরাভিয়ানের মূল ব্যান্ড ২২৬ জন মিশনারিকে পাঠিয়েছিল এবং দশটি ভিন্ন দেশে প্রবেশ করেছিল। ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সমগ্র প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলনের চেয়ে এটা অনেক বেশি মিশনারি। মোরাভিয়ানজন ওয়েসলি এবং উইলিয়াম ক্যারি উপর একটি মহান প্রভাব ছিল। অনেক উপায়ে তারা আধুনিক মিশন আন্দোলনের জন্ম দেয় যা খ্রীষ্টের দেহ প্রধানত ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার একটি এনক্লেভ থেকে একটি সত্যিকারের বৈশ্বিক শরীরে পরিণত হতে দেখেছে।

১ টমাস এস কিড, দ্য গ্রেট জাগরণ: ঔপনিবেশিক আমেরিকায় ইভাঞ্জেলিক্যাল খ্রিস্টান ধর্মের শিকড় (২০০৯)
2 ফুটনোট #1 ব্যতিক্রম, নথিতে এই অবস্থানের উপরের সকল উপাদান অভিযোজিত বা উদ্ধৃত করা হয়
সরাসরি নিম্নলিখিত নিবন্ধ থেকে: http://gcdiscipleship.com/2013/01/16/into-all-the-world-count-zinzendorf-
এবং-মোরাভিয়ান-মিশনারি-মুভমেন্ট/
৩ http://www.ephrataministries.org/remnant-2012-01-Moravian-mission-machine.a5w
4 http://www.thetravelingteam.org/articles/count-zinzendorf

Categories
কেস স্টাডি

আন্দোলনগুলির কোভিড-১৯-এর প্রতি প্রতিক্রিয়া – ভাগ ২

আন্দোলনগুলির কোভিড-১৯-এর প্রতি প্রতিক্রিয়া – ভাগ ২

– ডেভ কোল্স দ্বারা সংকলিত –

মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনের ঈশ্বরের সন্তানেরা এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ঈশ্বরের রাজ্যকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার জন্য পথগুলি খুঁজে পেয়ে মহামারীর প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায়৷ এগুলিতে  প্রভু যেভাবে কার্য করেছেন তার কিছু সাম্প্রতিক সাক্ষ্যগ্রহণ৷

একজন নেতার প্রতিবেদনঃ “সম্প্রতি আমাদের দল ১১টি মুসলমান পরিবারকে পায় যারা খাদ্যবিহীন জীবনযাপন করছিল৷ যখন আমাদের দল তাদের খাবারের থলি পৌঁছে দেয় তারা খুব অবাক হয়েছিল৷ খাবার নেওয়ার পর, এক ব্যক্তি বললেন, ‘আপনারা মানুষ না স্বর্গদূত যাদের আমাদের কাছে পাঠান হয়েছে? বিগত তিন দিন থেকে আমাদের কাছে কোনো খাবার ছিল না৷ আমরা ক্ষুধার্ত ছিলাম ও কেউ আমাদের সাহায্য করতে আসে নি৷’ পরে, যেমন সম্পর্ক গভীর হতে থাকে, আমরা তাদের সুসমাচার প্রচার করতে ও প্রভু যীশুর প্রেমের কথা বলতে শুরু করি৷ এখন ৬টি পরিবার শিষ্যত্বের প্রক্রিয়ায় আছে, এবং আমরা আশা করি খুব শীঘ্রই তারা প্রভুকে গ্রহন করবে৷” 

দক্ষিণপূর্ব এশিয়া থেকেঃ “বোঁচকা করা খাদ্য বিতরণের পূর্বে, আমরা প্রার্থনা করি, যাতে বোঁচকা করা খাবার গ্রহণকারী উচিৎ ব্যক্তিদের প্রভু আমাদের দেখান৷ আত্মিক ফলের [এর থেকে ঈশ্বর নিয়ে এসেছেন] নানান সাক্ষ্যগুলি আমরা গ্রহণ করি৷ উদাহরনস্বরুপ, মহাশয় ডি. একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান ছিলেন, কিন্তু যখন থেকে আমরা তাদের পরিচর্য্যা করছিলাম, তিনি সুসমাচারের বার্তা শুনার জন্য নিজের হৃদয় খুলে দেন৷ যখন আমার স্ত্রী তাদের পরিস্থিতির বর্ণনা করা একটি ওয়াট্সাপ বার্তা পড়েন, তৎক্ষনাৎ তিনি মহাশয় ডি. কে সম্পর্ক করলেন এবং তাকে আমাদের বাড়িতে ডাকলেন৷ পরের দিন তিনি আমাদের বাড়িতে আসলেন এবং তার পরিস্থিতি বলতে শুরু করলেন৷ তিন সপ্তাহ থেকে, তার কাজ থেকে তাকে কোনো ডাক আসেনি৷ ইতিমধ্যেই তিনি অর্থনৈতিক কষ্টের অভিজ্ঞতালাভ করছিলেন, এমনকি তার সন্তানের জন্য দুধ কিনতে পারছিলেন না৷ যখন আমরা বোঁচকা করা খাবার তার হাতে দেই (দুধ ও তার সন্তানের জন্য ভিটামিন), তিনি অনেক স্পর্শকাতর হয়েছিলেন, এবং আমাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে কেঁদে ফেলেছিলেন৷ সেই মিথস্ক্রিয়া চলাকালীন, আমার স্ত্রী ও আমি তাকে সুসমাচারের বার্তা শোনাই এবং তাকে বলি, যে আশির্বাদ তিনি গ্রহণ করেছেন তা ইশা-অল-মসীহ (যীশু খ্রীষ্ট) থেকে এসেছে৷ কিছু সময় পরে, মহাশয় ডি. আরো উন্মুক্ত হয়ে ওঠেন এবং প্রভু যীশুতে তার বিশ্বাস রাখতে ইচ্ছুক হন৷ আমরা তাকে প্রার্থনায় নেতৃত্ব দেই, এবং এখন তিনি আমাদের অনুপ্রেরিতদের মধ্যে একজন৷”

আফ্রিকা থেকেঃ “আমরা আগামী মাসে ২,০০০ (কেন্দ্রীভূত গোষ্ঠী) পরিবারকে (২,০০০ পরিবার = ১২,০০০ ব্যক্তি) খাদ্য বিতরণ করতে চাই৷ ইতিমধ্যেই আমরা সেই গোষ্ঠীর ৫০০টি মুসলমান পৃষ্ঠভুমির অন্তর্গত বিশ্বাসী পরিবারকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি, যারা তাদের মধ্যের ১,৫০০টি পরিবারে গিয়ে তাদের খাদ্য পৌঁছে দিতে পারে এবং তাদের সুসমাচার প্রচারও করতে পারে৷”

পশ্চিম এশিয়া থেকেঃ “খাদ্য ও সরবরাহ প্রাপ্ত পরিবারগুলি গভীর কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন৷ এমনকি একটি পরিবার এমন জিজ্ঞেস করেছিল যে তারা যা গ্রহণ করেছে তা যদি অন্যদের শোনাতে পারবে কিনা৷ তারা অন্যদেরও উল্লেখ করেন যারা সত্যিই অভাবগ্রস্থ, তাদের খাদ্য সরবরাহকারী এই বিশ্বাসীদের প্রয়োজন আছে যেন তারাও সাহায্যপ্রাপ্ত হয়৷ অন্যদের চাহিদা বিবেচনা করার জন্য তাদের যন্ত্রণার প্রতি তাদের চক্ষু বন্ধ হয়ে যাচ্ছে৷ যেই বিশ্বাসীরা খাদ্য বিতরণ করে তাদের পরিবারগুলিকে বলতে হবে যে, জীবিত ঈশ্বর, যিনি তাদের রোদন শুনেছেন, তিনি সমস্ত প্রবন্ধের স্রোত৷ তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন ব্যক্তিদের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে শুরু করেছে যারা খাদ্য গ্রহন করেছে ও তাদের সাথে অনুপ্রেরিতের যোজনা করছেন যারা ঈশ্বরকে জানতে ইচ্ছা প্রকট করেছে৷ তাদের বিশ্বাস ও যারা এই কার্যগুলির বিষয়ে শুনেছেন তাদের বিশ্বাস ব্যাপকভাবে শক্তিশালী হয়েছে৷ তারা দরিদ্রদের প্রতি তাদের সমবেদনার বৃদ্ধি করেছে এবং শারীরিক চাহিদাপুরণের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য দলের অন্যদের সাথে কার করতে শিখেছে৷”

মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, এবং পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য স্থানগুলি থেকে (যেখানের আমরা সুরক্ষার কারণে, এলাকা ও নির্দিষ্ট বর্ণনা দিতে পারি না), আমরা বিভিন্ন পরিষেবাগুলিতে ভয়ানক প্রতিক্রিয়া দেখেছি৷ কিছু স্থানগুলিতে, যেখানে পান করার বা ধোয়ার জন্য জলের প্রবেশাধিকার নেই বিশ্বাসীরা সেখানে জল দিয়েছে৷ কিছু এলাকায়, স্বাস্থ্যকর ব্যবস্থার উৎকর্ষ সাধনের যোগানের সরবরাহ (মুখোশ, সাবান, এন্টিসেপটিক, ইত্যাদি৷) করা হয়েছে সেই সমস্থ দুস্থ লোকেদের সাহায্যের জন্য যাদের খাবার কিংবা মুখোশের মধ্যে বাছাই করে নিতে হয়৷ একটি গ্রামে, ঈশ্বর একটি ছোট সমূহকে নেতৃত্ব করেছিলেন বিশেষত কোভিড-১৯-এ মৃত কিছু লোকেদের কবর দেওয়ার জন্য, যাদের পরিবার ও গ্রামবাসীরা সংক্রমণের ভয়ে তাদের কবর দিতে দিয়ে অস্বীকার করেছিল৷ সেই সমূহ জানত যে এটি একটি স্বাস্থ্যকর বিপদ, কিন্তু ঈশ্বর বিশেষরূপে এই কার্যটি করতে বলেছিলেন, প্রত্যাখ্যান ও ভয় সত্বেও৷ ফলস্বরূপ, তাদের পরিবারের অনেকেই তাদের এই কাজটি করার কারণ জানতে চেয়েছেন, যার ফলে একটি প্রচুর সংখ্যায় লোকেরা বিশ্বাসে আসে৷

যখন আমরা এই স্থানগুলিতে ঈশ্বরের কার্যের জন্য তাঁর প্রশংসা করছি, আমরা লক্ষ্য করি যে অনেক স্থানগুলিতে ভয়ানক সমস্যা রয়ে গেছে৷ প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলির মধ্যে রয়েছে সম্পদের অভাব, ভয় (কিছু এলাকায় লোকেদের সাথে কথা বলাও প্রায় দুঃসাধ্য করেছে), সরকারী বাধা, এবং বাহ্যিক সাহায্যগ্রহনের অসুবিধা৷

যাইহোক, উপরুক্ত গল্পগুলিতে যেমন দেখা যায়, ঈশ্বর আন্দোলনগুলিতে তাঁর সন্তানদের মধ্যে ও দ্বারা কাজ করছেন, যাদের অনেক প্রয়োজন আছে তাদের যোগানের এবং আশীর্বাদের জন্য৷ অনেকসময়, তাদের নিজস্ব বস্তুগত দারিদ্রতা ও আত্মীক ধনসম্পদের উর্দ্ধে, তারা অন্যদের দান করে, যীশু খ্রীষ্টের গৌরব এবং তাঁর রাজ্যের অগ্রগতির জন্য৷ এইভাবে তারা ২য় করিন্থীয় ৮:১-৫ পদে বর্ণিত মাকিদনিয়া দেশস্থ বিশ্বাসীর সক্রিয় বিশ্বাসের নকল করেন৷ ঈশ্বরের গৌরবে অন্যদের স্পর্শের জন্য, তাদের দারিদ্রতা উদারতায় পরিণত হয়৷ 

Categories
কোর ভিশন

২৪:১৪ দর্শন

২৪:১৪ দর্শন

– স্ট্যান পার্কস দ্বারা লিখিত-

মথি ২৪:১৪-পদে, যীশুর এই প্রতিশ্রুতি: “আর সর্বজাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে ৷”

২৪:১৪ দর্শন হলো পৃথিবীতে আমাদের প্রজন্মের প্রত্যেকটি সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে সুসমাচার প্রচার করা ৷ যীশু খ্রীষ্ট যেই কার্যটি শুরু করেছিলেন এবং আমাদের পূর্বের অন্যান্য বিশ্বাসযোগ্য কর্মীরাও যেই কার্যের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আমরা সেই প্রজন্ম হতে চাই যারা কার্যটি সম্পূর্ণ করবে ৷ আমরা জানি যে যীশু খ্রীষ্ট ততক্ষণ তাঁর পুনরাগমণের অপেক্ষায় রয়েছেন যতক্ষণ না প্রত্যেকটি সম্প্রদায়ের মানুষেরা সুসমাচারের প্রতি সাড়া দেওয়ার সুযোগ পায় ও তাঁর নববধু হবার অংশীদার হয় ৷

প্রত্যেক সম্প্রদায়ের লোকদের মণ্ডলী আরম্ভ করার এই সুযোগটি দেওয়ার উত্তম উপায় এবং তাদের সম্প্রদায়ের বহুগুণে বৃদ্ধি পাওয়াকে আমরা স্বীকৃতি দিয়ে থাকি ৷ প্রত্যেকের সুসমাচার শোনার জন্য এটি একটি উত্তম আশা হয়ে ওঠে, যেমন শিষ্যেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এই মণ্ডলীগুলির সম্ভাব্য সকলের সাথে সুসমাচার প্রচার করার জন্য অনুপ্রাণিত হয়েছিল ৷

এই সমস্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ মণ্ডলীগুলিই হতে পারে, যাকে আমরা বলি এক মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলন বা চার্চ প্লান্টিং মুভমেন্ট বা সিপিএম ৷ একটি সিপিএম-এর সংজ্ঞা হচ্ছে শিষ্যদের শিষ্য নির্মাণ ও নেতাদের উন্নয়নশীল নেতা গড়ে তোলার সংখ্যাবৃদ্ধি, ফলস্বরূপ স্থানীয় মণ্ডলীদের মণ্ডলীস্থাপণ যা কোনো জনগোষ্ঠী বা জনসংখ্যা বিভাগের দ্বারা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে ৷

২৪:১৪-এর সন্ধি কোন প্রতিষ্ঠান নয় ৷ আমাদের সমাজটি হলো ব্যক্তিবর্গের, সমূহের, মণ্ডলীর, প্রতিষ্ঠানের, যোগাযোগের, এবং আন্দোলনের, যারা প্রত্যেক সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে ও স্থানে মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলন দেখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে ৷ আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সালের মধ্যে প্রত্যেক সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে ও স্থানে কার্যকারীরূপে সিপিএম-এর প্রবৃত্তি দেখা ৷

এর অর্থ হচ্ছে সেই তারিখের মধ্যে প্রত্যেক সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে ও অবস্থানের স্থানে আন্দোলনের কৌশলে সমৃদ্ধ একটি সমূহ (স্থানীয়, বহির্মুখী বা সংমিশ্রণ) তৈরী থাকা ৷ মহান আদেশের কার্য কবে সম্পূর্ণ হবে সে বিষয়ে আমরা কোন দাবি করছি না ৷ সেটা ঈশ্বরের দায়িত্ব ৷ তিনি আন্দোলনের ফল নির্ধারণ করবেন ৷

আমরা ২৪:১৪ দর্শনকে চারটি মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে অনুসরণ করিঃ

  1. ১. সুসমাচার অপ্রাপ্রদের কাছে পৌঁছানো, মথি ২৪:১৪ পদ অনুযায়ীঃ প্রত্যেক সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে ও স্থানে রাজ্যের সসামাচার পৌঁছে দেওয়া ৷

    ২. মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনের দ্বারা এটি সম্পাদন করা, বহুল বৃদ্ধিপ্রাপ্ত শিষ্য, মণ্ডলী, নেতা, এবং আন্দোলনের অন্তর্ভুক্তি ৷

    ৩. ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও স্থানকে আন্দোলনের কৌশলে যুক্ত করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কার্য করা ৷

    ৪. এই বিষয়গুলি অন্যান্যদের সঙ্গে সহযোগিতায় সম্পন্ন করা ৷

আমাদের দর্শন হলো আমাদের জীবদ্দশায় বিশ্বের সমগ্র সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে এক সাক্ষ্য হিসাবে রাজ্যের সুসমাচার ঘোষিত হতে প্রত্যক্ষ করা ৷ আমরা আপনাদের প্রত্যেক সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে ও স্থানে রাজ্য আন্দোলনের কার্য শুরু করার জন্য প্রার্থনা ও পরিচর্যায় যোগ দিতে আহ্বান করছি ৷

 

 

স্ট্যান পার্কস, পি এইচ ডিঃ ২৪:১৪ সন্ধির (সুবিধার্থী দল), বিয়ন্ড (ভাইস প্রেসিডেন্ট গ্লোবল স্ট্রাটেজিস), এবং এথনে (নেতৃত্বদানকারী দল) এর সাথে কার্য করেছেন । তিনি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সিপিএমের শিক্ষক ও প্রশিক্ষক এবং তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে সুসমাচার অপ্রাপ্তদের মধ্যে বসবাস ও তাদের সেবা করেছেন ৷

এই উপাদানটি ২৪:১৪ বই-এর ১৩৯-১৪৪, ১৪৭ পৃষ্ঠায় প্রথম উল্লেখিত হয় – সমস্ত লোকদের পক্ষে একটি সাক্ষ্য ২৪:১৪ থেকে বা অ্যামাজনএ উপলব্ধ ৷

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

মূল শব্দগুলির সংজ্ঞা

মূল শব্দগুলির সংজ্ঞা

– স্ট্যান পার্কস দ্বারা লিখিত-

ফলাফল ও প্রক্রিয়াঃ ১৯৯০ সালে যখন আধুনিক “রাজ্য আন্দোলন” আবির্ভাব হতে শুরু করে, তখন “মণ্ডলী স্থাপনের আন্দোলন” (সি.পি.এম.) উক্তিটি দৃশ্যমান ফলাফলগুলি ব্যাখ্যা করতে ব্যবহৃত হয়েছিল ৷ যীশু খ্রীষ্ট তাঁর মণ্ডলী স্থাপনের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, এবং এই সি.পি.এম.-রা সেটাই তাঁকে দুর্দান্ত উপায়ে করতে দেখিয়েছে ৷ তিনি তাঁর অনুসারীদের সেই ফলাফলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালনের দায়িত্বও অর্পণ করেছিলেনঃ সমগ্র জাতিকে শিষ্য করার জন্য ৷ আমাদের কাজ হচ্ছে যীশু খ্রীষ্টের মণ্ডলী গড়ে তোলার জন্য শিষ্য তৈরীর প্রক্রিয়াগুলিকে প্রয়োগ করা ৷ এই প্রক্রিয়াগুলি, ভালোভাবে সম্পন্ন হলে, এর ফলাফলস্বরূপ মণ্ডলী স্থাপনের আন্দোলন হতে পারে ৷

২৪:১৪ কেবলমাত্র একটি কার্যপ্রণালীর কৌশলগুলির উপর কেন্দ্রীভূত নয় ৷ আমরা স্বীকার করি যে বিভিন্ন ব্যক্তিরা একটি কিংবা অন্যটি বা সম্মিলিত কোন পথ পছন্দ করতে পারে ৷ আমরা অবিরাম বিভিন্ন প্রক্রিয়াগুলি শিখবো ও ব্যবহার করবো – প্রদত্ত তারা প্রমাণিত বাইবেল সম্বন্ধীয় কৌশলগুলিকে অবলম্বন করবে, যার ফলস্বরূপ শিষ্য, নেতা ও মণ্ডলীর পুনরুৎপাদন ৷

সি.পি.এম.-এর উত্থানের সাথে সাথে, পুনরুৎপাদনকারী শিষ্য তৈরী করার সর্বোত্তম প্রথাগত কৌশল এবং কার্যপ্রণালীগুলি চিহ্নিত ও সঞ্চারণ হতে শুরু করেছিল ৷ সি.পি.এম.-এর ফলাফলের জন্য ঈশ্বর বেশ কয়েকটি শিষ্য তৈরী করার “কার্যপ্রণালী” বা প্রক্রিয়াগুলি ব্যবহার করে তাঁর সৃজনশীলতা প্রদর্শন করেছেন ৷ এগুলির মধ্যে ছিলঃ শিষ্য তৈরীর আন্দোলন (ডিসাইপল মেকিং মুভমেন্ট বা ডি.এম.এম.), চারটি ক্ষেত্র, এবং প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ (টি.ফর.টি.), এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার অত্যন্ত ফলদায়ক দেশীয়ভাবে বিকশিত পদ্ধতি ৷ এই পদ্ধতিগুলির পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষণ দ্বারা নির্দেশিত যেঃ ১) সি.পি.এম.-এর সিদ্ধান্তগুলি বা কৌশলগুলি প্রধানত একই; ২) শিষ্যদের ও মণ্ডলীগুলির পুনরুৎপাদন দ্বারা এই সকল পদ্ধতিগুলি ফলদায়ক; ও ৩) সবগুলিই পারস্পারিক বিনিময় দ্বারা অন্যান্য কার্যপ্রণালিগুলিকে প্রভাবিত করে ৷

মূল সংজ্ঞাগুলিঃ

সি.পি.এম. – মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলন (ফলাফল):- শিষ্যদের শিষ্য নির্মাণ, ও নেতাদের উন্নয়নশীল নেতা গড়ে তোলার সংখ্যাবৃদ্ধি, ফলস্বরূপ দেশীয় মণ্ডলীদের (মূলতঃ গৃহ মণ্ডলীগুলি) আরো মণ্ডলী স্থাপণ ৷ এই নতুন শিষ্য ও মণ্ডলীগুলি লোকেদের আত্মীক ও শারীরিক চাহিদা পূর্তির জন্য একটি সংখ্যাগরিষ্ট জনগোষ্ঠী বা জনসংখ্যা বিভাগের দ্বারা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে, নতুন খ্রীষ্টিয় দেহ হিসাবে রাজ্যের মূল্যবোধ ধারণ করে তারা তাদের সম্প্রদায়্গুলিকে রূপান্তর করতে শুরু করে ৷ যখন সামঞ্জস্যপূর্ণ, একাধিক-প্রবাহ ৪র্থ প্রজন্মের মণ্ডলীগুলির পুনরুৎপাদন ঘটে, মণ্ডলী স্থাপণ একটি টেকসই আন্দোলনে পরিণত হওয়ার চৌকাঠ পেরিয়ে যায় ৷

ডি.এম.এম. – শিষ্য তৈরীর আন্দোলন (সি.পি.এম.-এর অভিমুখে একটি প্রক্রিয়া):- একটি আবিষ্কার গোষ্ঠী আরম্ভ করার জন্য, শিষ্যদের প্রতি ধ্যান কেন্দ্রীভূত করে শান্তির ব্যক্তিদের সন্ধান করার জন্য হারিয়ে যাওয়াদের নিযুক্ত করা, যারা তাদের পরিবার ও প্রভাবের বৃত্তকে একত্র করবে৷ এটি একটি প্ররোচিত দলগত বাইবেল অধ্যয়ন প্রক্রিয়া সৃষ্টি থেকে খ্রীষ্ট পর্যন্ত, সরাসরী ঈশ্বরের বাক্যের দ্বারা তাঁর থেকে শেখা ৷ খ্রীষ্টের অভিমূখে যাত্রায় সাধারণত বেশ কয়েক মাস সময় লাগে ৷ এই প্রক্রিয়া চলাকালীন, অন্বেষনকারীদের তারা যা শিখছে তা পালন করতে ও বাইবেলের গল্পগুলি অন্যান্যদের সাথে প্রচার করার জন্য উৎসাহিত করা হয় ৷ যখন সম্ভব, তারা তাদের পরিবার ও বন্ধুদের সাথে নতুন আবিষ্কার গোষ্ঠীগুলি শুরু করে ৷ এই প্রাথমিক অধ্যয়ন প্রক্রিয়ার শেষে, নতুন বিশ্বাসীরা বাপ্তাইজিত হয় ৷ তারপর তারা কয়েক মাসের এক আবিষ্কারী বাইবেল অধ্যয়ন (ডিসকভারি বাইবেল স্টাডি বা ডি.বি.এস) মণ্ডলীর স্থাপণ পর্ব শুরু করে সেই সময়ে তারা একটি মণ্ডলীরূপে গঠিত হয় ৷ এই প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার গোষ্ঠীকে খ্রীষ্টের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করে, নতুন মণ্ডলী ও নতুন নেতৃবৃন্দের পরিচালনা করে, যারা এই প্রক্রিয়াটির পুনরুৎপাদন করতে পারে ৷

চারটি ক্ষেত্র (সি.পি.এম.-এর অভিমুখে একটি প্রক্রিয়া):- রাজ্য বৃদ্ধির চারটি ক্ষেত্র হলো ঈশ্বরের রাজ্য বৃদ্ধির জন্য যীশু খ্রীষ্ট ও তার নেতারা যেই পাঁচটি কাজ করেছিলেন তা দৃষ্টিগোচর করার একটি পরিকাঠামোঃ প্রবেশ, সুসমাচার, শিষ্যত্ব, মণ্ডলী গঠন, ও নেতৃত্ব ৷ এটি মার্ক ১ অধ্যায়ে পাওয়া যেতে পারে ৷ এটি এক দৃষ্টান্তের নমুনা অনুসরণ করে, একটি কৃষক যে নতুন ক্ষেত্রে প্রবেশ করে, বীজ বপন করে, তা বেড়ে উঠতে দেখে যদিও সে জানে না যে কিভাবে, এবং শস্য কাটা ও আঁটি বাঁধার, সঠিক সময় কোনটি (মার্ক ৪:২৬-২৯)৷ কৃষক এই তাগিদে কাজ করে যে ঈশ্বরই হন যিনি বৃদ্ধিদান করেন (১ করিন্থীয় ৩:৬-৯)৷ যীশু খ্রীষ্ট ও তাঁর নেতাদের মতো আমাদেরও প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্য পরিকল্পনা রাখতে হবে, কিন্তু এটি ঈশ্বরের আত্মাই যিনি বৃদ্ধি করেন ৷ চারটি ক্ষেত্রই সাধারণতঃ ক্রমান্বয়ে প্রশিক্ষিত হয়, কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে, পাঁচটি অংশের যুগপৎ ঘটে ৷

টি.ফর.টি. (সি.পি.এম.-এর অভিমুখে একটি প্রক্রিয়া):- হারিয়ে যাওয়া লোকদের (বিশেষ করে তাদের ঐকোস্ বা প্রভাবের বৃত্তে) সুসমাচার প্রচার করার জন্য সমস্ত বিশ্বাসীদের একত্র ও প্রশিক্ষিত করার একটি প্রক্রিয়া, নতুন বিশ্বাসীদের শিষ্য বানানো, ছোট সমূহ বা মণ্ডলী শুরু, নেতাদের গড়ে তোলা, এবং এই নতুন শিষ্যদেরও তাদের ঐকোস্-এর সাথে একই রকম কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া ৷ ঈশ্বরের বাক্যের পালন ও অন্যদের শেখানো (ভবিষ্যতে, প্রশিক্ষক) উভয়ই শিষ্যত্বের সংজ্ঞা ৷ লক্ষ্য হলো বিশ্বাসীদের প্রত্যেক প্রজন্মকে প্রশিক্ষকের প্রশিক্ষণের জন্য সাহায্য করা, যারা প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে পারে, যারা প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে পারে ৷ এটি প্রতি সপ্তাহে শিষ্যত্বের তিন-তৃতীয়াংশ প্রক্রিয়া ব্যবহার করে প্রশিক্ষকদের সুসজ্জিত করে – ১) ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্যের মূল্যায়ণ ও উদযাপন করার জন্য ফিরে তাকানো, ২) তাঁর বাক্য থেকে গ্রহণ করার জন্য উর্দ্ধে তাকানো এবং ৩) প্রার্থনাযুক্ত লক্ষ্য নির্ধারণ ও এই বিষয়গুলি কিভাবে অন্যদের জ্ঞাপন করবে তা অনুশীলনের জন্য সামনে তাকানো ৷ (এই তিন-তৃতীয়াংশ প্রক্রিয়া আরও অন্য পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয় ৷)

সংজ্ঞাগুলিঃ

1st Generation ChurchesThe first churches started in the focus group/community.
2nd Generation ChurchesChurches started by the 1st generation churches. (Note that this is not biological or age-related generations.)
3rd Generation ChurchesChurches started by 2nd generation churches.
Bi-VocationalSomeone who is in ministry while maintaining a full time job.
Church CircleA diagram for a church using basic symbols or letters from Acts 2:36-47 to define which elements of the church are being done and which need to be incorporated.
Discovery Bible Study (DBS) is the Process & Discovery Group (DG) is the PeopleA simple, transferable group learning process of inductive Bible study which leads to loving obedience and spiritual reproduction. God is the teacher and the Bible is the sole authority. A DBS can be done by pre-believers (to move them toward saving faith) or by believers (to mature their faith). A DG for pre-believers begins with finding a Person of Peace (Luke 10:6), who gathers his/her extended relational network. A DG is facilitated (not taught) by using some adaptation of seven questions:
1 - What are you thankful for?
2 - What are you struggling with / stressed by? After reading the new story:
3 - What does this teach us about God?
4 - What does this teach us about ourselves / people?
5 - What is God telling you to apply / obey?
6 - Is there some way we could apply this as a group?
7 - Who are you going to tell?
End VisionA short statement that is inspirational, clear, memorable, and concise, describing a clear long-term desired change resulting from the work of an organization or team.
Five-Fold GiftingFrom Ephesians 4:11 – Apostle, Prophet, Evangelist, Shepherd (Pastor), Teacher. APEs tend to be more pioneering, focusing on expanding the kingdom among new believers. STs tend to be more focused on depth and health of the disciples and churches, focusing on the same people over longer periods of time.
Generational MappingMultiple Church Circles linked generationally into streams to help determine the health of each church and the depth of generational growth in each stream.
Great Commission ChristianA Christian committed to seeing the Great Commission fulfilled.
Great Commission WorkerA person committed to investing their best time and effort in fulfilling the Great Commission.
Hub (CPM Training Hub):A physical location or network of workers in an area that trains and coaches Great Commission workers in practically implementing CPM practices and principles. The hub may also involve other aspects of missionary training.
CPM Training Phases (for Cross-Cultural
Catalyzing)
Phase 1 Equipping – A process (often at a CPM Hub) in the home culture of a team (or individual). Here they learn to live out CPM practices among at least one population group (majority or minority) in their context.

Phase 2 Equipping – A cross-cultural process among a UPG where a fruitful CPM team can mentor new workers for a year or more. There the new workers can see CPM principles in action among a group similar to the UPG on their hearts. They can also be mentored through general orientation (culture, government, national church, use of money, etc.), language learning, and establishing healthy habits in cross-cultural life and work.

Phase 3 Coaching – After Phase 2, an individual/team is coached while they seek to launch a CPM/DMM among an unserved population segment.

Phase 4 Multiplying – Once a CPM emerges in a population segment, rather than the outside catalyst(s) exiting, they help expand the movement to other unreached groups both near and far. At this stage, movements are multiplying movements.
IOI (Iron on Iron)An accountability session: meeting with leaders, reporting on what is happening, discussing obstacles, and solving problems together.
Legacy ChurchesA traditional church that meets in a building.
Majority WorldThe non-Western continents of the world, where most of the world’s population lives: Asia, Africa and South America.
MAWL
Movement Catalyst
Model, Assist, Watch, Launch. A model for leadership development.
Movement CatalystA person being used by God (or at least aiming) to catalyze a CPM/DMM.
OikosThe Greek word best translated “household.” Because households in the NT context were normally much larger than just a nuclear family, the term can well be applied as “extended family” or “circle of influence.” Scripture shows that most people come to faith in groups (oikos). When these groups respond and are discipled together, they become a church (as we see, for example, in Acts 16:15; 1 Cor. 16:19 and Col. 4:15). This biblical approach also makes sense numerically and sociologically.
Oikos MappingDiagram of a plan to reach family, friends, coworkers, neighbors with the Good News.
Oral LearnerSomeone who learns through stories and orality, may have little to no literacy skills.
Person of Peace (POP)/House of Peace (HOP)Luke 10 describes a person of peace. This is a person who receives the messenger and the message and opens their family/group/community to the message.
Regional 24:14 Facilitation TeamsTeams of CPM-oriented leaders serving in specific regions of the world, committed to implementing the 24:14 vision in their region. These regions roughly follow the United Nations geoscheme. However, as 24:14 is a grassroots effort, regional teams are forming organically and do not perfectly mirror the United Nations geoscheme.
StreamA multi-generational, connected chain of church plants.
SustainabilityThe capacity to endure. Sustainable methodologies allow a church or community to continue an activity for years to come without further outside assistance.
Unengaged UPG (UUPG)A subset of global UPGs; a UPG not yet engaged by a church planting team.
Unreached People Group (UPG)A sizable distinct group that does not have a local, indigenous church that can bring the gospel to the whole group without the aid of cross-cultural missionaries. This group may be variously defined, including but not limited to ethno-linguistic or socio-linguistic commonality.

 

 

(1) https://en.wikipedia.org/wiki/United_Nations_geoscheme

এই সংজ্ঞাগুলি মূলত ২৪:১৪ বইয়ের “পরিশিষ্ট ক” (পৃষ্ঠা ৩১৪-৩২২) হিসাবে প্রকাশিত হয়েছিল – সমস্ত লোকদের পক্ষে একটি সাক্ষ্য, ২৪:১৪ থেকে বা অ্যামাজন-এ উপলব্ধ ৷

Categories
কোর ভিশন

নিষ্ঠুর সত্য

নিষ্ঠুর সত্য

– জাস্টিন লঙ-

যীশু খ্রীষ্টের স্বর্গারোহনের পূর্বেই, তিনি তাঁর শিষ্যদের একটি কার্য দিয়েছিলে যাকে আমরা মহান আদেশ বলে থাকিঃ “সমুদয় জগতে যাও,” সমস্ত জাতির লোকদের শিষ্য করার জন্য ৷ তখন থেকেই, খ্রীষ্টানেরা সেই দিনটির স্বপ্ন দেখতে থাকে যখন এই কার্যটি সম্পূর্ণ হবে ৷ আমাদের মধ্যে অনেকেই এটিকে মথি ২৪:১৪-পদের সাথে যুক্ত করি, যীশু’ খ্রীষ্ট প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে “সর্ব্ব্জাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে ৷” যদিও আমরা বাক্যাংশের সুনির্দিষ্ট অর্থ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করতে পারি, আমরা ভাবি যে কার্যটি “সম্পন্ন” হবে, এবং কোনভাবে “শেষের” সাথে আবদ্ধ ৷

যখন আমরা আগ্রহের সাথে যীশু খ্রীষ্টের পুনরাগমনের অপেক্ষা করছি, আমাদের “নিষ্ঠুর সত্যগুলির” সম্মুক্ষীন হতে হবেঃ যদি কার্যের সমাপ্তি ও যীশু খ্রীষ্টের পুনরাগমন কোনভাবে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাহলে তাঁর পুনরাগমনের এখনো দেরী আছে ৷ অনেক পরিমাপের দ্বারা, “কার্যের সমাপ্তি” আমাদের থেকে দূরে হয়ে যাচ্ছে !

আমরা কিভাবে “কার্যের সমাপ্তি” পরিমাপ করবো ? এই পদগুলিতে দুটি সম্ভাবনা আবদ্ধঃ ঘোষণাত্মক পরিমাপ ও শিষ্যত্বের পরিমাপ ৷

শিষ্যত্বের পরিমাপ হিসাবে, আমরা দুটিকেই বিবেচনা করতে পারি যে বিশ্বের কত সংখ্যক খ্রীষ্টান বলে দাবি করে, ও বিশ্বের কত সংখ্যক “সক্রিয় শিষ্য” হিসেবে বিবেচিত হতে পারে ৷

দ্য সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ্ গ্লোবাল ক্রীশ্চিয়ানিটি (সি.এস.জি.সি.) সমস্ত খ্রিষ্টানদের গণনা করে ৷ তারা আমাদের বলেন যে ১৯০০ সালে,বিশ্বের ৩৩% খ্রীষ্টান ছিল; ২০০০ সালেও, বিশ্বের ৩৩% খ্রীষ্টান ছিল ৷ এবং ২০৫০ পর্যন্তও, বিষয়গুলি নাটকীয় পরিবর্তন না হলে, তখনও বিশ্বে মাত্র ৩৩% খ্রীষ্টানই থাকবে ! একটি মণ্ডলী যদি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমানুপাতে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় তাহলে সে “সর্ব্ব্জাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত” সুসমাচার নিয়ে আসছে না ৷

“সক্রিয় শিষ্যত্ব”-এর সম্পর্কে কি ? এই পরিমাপটি অত্যান্ত কঠিন, যেমন আমরা “হৃদয়ের অবস্থা” সম্পূর্ণ জানতে পারি না ৷ কিন্তু দ্য ফিউচার অফ্ দ্য গ্লোবাল চার্চ –এ, প্যাট্রিক জনস্টোন অনুমান করেছিলেন যে ২০১০ সালের বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৬.৯% হলো “সুসমাচার প্রচারকারী বিশ্বাসী”৷ গবেষণা করে দেখা যায় অধিকাংশ অন্যান্য খ্রীষ্টীয় বিভাগের তুলনায় সুসমাচার প্রচারকারীদের সংখ্যা ক্রমাগত দ্রুত গতিতে বাড়ছে, কিন্তু বিশ্বের একটি ছোট শতাংশ হতে অবিরত রয়েছে ৷

যাইহোক, বিশ্বাসীদের সংখ্যা কার্যটি সম্পাদনের একমাত্র পরিমাপ নয় ৷ “ঘোষণাত্মক,” যেমন উপরে উল্লেখিত, সেটি পৃথক বিষয় ৷ কিছু লোক সুসমাচার শুনবে কিন্তু তা গ্রহণ করবে না ৷ তিন প্রকারের ঘোষনাত্মক যা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ঃ সুসমাচার অপ্রচারিত, সুসমাচার অপ্রাপ্ত ও অনিযুক্ত ৷ (মিশন ফ্রন্টিয়ার্স জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারী ২০০৭-এর প্রকাশনায় এই তিনটি বিষয়ের উপরে গভীরভাবে আলোকপাত করা হয়েছেঃ http://www.missionfrontiers.org/issue/article/which-peoples-need-prority-attention)৷

সুসমাচার অপ্রচারিত  হলো যারা সুসমাচারের প্রতি প্রবেশগম্য নয় তা পরিমাপের একটি প্রচেষ্টাঃ যারা, বাস্তবিকভাবে, তাদের জীবদ্দশায় সুসমাচার শোনার এবং প্রত্যুত্তর দেওয়ার সুযোগ পাবে না ৷ সি.এস.জি.সি.-র অনুমান ১৯০০ সালে বিশ্বের ৫৪% অপ্রচারিত ছিল এবং আজ ২৮% প্রচারিত রয়েছে ৷ এটি ভাল সংবাদঃ যে বিশ্বে সুসমাচারের প্রবেশগম্য নয় –এর হার ক্রমশঃ হ্রাস পাচ্ছে ৷ তবে খারাপ সংবাদঃ ১৯০০ সালে, অপ্রচারিত ব্যক্তিদের সম্পূর্ণ জনসংখ্যা ছিল ৮৮ কোটি ৷ আজ, জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য,সেই সংখ্যাটি বেড়ে হয়েছে ২১০ কোটি ৷

যখন সুসমাচার অপ্রচারিত লোকের শতাংশের পরিমাণ অর্ধেক হ্রাস পেয়েছিল, তখন প্রবেশগম্য নয় এমন লোকের মোট সংখ্যা দ্বিগুণেরও অধিক হয়ে যায় ৷ অবশিষ্ট কার্যের আকার বেড়ে যায় ৷

সুসমাচার অপ্রাপ্ত-রা একটু ভিন্ন হয়ঃ এটি পরিমাপ করে যে কোন সুসমাচার অপ্রচারিত গোষ্ঠীদের কাছে কোনও স্থানীয়, দেশীয় মণ্ডলী নেই যারা কোনো মিশ্র-সাংস্কৃতিক মিশনারীদের সাহায্য ছাড়াই সম্পূর্ণ গোষ্ঠীর কাছে সুসমাচার নিয়ে আসতে পারে ৷ জোশুয়া প্রজেক্ট প্রায় ৭,০০০ সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠীর একটি সূচী তৈরী করে যাদের মোট সংখ্যা ৩৫০ কোটি মানুষ যা বিশ্বের ৪২% ৷

পরিশেষে, অনিযুক্ত গোষ্ঠীগুলি যাদের মণ্ডলী স্থাপণের দলের দ্বারা সুসমাচারে কার্যে কোনো নিযুক্তির অভাব রয়েছে ৷ আজ, ১,৫১০টি এমন গোষ্ঠী আছেঃ আই.এম.বি.-র দ্বারা ১৯৯৯ সালে এর পরিচয়ের পর থেকে এই সংখ্যার পতন হচ্ছে ৷ এই পতন একটি ভালো লক্ষণ, কিন্তু এর অর্থ হলো “নব নিযুক্ত” গোষ্ঠীগুলির জন্য, কার্য সম্পন্ন হয় নি, শুধু নতুন করে শুরু হয়েছে ! স্থায়ী ফলাফল দেখার চেয়ে মণ্ডলী স্থাপণের দলের সাথে গোষ্ঠীর নিযুক্তি অনেক বেশী সহজ ৷ 

“নিষ্ঠুর সত্য”টি হলো যে, উপরোক্ত কোনো পরিমপের দ্বারা, আমাদের বিদ্যমান কোনো প্রচেষ্টাই শীঘ্রই কোনো সময়ে সমস্ত গোষ্ঠীর সমস্ত লোকের কাছে পৌঁছাতে সম্ভব হবে না ৷ আমরা এর জন্য বিভিন্ন ধরনের মূল কারণগুলি দেখতে পাই ৷

প্রথমত, অধিকতর খ্রীষ্টানদের প্রচেষ্টা যেই স্থানগুলিতে মণ্ডলী নেই সেখানে যাওয়ার পরিবর্তে, যেখানে মণ্ডলী রয়েছে সেই স্থানে যায় ৷ খ্রীষ্টীয় কারণে দেওয়া অর্থের বেশিরভাগ আমাদের নিজেদের উপরেই ব্যয় করা হয় এবং এমনকি বেশিরভাগ মিশনের অর্থও সংখ্যাগরিষ্ঠ খ্রীষ্টান অঞ্চলগুলিতেই খরচ করা হয় ৷ ব্যক্তিগত আয়ের প্রতি ১০০,০০০ ডলারের (প্রায় ৭,০০০,০০০ টাকা) মধ্যে, গড় খ্রীষ্টানেরা ১ ডলার ( প্রায় ৭০ টাকা) সুসমাচার অপ্রাপ্তদের (০.০০০০১%) কাছে পৌঁছানোর জন্য দেয় ৷

কর্মীদের মোতায়েন এই সমস্যাযুক্ত ভারসাম্যকে প্রতিফলিত করে ৷ কেবলমাত্র ৩% মিশ্র-সাংস্কৃতিক মিশনারীরা সুসমাচার অপ্রাপ্তদের মাঝে কার্যরত ৷ যদি আমরা সমস্ত পূর্ণকালীন খ্রীষ্টান কর্মীদের গণনা করি তাহলে কেবলমাত্র ০.৩৭%-ই সুসমাচার অপ্রাপ্তদের পরিচর্যা করে ৷ আমরা প্রতি ১৭৯,০০০ হিন্দু, প্রতি ২৬০,০০০ বৌদ্ধ এবং প্রতি ৪০৫,৫০০ মুসলিমদের জন্য একজন মিশনারী প্রেরণ করি ৷

দ্বিতীয়ত, অধিকতর খ্রীষ্টানেরা অ-খ্রীষ্টান জগতের সংস্পর্শের বাইরে রয়েছেঃ বিশ্বব্যাপী ৮১% অ-খ্রীষ্টান ব্যক্তিগতভাবে কোন বিশ্বাসীকে জানে না ৷ মুসলিম, হিন্দু এবং বৌদ্ধদের জন্য, এটি বেড়ে হয় ৮৬% ৷ মধ্য পূর্ব  ও উত্তর আফ্রিকাতে এর শতকরা হার ৯০% ৷ তুর্কি ও ইরানে এটি ৯৩% এবং  আফগানিস্তানে ৯৭% মানুষ ব্যক্তিগতভাবে কোন খ্রীষ্টানকে জানে না ৷ 

তৃতীয়তঃ যেই মণ্ডলীগুলিকে আমরা ধরে রেখেছি সেগুলি ধীর জনসংখ্যার বৃদ্ধিতে বিভিন্ন স্থানে মূলত বিদ্যমান ৷ বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা সেই

স্থানগুলিতে দ্রুতগতিতে বাড়ছে যেখানে আমরা নয় ৷ ১৯১০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যার ৩৩% খ্রীষ্টত্ব স্থিতিশীল থাকে ৷

ইতিমধ্যে, ইসলাম ১৯১০ সালের বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যার ১২.৬% থেকে বেড়ে ১৯৭০ সালে ১৫.৬%  এবং ২০২০ সালে আনুপাতিক ২৩.৯%

দাঁড়িয়েছিল ৷ এটি মূলত মুসলিম সমাজের জনসংখ্যার বৃদ্ধির জন্য, বার্তালাপের জন্য নয় ৷ কিন্তু সত্যটি অব্যাহত রয়েছে যে বিগত শতাব্দিতে ইসলাম বিশ্বের শতকরা হার হিসাবে দ্বিগুণ হয়ে গেছে এবং খ্রীষ্টানেরা একই থেকে যায় ৷ 

চতুর্থতঃ খ্রীষ্টীয় জগতে ভাঙ্গন ধরেছে ও মহান আদেশ একসাথে সম্পন্ন করার জন্য একতার অভাব আছে ৷ বিশ্বব্যাপী, আনুপাতিক ৪১,০০০ খ্রীষ্টীয় গোষ্ঠী আছে ৷ মিশনারী প্রতিনিধি সংস্থাগুলির সংখ্যা ১৯০০ সালে ৬০০ থেকে আজ আকাশচুম্বী ৫,৪০০টি ৷ সার্বজনীন যোগাযোগের অভাব, অনেক কম সমন্বয়, সমগ্র জাতিকে (এথনী) শিষ্য তৈরী করার প্রচেষ্টাকে পঙ্গু করে ৷

পঞ্চমতঃ অনেক মণ্ডলীগুলির প্রায়ই শিষ্যত্ব, খ্রীষ্টের আজ্ঞা পালনের অপর্যাপ্ত জোর এবং তাঁকে অনুসরণ করার আন্তরিক ইচ্ছা থাকে ৷ কম প্রতিশ্রুতিতে সামান্য পুনরুৎপাদনের ফলন এবং হ্রাস বা পতনশীল ঝুঁকি চালায় ৷ এটি মণ্ডলীর ক্ষতিতে দেখা যায় যারা মণ্ডলী ছেড়ে দেয় ৷ গড়ে বছরে ৫০ লক্ষ জন খ্রীষ্টান হয় কিন্তু ১ কোটি ৩০ লক্ষ জন খ্রীষ্টত্ব ছেড়ে চলে যায় ৷ যদি এই বর্তমান প্রবণতা চলতে থাকে, তবে ২০১০ থেকে ২০৫০ পর্যন্ত ৪ কোটি জন ব্যক্তি খ্রীষ্টান হবে যেখানে ১০ কোটি ৬ লক্ষ জন ছেড়ে চলে যাবে ৷

ষষ্ঠতঃ আমরা বিশ্বব্যাপী মণ্ডলীর বাস্তবতায় কোন কৌশলগতভাবে অভিযোজিত হই নি ৷ বিশ্বব্যাপী দক্ষিণ খ্রীষ্টানরা ১৯১০ সালে বিশ্বের ২০% খ্রীষ্টান থেকে বেড়ে ২০২০ সালে আনুপাতিক ৬৪.৭% হয়ে দাঁড়িয়েছে ৷  তবুও বিশ্বব্যাপী উত্তর মণ্ডলীর কাছে খ্রীষ্টীয় ধনের বৃহৎ অংশ রয়েছে ৷ নৃতাত্ত্বিক ও সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, আমরা আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির লোকদেরই মিশনারী হিসাবে পাঠানোকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি ৷ আমরা নিজেদের নিকটবর্তী-সংস্কৃতির দলগুলিকে, প্রতিবেশী সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠীগুলির কাছে পৌঁছানোর জন্য অগ্রাধিকার ও পর্যাপ্তরূপে সম্পদ দেওয়ার চেয়ে দূরবর্তী-সংস্কৃতির দলগুলিকে সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠীগুলির সাথে সংযুক্ত করার সহযোগিতার জন্য আমাদের বেশির ভাগ সম্পদ দিতে থাকি ৷ 

সপ্তমতঃ আমরা ভূমি হারাতে চলেছি ৷ পুর্ববর্তী ছয়টি বিষয় ও কারণগুলির ফলস্বরূপ, নিত্যনৈমিত্তিক হারানো ব্যক্তি এবং নির্দিষ্টভাবে সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তি দুজনেরই বৃদ্ধিগত একটি সংখ্যা আছে ৷ ২০১৫ সালে বিশ্বে হারানো ব্যক্তিদের সংখ্যা ৩ কোটি ২০ লক্ষ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি জন যেখানে সুসমাচারে প্রবেশগম্য নয়-এর সংখ্যা ১৯৮৫ সালে ১ কোটি ১০ লক্ষ থেকে বেরে ২০১৮ সালে ২ কোটি ২০ লক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৷

মহান আদেশ পরিপূর্ণ করার জন্য আমাদের আন্তরিক ইচ্ছা থাকলেও, যতক্ষণ না আমরা “দৌড়ে দৌড়াবো” তার পরিবর্তন না করি, বর্তমান 

 

 

(1) [1]ওয়ার্ল্ড খ্রিস্টান ডাটাবেস, 2015, *ব্যারেট এবং জনসন। 2001. বিশ্ব খ্রিস্টান প্রবণতা, পৃ ৬৫৬, এবং ২ অ্যাটলাস অফ গ্লোবাল খ্রিস্টান২০০৯। আরও দেখুন:মিশনারিদের নিয়োগ, বৈশ্বিক অবস্থা ২০১৮
(২) ইবিড।
(৩) http://www.gordonconwell.edu/ockenga/research/documents/ChristianityinitsGlobalContext.pdf
(৪) http://www.ijfm.org/PDFs_IJFM/29_1_PDFs/IJFM_29_1-Johnson&Hickman.pdf
http://www.gordonconwell.edu/ockenga/research/documents/ChristianityinitsGlobalContext.pdf
৫ http://www.ijfm.org/PDFs_IJFM/29_1_PDFs/IJFM_29_1-Johnson&Hickman.pdf
http://www.pewforum.org/2017/04/05/the-changing-global-religious-landscape/

জাস্টিন লং ২৫ বছর ধরে বৈশ্বিক মিশন গবেষণায় জড়িত, এবং বর্তমানে বিয়ন্ডের জন্য গ্লোবাল রিসার্চডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যেখানে তিনি আন্দোলন সূচক এবং গ্লোবাল ডিস্ট্রিক্ট সার্ভে সম্পাদনা করেন।

এই উপাদানটি ২৪:১৪ বইয়ের ১৪৯-১৫৫ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে- সকল মানুষের জন্য একটি সাক্ষ্য, যা ২৪:১৪ থেকে অথবা আমাজন থেকে পাওয়া যায়, যা মূলত মিশন ফ্রন্টিয়ার্স, www.missionfrontiers.org ২০১৮ সংখ্যায় প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ থেকে প্রসারিত করাহয়েছে।

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

আন্দোলনে মাইন্ডশিফট – পর্ব ১

আন্দোলনে মাইন্ডশিফট – পর্ব ১

– এলিজাবেথ লরেন্স এবং স্ট্যান পার্কস দ্বারা লিখিত –

আমাদের এই সময়ে ঈশ্বর মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনের (সি.পি.এম.-এর) দ্বারা বিশ্ব জুড়ে মহান কার্যগুলি করছেন ৷ সি.পি.এম.-এর মানে এই নয় যে প্রথাগত মণ্ডলীস্থাপণ ফলদায়ক হচ্ছে ৷ একটি বৈশিষ্ট্যসূচক পরিচর্য্যা পদ্ধতির ঈশ্বর প্রদত্ত ফলকে সি.পি.এম. বর্ণনা করেছে – অদ্বিতীয় সি.পি.এম.-জাত “ডি.এন.এ.৷” সি.পি.এম.-এর দৃষ্টিকোণ ও নির্দেশনগুলি মণ্ডলীর জীবন ও পরিচর্য্যার নির্দেশনগুলি থেকে অনেক দিক থেকেই ভিন্ন, যা আমাদের অনেককেই “স্বাভাবিক” বলে মনে হতে পারে ৷  

দ্রষ্টব্য, আমাদের সাথে সি.পি.এম.-গুলিতে জড়িত অনেকের জন্য ঈশ্বররের দ্বারা কৃত পরিবর্তন দেখেছি, আমরা সেই দৃষ্টান্তগুলিকে সনাক্ত করতে চাই ৷ কিন্তু এইগুলিকে পরীক্ষণ করার পূর্বে, আমরা স্পষ্ট করেত চাইঃ আমরা বিশ্বাস করি না যে সি.পি.এম.-ই পরিচর্য্যা করার একমাত্র পথ বা যদি কেউ সি.পি.এম. করছে না, তাহলে তাদের দৃষ্টান্ত ভ্রান্ত ৷ যারা আমাদের পূর্বে গিয়েছিলেন আমরা তাঁদের ভীষণভাবে শ্রদ্ধা জানাই; আমরা তাঁদেরই কাঁধের উপর দাঁড়িয়ে আছি ৷ আমরা খ্রীষ্ট দেহের অন্যদেরও সম্মান করি যারা অন্যান্য ধরনের পরিচর্য্যাগুলির মধ্যে বিশ্বাসযোগ্য ও ত্যাগের সাথে সেবা করে ৷

এই প্রসঙ্গে, আমরা প্রধাণত পশ্চিমদেশীয় লোকদের জন্য দৃষ্টান্তের পার্থক্যগুলি পরীক্ষা করবো যারা সি.পি.এম.-এর অনুঘটন সংক্রান্ত বিষয়ে সাহায্য করতে চান ৷ যারা আমাদের মধ্যে জুড়তে চায় তাদের ধ্যান রাখতে হবে যে একটি আন্দোলনের পরিবেশ তৈরী করার জন্য আমাদের নিজেদের মানিসিকতায় কি পরিবর্তন হতে হবে ৷ মানসিক পরিবর্তন আমাদের বিষয়গুলিকে ভিন্নভাবে ও সৃজনশীল ভাবে দেখতে সাহায্য করে ৷ এই দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ভিন্ন আচরণ ও ফলাফলের দিকে অগ্রসর করে ৷ প্রভূ’র মহান কার্যের কিছু উপায় যা সি.পি.এম.-গুলিতে আমাদের চিন্তাধারাকে নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের আহ্বান করে ৷ 

শুরুঃ “এটি সম্ভব; আমি আমার দর্শনকে সম্পূর্ণ করার একটি পথ দেখতে পাচ্ছি ৷”

শেষঃ ঈশ্বরের-আকারবিশিষ্ট একটি দর্শন, তাঁর মধ্যবর্ত্তিতা ছাড়া অসম্ভব ৷ ঈশ্বরের নির্দেশ ও শক্তির জন্য তাঁর অপেক্ষারত ৷ 

আধুনিক কালে এত সংখ্যক সি.পি.এম.-গুলি শুরু হয়েছে বলে মনে হওয়ার একটি মূল কারণ হলো সমগ্র জাতির লোকের কাছে পৌঁছানোর প্রতি ধ্যান কেন্দ্রীভূত করে লোকেরা ঈশ্বরের-আকারবিশিষ্ট দর্শনকে গ্রহণ করেছে ৷ যখন লক্ষ লক্ষ মানুষের সমন্বিত সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠীর মধ্যে পৌঁছানোর কার্যের সম্মুখীন হওয়া হয়, তখন এটি স্বাভাবিক যে একজন কর্মী কখনই তাদের নিজের কোনকিছু সম্পন্ন করতে পারে না ৷ সত্যটি হচ্ছে “আমা ভিন্ন তোমরা কিছুই করতে পার না” যা আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় প্রযোজ্য ৷ যাইহোক, যদি আমাদের লক্ষ্য ছোট হয় তবে কাজ করা সহজ হয় যেমন ঈশ্বরের মধ্যবর্ত্তিতার পরিবর্তের ফল আমাদের প্রচেষ্টার উপর নির্ভর করে ৷

শুরুঃ প্রত্যেককে শিষ্য করার লক্ষ্য ৷

শেষঃ একটি রাষ্ট্রকে শিষ্য করার লক্ষ্য ৷

মহান আদেশে যীশু খ্রীষ্ট তার শিষ্যদের “পান্তা তা এথনে –কে শিষ্য কর” (সব এথনে/ প্রত্যেক এথনোস্) ৷ প্রশ্ন হলোঃ “আপনি সমগ্র এথনোস্ –কে কিভাবে শিষ্য করবেন?” একমাত্র উপায় হলো সংখ্যাবৃদ্ধির দ্বারা – শিষ্য যারা শিষ্য তৈরী করে, মণ্ডলী যারা মণ্ডলীর সংখ্যাবৃদ্ধি করে, এবং নেতারা যারা নেতাদের বিকাশ করে ৷

শুরুঃ “এটি এখান হতে পারে না !”

শেষঃ পরিপক্ক ফসলের প্রত্যাশা করা ৷

বিগত ২৫ বছর ধরে লোকেরা বলেছেঃ “আন্দোলনগুলি সেই দেশগুলিতে শুরু হতে পারে, কিন্তু এখানে নয় !” আজ লোকেরা উত্তর ভারতের অনেক আন্দোলনগুলিকে চিহ্নিত করে কিন্তু ভুলে যায় যে এই অঞ্চলটি ২০০ বছরেরও বেশী সময় ধরে “আধুনিক মণ্ডলীগুলির কবরস্থান”৷ কেউ কেউ বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আন্দোলনগুলি ঘটতে পারে না কারণ তা ইসলামের অন্তঃস্থল !” তথাপি অনেক আন্দোলনগুলি এখন মধ্যপ্রাচ্যে ও মুসনলাম জগতে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে ৷ অন্যরা বলেন, “এটি ইউরোপ ও আমেরিকা ও অন্যান্য স্থানের প্রথাগত মণ্ডলীর সাথে ঘটতে পারে না !” তথাপি আমরা এখন ওই সমস্ত স্থানগুলিতে নানান ধরনের আন্দোলনগুলি শুরু হতে দেখতে পাই ৷ ঈশ্বর আমাদের সন্দেহগুলির ওপর জয়লাভ করতে ভালবাসেন ৷

শুরুঃ “আমি কি করতে পারি?”

শেষঃ “এই সমস্ত গোষ্ঠীর (শহর, দেশ, ভাষা, উপজাতি, ইত্যাদি ৷) লোকেদের মধ্যে ঈশ্বরের রাজ্য স্থাপণের জন্য কি করা আবশ্যক ?”

একবার একটি প্রশিক্ষণ গোষ্ঠী প্রেরিত ১৯:১০ পদ নিয়ে আলোচনা করছিল – দুই বছরের মধ্যে এশিয়ার রোমীয় প্রদেশের প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ ব্যক্তিরা প্রভুর বাক্য শুনেছিল ৷ কেউ একজন বলেছিলেন, “ওটা পৌল ও ইফিষীয়ের প্রকৃত ১২ জন বিশ্বাসীর পক্ষে অসম্ভব ছিল – তাদের একদিনে ২০,০০০ ব্যক্তিদের বাক্য শোনাতে হতো ৷” এটাই লক্ষ্যনীয় বিষয় যে – তাদের কাছে সেটি সম্পন্ন করার কোন উপায় ছিলা না ৷ তাইরেনস্ প্রেক্ষাগৃহে প্রত্যাহিক প্রশিক্ষণ শিষ্যদের সংখ্যাবৃদ্ধি করেছিল যারা শিষ্যদের সংখ্যাবৃদ্ধি করেছিল সমগ্র অঞ্চলের শিষ্যদের সংখ্যাবৃদ্ধি করেছিল ৷

শুরুঃ “আমার গোষ্ঠী কি সম্পাদন করতে পারে ?”

শেষঃ “এই অসম্ভব মহান কার্যটি সম্পাদন করতে আর কে অংশীদার হতে পারে ?

এটি উপরোক্ত মানসিক পরিবর্তনের সমান ৷ আমরা বুঝতে পেরেছি, আমাদের নিজেদের মণ্ডলী, সংস্থা, বা খ্রীষ্টীয় গোষ্ঠীগুলির ব্যক্তি ও সম্পদের উপর ধ্যান কেন্দ্রীভূত করার বজায়, আমাদেরকে সব ধরনের মহান আদেশগত সংস্থাগুলি ও মণ্ডলী গুলির সাথে সমগ্র বিশ্বব্যাপী খ্রীষ্টীয় দেহের প্রতি নজর দেওয়া উচিত ৷ আমাদের প্রয়োজনীয় অনেক প্রচেষ্টার জন্য বিবিধ বরদানপ্রাপ্ত ও পেশাগত ব্যক্তিদেরও জড়িত করতে হবেঃ প্রার্থনা, সংগঠন, আর্থিক, ব্যবসা, অনুবাদ, ত্রান, উন্নয়ন, চিত্রকলা, ইত্যাদি ৷

শুরুঃ আমি প্রার্থনা করি ৷

শেষঃ আমরা অসাধারণভাবে প্রার্থনা করি এবং অন্যদের সচল রাখতে প্রার্থনা করি ৷

সমস্তকিছুর পুনরুৎপাদন আমাদের লক্ষ্য ৷ ব্যক্তিগত প্রার্থনা নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু যখন সমগ্র সম্প্রদায়, শহর এবং গোষ্ঠীর লোকেদের কাছে পৌঁছানোর কার্যের অপরিসীম বোঝাপড়ার সম্মুখীন হতে হয় – আমাদের অন্যান্য অনেকের প্রার্থনাকে সচল রাখতে হয় ৷

শুরুঃ আমার পরিচর্য্যা আমার সফলতার দ্বারা পরিমাপ করা হয় ৷

শেষঃ আমরা কি সংখ্যাবৃদ্ধির (যা আমাদের পরিচর্য্যার সময় ঘটতেও পারে বা নাও পারে) মঞ্চ তৈরীর কাজটি বিশ্বস্ততার সাথে করছি ?

বৃদ্ধি ঈশ্বরের দায়িত্ব (১ করিন্থীয় ৩:৬-৭)৷ কখনো কখনো প্রথম সংখ্যাগরিষ্ঠ মণ্ডলীগুলির অনুঘটনের প্রচেষ্টায় বেশ কয়েক বছর লেগে যায় ৷ ক্ষেত্রের কর্মীদের বলা হয়েছিল, “কেবল ঈশ্বরই সাফল্য দান করতে পারেন ৷ যখন আপনি ঈশ্বরের কার্যের জন্য অপেক্ষারত আপনার কাজ হলো বিশ্বাসযোগ্য ও বাধ্য হয়ে থাকা ৷” নতুন নিয়মে প্রাপ্ত শিষ্য-তৈরীর সংখ্যাবৃদ্ধির পদ্ধতি অনুসরণ করে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ শ্রম দান করি এবং আমরা পবিত্র আত্মাকে বৃদ্ধি আনয়নের জন্য বিশ্বাস করি ৷ 

শুরুঃ বহিরাগত মিশনারী হলেন “পৌল”, সুসমাচার অপ্রাপ্তদের মধ্যে অগ্রগণ্য হয়ে প্রচার করছেন ৷

শেষঃ “বার্নবা”র মতো বহিরাগতরা অনেক বেশী সক্রিয় হয়, সংস্কৃতির আবিষ্কার, উৎসাহপ্রদান ও শক্তিশালী করে  তোলার ক্ষেত্রে “পৌল৷”

প্রেরিত পৌলের পর আদর্শরূপে, মিশনারী হিসাবে পাঠানো লোকেদের অনেক সময় নিজেদের অগ্রগণ্য কর্মী হিসাবে গন্য করতে উৎসাহিত করা হতো ৷ এখন আমরা বুঝতে পেরেছি যে দূরের বহিরাগতদের পরিবর্তে সাংস্কৃতিক অভ্যন্তরস্থ বা নিকটবর্তী প্রতিবেশীদের খুঁজে ও তাদের অংশীদার করে যারা নিজেদের সমাজের জন্য “পৌল” হয়ে উঠেছে তাদের দ্বারা বিরাট প্রভাব ফেলা যেতে পারে ৷

দ্রষ্টব্য, প্রথম বার্ণবাও একজন নেতা ছিলেন যিনি “কার্য করেছিলেন” (প্রেরিত ১১:২২-২৬; ১৩:১-৭)৷ তাহনে আন্দোলনের অনুঘটনের জন্য প্রথমত তাদের নিজেদের সংস্কৃতির মধ্যে শিষ্য তৈরীর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে এবং তারপর কেন্দ্রীভূত সংস্কৃতি থেকে যাদের তারা উৎসাহিত ও শক্তিশালী করতে পারবে সেই “পৌলগুলিকে” খুঁজে বের করার জন্য মিশ্র-সাংস্কৃতিকভাবে কাজ করতে হবে ৷

দ্বিতীয়ত, এমনকি এই সমস্ত “পৌলদের” তাঁদের দৃষ্টান্তগুলিকে মানিয়ে নিতে হবে ৷ ভারতের এক বৃহৎ আন্দোলনের বহিরাগত অনুঘটকগুলি তাঁদের ভূমিকা ভালোভাবে বোঝার জন্য বার্নবা’র জীবনী পড়েছিল ৷ তারপর তাঁরা এই আন্দোলনের প্রারম্ভিক “পৌলদের” অংশগুলি পড়েছিলেন ৷ সেই নেতারা পরিবর্তে বোঝতে পেরেছিল যে তাঁদের সাংস্কৃতিক ধারার বিপরীতে (যে প্রারম্ভিক নেতা সবসময় সেরা হয়), প্রতিদানে তাঁরা বার্ণবার মতো হতে  এবং তাঁদের শিষ্যদের শক্তিশালী করে চেয়েছেন, আরও বিরাট প্রভাবের জন্য ৷ 

শুরুঃ একজন নতুন বিশ্বাসী বা নতুন বিশ্বাসীদের দল একটি আন্দোলন আরম্ভ করবে আশা করা ৷

শেষঃ জিজ্ঞেস করাঃ “জাতীয় বিশ্বাসীরা যারা অনেক বছরের অনুসরণকারী তারা কি সি.পি.এম.-এর অনুঘটক(গুলি) হতে পারবে ?”

এটি সাধারণ ধারণার সাথে সম্পর্কযুক্ত যে আমরা এক সাংস্কৃতিক দূরবর্তী বহির্গত কোনো হারানো ব্যক্তিকে(দের) খুঁজতে ও জয় করতে পারবো, যে আন্দোলনের এক অনুঘটক হয়ে উঠবে ৷ এটি যখন আকস্মিকভাবে ঘটে, প্রচুর সংখ্যক আন্দোলনগুলি সাংস্কৃতিক অভ্যন্তরস্থ বা নিকটবর্তী প্রতিবেশীদের দ্বারা শুরু হয়, যারা বেশ কিছু বা বহু বছর থেকে বিশ্বাসী ৷ তাঁদের নিজেদের মানসিক পরিবর্তনগুলি এবং সি.পি.এম.-এর নীতিগুলির সম্যক উপলব্ধি রাজ্য বিস্তারের নতুন সম্ভাবনাগুলির দ্বার খুলে দেয় ৷

২য় ভাগে, আমরা প্রভূ’র মহান কার্যের কিছু অতিরিক্ত উপায় বলবো যা সি.পি.এম.-গুলিতে আমাদের চিন্তাধারার নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের আহ্বান করে ৷ 

 

 

এলিজাবেথ লরেন্সের ২৫ বছরের বেশী মিশ্র-সাংস্কৃতিক পরিচর্য্যার অভিজ্ঞতা ছিল ৷ এর মধ্যে ছিল প্রশিক্ষণ, প্রেরণ, ও সি.পি.এম. দলগুলিকে সুসমাচার অপ্রাপ্ততে, এক ইউ.পি.জি. থেকে যাযাবরের মধ্যে জীবনযাপনে এবং এক বিএএম উপক্রমকে মুসলমান প্রসঙ্গে পরিচালনায় প্রশিক্ষা ৷ তিনি শিষ্যদের সংখ্যাবৃদ্ধির বিষয়ে বিশেষ উৎসাহী ছিলেন ৷

 

মিশন ফ্রন্টিয়ার্স-এর  মে-জুন মাসের  ২০১৯ সালের প্রকাশনায়, একটি প্রবন্ধ থেকে সংকলিত, http://www.missionfrontiers.org

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

আন্দোলনে মাইন্ডশিফট – পর্ব ২

আন্দোলনে মাইন্ডশিফট – পর্ব ২

লিখেছেন এলিজাবেথ লরেন্স এবং স্ট্যান পার্কস

প্রথম পর্বে, আমরা কিছু উপায় শেয়ার করেছি যে সিপিএমএস-এ প্রভুর মহান কাজ আমাদের চিন্তার সাথে মানিয়ে নিতে আহ্বান করে। এখানে কিছু অতিরিক্ত উপায় আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সিপিএম আমাদের চিন্তা সমন্বয় করার জন্য আমাদের ডাকছে।

থেকে: আমরা আমাদের মন্ত্রণালয়ে অংশীদার
খুঁজছি।
আল্লাহতাআলার এবাদতকরার জন্য আমরা ভাই-বোন খুঁজছি।

কখনও কখনও মিশনারিদের “জাতীয় অংশীদার” খুঁজতে শেখানো হয়। কারো উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন না করে, কিছু স্থানীয় বিশ্বাসী এই বাক্যাংশকে সন্দেহজনক মনে করে। কিছু ভুল (প্রায়ই অবচেতন) অর্থ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:

  • একজন বহিরাগতের সাথে “অংশীদারিত্ব” মানে তারা যা করতে চায় তাই করা।
  • একটি অংশীদারিত্বে সর্বাধিক অর্থ সঙ্গে ব্যক্তি অংশীদারিত্ব নিয়ন্ত্রণ করে।
  • এটি একটি সত্যিকারের ব্যক্তিগত সম্পর্কের বদলে একটি “কাজ” ধরনের লেনদেন।
  • “জাতীয়” এর ব্যবহার হয়ত অপমানজনক মনে হতে পারে (“আদিবাসীদের” জন্য আরো ভদ্র শব্দ হিসেবে- কেন আমেরিকানদের “নাগরিক” বলা হয় না?)

হারিয়ে যাওয়া দের মধ্যে আন্দোলন শুরু করার বিপজ্জনক এবং কঠিন কাজের মধ্যে, ভেতরের অনুঘটকপারস্পরিক ভালবাসার একটি গভীর পারিবারিক বন্ধন খুঁজছে। তারা চায় না কাজের অংশীদার কিন্তু আন্দোলন পরিবার যারা একে অপরের বোঝা বহন করবে এবং তাদের ভাই বোনদের জন্য যে কোন উপায়ে ত্যাগ করবে।

থেকে: বিজয়ী ব্যক্তিদের উপর মনোযোগ প্রদান করা।
To:
গ্রুপের উপর মনোযোগ প্রদান করা বিদ্যমান পরিবার, গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে সুসমাচার আনা।

আইন গ্রন্থে বর্ণিত মুক্তির ৯০% হয় বড় বা ছোট দলকে বর্ণনা করে। মাত্র ১০% ব্যক্তি যারা নিজেরাই মুক্তির অভিজ্ঞতা লাভ করে। আমরা যীশুকে তাঁর শিষ্যদের পরিবার খোঁজার জন্য পাঠানোর দিকে মনোযোগ দিতে দেখি, এবং আমরা যীশুকে প্রায়ই পরিবারের কাছে পৌঁছাতে দেখি। উদাহরণ যেমন জাচেউস এবং তার পুরো পরিবার মুক্তির অভিজ্ঞতা (লুক ১৯:৯-১০), এবং সামারিটান মহিলা তার পুরো শহর থেকে অনেক লোকের সাথে বিশ্বাস করতে আসছে (জন ৪:৩৯-৪২)।

গ্রুপে পৌঁছানো ব্যক্তিদের পৌঁছানো এবং একত্রিত করার উপর অনেক সুবিধা আছে। উদাহরণস্বরূপ:

  • একজন নতুন বিশ্বাসীর কাছে “খ্রিস্টান সংস্কৃতি” হস্তান্তরের পরিবর্তে, স্থানীয় সংস্কৃতি এই দলের দ্বারা মুক্তি পেতে শুরু করে।
  • নির্যাতন বিচ্ছিন্ন নয় এবং ব্যক্তির উপর মনোযোগ প্রদান করা হয় কিন্তু গ্রুপ জুড়ে স্বাভাবিক করা হয়। তারা একে অপরকে নির্যাতনে সমর্থন করতে পারে।
  • আনন্দ ভাগ করা হয় যখন একটি পরিবার বা সম্প্রদায় একসাথে খ্রীষ্টকে আবিষ্কার করে।
  • কাফেরদের একটি দৃশ্যমান উদাহরণ আছে “আমার মত একদল লোকের জন্য খ্রীষ্টের অনুসরণ করার জন্য এটা দেখতে কেমন লাগছে।”

থেকে: আমার চার্চ বা দলের মতবাদ, ঐতিহ্যগত অনুশীলন বা সংস্কৃতি স্থানান্তর করা।
To:
একটি সংস্কৃতির মধ্যে বিশ্বাসীদের সাহায্য করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাইবেল কি বলে তা আবিষ্কার করে; তাদের তাদের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে কিভাবে বাইবেলের সত্য প্রয়োগ করতে হয় তা ঈশ্বরের আত্মা কে তাদের পথ দেখাতে দেয়।

আমরা খুব সহজেই শাস্ত্রের আদেশের মাধ্যমে আমাদের নিজেদের পছন্দ এবং ঐতিহ্যকে বিভ্রান্ত করতে পারি। একটি আন্তঃসাংস্কৃতিক পরিস্থিতিতে আমাদের বিশেষ করে নতুন বিশ্বাসীদের আমাদের সাংস্কৃতিক মালপত্র দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এর পরিবর্তে আমরা বিশ্বাস করি যে, যীশু বলেছেন: “তাদের সবাইকে ঈশ্বর শিক্ষা দেবেন” (জন ৬:৪৫, এনআইভি) এবং পবিত্র আত্মা মুমিনদের “সকল সত্যের” পথ দেখাবে( জন ১৬:১৩) আমরা এই প্রক্রিয়াকে বিশ্বাস করতে পারি। এটা করে না মানে আমরা নতুন বিশ্বাসীদের পথ দেখাতে পারি না। এর মানে এই যে, আমরা তাদের সাহায্য করি আমাদের বদলে শাস্ত্রকে তাদের কর্তৃত্ব হিসেবে দেখতে।

থেকে: স্টারবাকসের শিষ্যত্ব: “চলো প্রতি সপ্তাহে একবার দেখা করি।
To:
লাইফস্টাইল শিষ্যত্ব: আমার জীবন এদের সাথে জড়িত।

একজন আন্দোলন অনুঘটক বলেছে যে তার আন্দোলনের প্রশিক্ষক-কোচ তার সাথে কথা বলার প্রস্তাব দিয়েছে যখন ইচ্ছে… তাই তিনি তাকে প্রতিদিন তিন-চারবার অন্য শহরে ডাকতেন। যারা আবেগপ্রবণ এবং হারিয়ে যাওয়া দের কাছে পৌঁছাতে মরিয়া তাদের সাহায্য করার জন্য আমাদের এই ধরনের অঙ্গীকার প্রয়োজন।

থেকে: লেকচার – জ্ঞান স্থানান্তর করা।
প্রতি:
শিষ্যত্ব — ঈসাকে অনুসরণ করা এবং তার বাণী মেনে চলা।

যীশু বললেন, “যদি তুমি আমাকে ভালবাস তাহলে তুমি আমার আদেশ পালন করবে” (জন ১৫:১৪, এনসিভি) এবং “তুমি যদি আমার কথা মেনে চল, তাহলে তুমি আমার প্রেমে থাকবে” (জন ১৫:১০, লেখকের অনুবাদ)। প্রায়ই আমাদের গির্জা আনুগত্যের উপর জ্ঞানের উপর জোর দেয়। যাদের সবচেয়ে বেশি জ্ঞান আছে তাদের সবচেয়ে যোগ্য নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

চার্চের রোপণ আন্দোলন যীশু যা আদেশ দিয়েছেন তা মেনে চলতে শেখানোর উপর জোর দেন (মথি ২৮:২০)। জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু প্রাথমিক ভিত্তি অবশ্যই প্রথমে স্নেহশীল এবং ঈশ্বরের আনুগত্য করতে হবে।

থেকে: পবিত্র/ধর্মনিরপেক্ষ বিভাজন; ইভাঞ্জেলিজম বনাম সামাজিক কর্মকাণ্ড।
থেকে:
কথা আর কাজ একসাথে। সাক্ষাতের জন্য একটি দরজা খোলা এবং সুসমাচারের একটি অভিব্যক্তি এবং ফল হিসাবে প্রয়োজন।

পবিত্র/ধর্মনিরপেক্ষ বিভাজন বাইবেলের বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির অংশ নয়। যারা সিইভিএমে আছেন তারা শারীরিক চাহিদা পূরণ বা সুসমাচার শেয়ার করা নিয়ে বিতর্ক করেন না। কারণ আমরা যীশুকে ভালবাসি, অবশ্যই আমরা মানুষের চাহিদা পূরণ করি (যেমনটা তিনি করেছিলেন) এবং আমরা যেমন করি আমরা তার সত্য মৌখিকভাবে ভাগ করে থাকি(যেমনটা তিনি করেছিলেন)। এই সব আন্দোলনে আমরা দেখি সাক্ষাতের স্বাভাবিক অভিব্যক্তি মানুষকে শব্দের জন্য উন্মুক্ত হতে হবে অথবা সত্যের দিকে নিয়ে যাওয়া প্রশ্ন করতে হবে।

থেকে: আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডের জন্য বিশেষ ভবন।
To:
সব জায়গায় বিশ্বাসীদের ছোট ছোট জমায়েত।

চার্চ ভবন এবং বেতনপ্রাপ্ত চার্চের নেতারা একটি আন্দোলনের বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। সুসমাচারদ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে অপেশাদারদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে হারিয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যায় পৌঁছানোও নিষিদ্ধ ভাবে ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে যদি আমরা শুধুমাত্র চার্চ ভবন এবং বেতনপ্রাপ্ত কর্মচারীদের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। বিশ্বের অন্যান্য অংশে যেখানে কম আর্থিক সম্পদ এবং অপৌঁছানো মানুষের উচ্চ শতাংশ আছে!

থেকে: প্রশিক্ষণ না নেওয়া পর্যন্ত প্রচার করবেন না। থেকে: আপনি যা অভিজ্ঞতা করেছেন বা জানেন তা শেয়ার করুন। যিশুর কথা শেয়ার করা স্বাভাবিক এবং স্বাভাবিক।

নতুন বিশ্বাসীদের কতবার বিশ্বাস করার পর প্রথম কয়েক বছর বসে শুনতে বলা হয়? এটা প্রায়ই অনেক বছর সময় নেয় যে তারা যে কোন উপায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। আমরা লক্ষ্য করেছি যে বিশ্বাস বাঁচানোর জন্য একটি পরিবার বা সম্প্রদায়কে নেতৃত্ব দেবার জন্য সবচেয়ে ভালো মানুষ সেই সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ। এবং তাদের জন্য এটা করার সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে যখন তারা নতুন বিশ্বাসে এসেছে, নিজেদের এবং সেই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করার আগে।

গুণ সবাইকে জড়িত করে এবং মন্ত্রণালয় সর্বত্র ঘটে। একজন নতুন/অনভিজ্ঞ ইনসাইডার একজন অত্যন্ত প্রশিক্ষিত প্রাপ্তবয়স্ক বহিরাগতের চেয়ে বেশি কার্যকরী।

থেকে: যত বেশি সম্ভব জিতুন।
To:
অনেক জিততে অল্প (অথবা এক) উপর মনোযোগ দিন।

লুক ১০-এ যীশু এমন একটা সংসার খুঁজতে বললেন যা তোমাকে পাবে। যদি কোন শান্তিলোক থাকে তবে তারা তোমাকে গ্রহণ করবে। তখন সংসার থেকে সংসারে ঘুরে বেড়াবেন না। আমরা প্রায়ই দেখি এই প্যাটার্ন নিউ টেস্টামেন্টে প্রয়োগ করা হচ্ছে। কর্নেলিয়াস, জ্যাকচেউস, লিডিয়া অথবা ফিলিপাইনের কারাবন্দী যাই হোক না কেন, এই ব্যক্তি তাদের পরিবার এবং বৃহত্তর সম্প্রদায়ের জন্য প্রধান অনুঘটক হয়ে ওঠে। কঠোর পরিবেশে আন্দোলনের একটি বৃহৎ পরিবার আসলে স্বতন্ত্র পরিবারের নেতাদের বদলে আদিবাসী নেতা বা নেটওয়ার্ক নেতার উপর মনোযোগ প্রদান করে।

সকল জাতির শিষ্য বানানোর জন্য, আমাদের শুধু আরো ভাল ধারণার প্রয়োজন নেই। আমাদের শুধু অতিরিক্ত ফলপ্রসূ অনুশীলনের প্রয়োজন নেই। আমাদের একটা আদর্শ পরিবর্তন দরকার। এখানে উপস্থাপিত মাইন্ডশিফটগুলো সেই পরিবর্তনের বিভিন্ন দিককে প্রতিফলিত করে। আমরা যে পর্যায়ে কুস্তি এবং প্রয়োগ তাদের মধ্যে যে কোন আমরা সম্ভবত আরো ফলপ্রসূ হব। কিন্তু যখন আমরা পুরো প্যাকেজটি কিনি – সিপিএম ডিএনএ-এর জন্য ঐতিহ্যবাহী চার্চের ডিএনএ-তে বাণিজ্য – আমরা কি আশা করতে পারি যে দ্রুত প্রজন্মের আন্দোলন কে অনুঘটক করতে হবে যা আমাদের নিজেদের সম্পদের চেয়ে অনেক বেশি।

 

 

এলিজাবেথ লরেন্সের ২৫ বছরের ওবেশী আন্তঃসাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রশিক্ষণ, পাঠানো এবং সিপিএম দলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া, অপৌঁছানো রদের জন্য প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণ, এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করা, ইউপিজি থেকে আসা শরণার্থীদের মধ্যে বাস করা এবং মুসলিম প্রেক্ষাপটে একটি বাম প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দেওয়া। তিনি শিষ্যদের গুণ করতে আগ্রহী।

মে-জুন ২০১৯ সংখ্যায় মিশন ফ্রন্টিয়ার্স, www.missionfrontiers.org এবং বইয়ের ৫৫-৬৪ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে- সকল মানুষের জন্য একটি সাক্ষ্য, যা ২৪:১৪ বা আমাজন থেকে পাওয়াযাবে।

Categories
কেস স্টাডি

আন্দোলনগুলির কোভিড-১৯-এর প্রতি প্রতিক্রিয়া – ভাগ ১

আন্দোলনগুলির কোভিড-১৯-এর প্রতি প্রতিক্রিয়া – ভাগ ১

– ডেভ কোল্স দ্বারা সংকলিত –

সমগ্র বিশ্ব কোভিড-১৯ মহামারী দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে৷ বিভিন্ন দেশ, অঞ্চল, গোষ্ঠীগুলি বিভিন্নরূপে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে৷ একটি একক ভাইরাস একটি বিস্তৃত পরিসর ফলাফল ও প্রতিক্রিয়া নিয়ে এসেছে৷ যেখানে বিশ্বজুড়ে ভয় ও আত্ম-সুরক্ষা অনেকের হৃদয়কে আয়ত্ত করে রেখেছে, সেখানে মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনের ঈশ্বরের সন্তানেরা এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে নানান উপায়ে ঈশ্বরের রাজ্যকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার জন্য প্রতিক্রিয়া জানায়৷ “আমরা সবাই একই ঝড়ের মধ্যে আছি, কিন্তু আমরা সবাই একই নৌকায় নেই৷”

“আমরা সবাই একই ঝড়ের মধ্যে আছি, কিন্তু আমরা সবাই একই নৌকায় নেই৷”

বিশ্বের বিভিন্ন অংশের আন্দোলনের নেতারা ঈশ্বরের লোকেদের মধ্যে তাদের নিজ নিজ অবস্থানের নিম্নোক্ত কিছু প্রতিক্রিয়াগুলি জানিয়েছেন৷

আফ্রিকার এক নেতা বললেনঃ “মানুষেরা তাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে ইচ্ছাপূর্বক ভাবে চিন্তা করছে – শারীরিক ও আত্মীক উভয় চাহিদাগুলি সম্পর্কে৷” দক্ষিণ এশিয়ার এক নেতা এভাবে জানালেনঃ “যত বেশী জনকে সম্ভব আমরা খাওয়াচ্ছি কারণ যীশু খ্রীষ্ট খাইয়েছিলেন; তারপরে আমরা তাদের বলি যে যীশু খ্রীষ্ট আত্মীক খাদ্যও দিয়েছিলেন এবং জিজ্ঞেস করি তারাও যদি আত্মীক খাদ্য চায়৷ তারা এই লকডাউনে থাকা সত্বেও, আমি কখনো এতবেশী লোকেদের বিশ্বাসে আসতে দেখি নি৷” অন্য এক নেতা কিছু ব্যক্তিদের বলিদানের ব্যাখ্যা করেন, অন্যদের আশির্বাদ করার জন্যঃ “বর্তমানে আমাদের ৩০জন ব্যক্তি নিজেদের এক বেলার খাওয়া পরিত্যাগ করে খাদ্য বিতরণ করছেন৷”

এই হাত-খোলা আশির্বাদ করার প্রক্রিয়া প্রভু যীশুর নামে বহু স্থানে সুসমাচারের ফল উৎপাদন করছে৷

এই হাত-খোলা আশির্বাদ করার প্রক্রিয়া প্রভু যীশুর নাম বহু স্থানে সুসমাচারের ফল উৎপাদন করছে৷ এশিয়ার এক নেতা বললেনঃ “লকডাউন থেকে আমরা ৩৫টি নতুন গৃহমণ্ডলী শুরু করেছি এবং প্রায় ৩০০০ লোকেদের খাদ্য প্রদান করেছি৷ তাদের মধ্যে অনেকেই খ্রীষ্টে এসেছে এবং আমরা লকডাউনের পর অন্যান্য প্রদেশে ছত্রভঙ্গ হয়ে ছড়িয়ে থাকা লোকদের অনুসরণের পরিকল্পনা করছি৷ প্রতিবেশীদের আশির্বাদ দেওয়ার জন্য, তাদের জন্য প্রার্থনা করা, এবং স্বল্পজন গিয়ে সাক্ষাৎ করার জন্য আমরা বিশ্বাসীদের উৎসাহিত করছি৷ প্রত্যেক গৃহমণ্ডলী তাদের প্রতিবেশীদের আশির্বাদ দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে৷ প্রায় প্রতিদিনই, বিশ্বাসীরা বাইরে যাচ্ছে, এবং এখনও পর্যন্ত ৪০০০ ব্যক্তিদের প্রচার করেছে, ও ৬৩৪ জন বিশ্বাস করেছে৷”

আবার, দক্ষিণ এশিয়া থেকেঃ আমাদের জাতীয় অংশীদাররা চাহিদাপূরণ ও খাদ্য সরবরাহের জন্য সুযোগের সনাক্তকরণ করে একটি দুর্দান্ত কাজ করেছেন৷ তারা সুসমাচার প্রচারের প্রত্যেকটি সুযোগ গ্রহন করেছে ও ক্ষেত্র জুড়ে অসংখ্য পরিত্রাণ দেখেছে৷ এমনকি লকডাউন থাকা সত্বেও কয়েকটি বাপ্তিস্মও হয়েছে ! খাদ্য বিতরণ সুসমাচার প্রচার ও অনুসরণের জন্য একটি প্রাকৃতিক সুযোগের দ্বার খুলে দিচ্ছে৷ আমাদের নেতারা সামাজিক প্রতিবন্ধকতার উপর স্থানীয় বিধিনিষেধগুলির প্রতি অত্যন্ত সতর্ক ও সচেতন এবং অনেক ক্ষেত্রে খাদ্য সবরাহের জন্য আধিকারিকদের কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি সংগ্রহ করতে হয়েছে৷”

অন্য এশীয় নেতাদের প্রতিবেদনগুলিঃ “আমাদের অনেক নেতারা আমাদের না জানিয়ে, তাদের প্রতিবেশীদের পরিচর্যা করেন ও খাবার বানিয়ে দেন; তারা ইচ্ছাকৃতভাবে দিয়েছেন ও তাদের প্রয়োজনকে দেখেছেন৷” তিনি যোগ করেনঃ “আমাদের শিষ্য তৈরী করার প্রতি কেন্দ্রীভূত হতে হবে; এখন এটি [ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া] পাওয়া অনেক সহজ কিন্তু আমাদের তাদেরকে ঈশ্বরের বাক্য থেকে খাওয়াতে হবে৷” 

আন্দোলনের নেতারা সুযোগের জন্য ঈশ্বরের বুদ্ধির খোঁজ করছে – শুধুমাত্র বর্তমান সঙ্কটের জন্য নয়, কিন্তু ভবিষ্যতের জন্যেও৷ একজন আফ্রিকান নেতা বলেনঃ “আমরা অগ্রসর হওয়ার জন্য সৃজনশীল হতে এবং আমাদের এলাকার সেই স্থানগুলিতে পৌঁছানোর জন্য সমস্ত সুযোগগুলিকে প্রয়োগ করে সঙ্কটের প্রতি সাড়া দিতে শিখেছি৷ আমরা প্রার্থনা করছি যখন সঙ্কট শেষ হবে ফসল কাটার জন্য আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নেব৷” অন্যজন যোগ করেনঃ “বড় প্রতিদ্বন্দিতা বড় আশ্চর্যকর্ম উৎপন্ন করে ৷ আমরা পরিযোজনা করছি সঙ্কট শেষের পর ঈশ্বর কি করতে চান যে আমরা করি৷ একটি বিশাল সুযোগ রয়েছে৷”

অনেক স্থানে, লোকেরা নতুন উপায়ে ঈশ্বরের দিকে ফিরছেনঃ “লোকেরা প্রভুর কাছ থেকে শোনার জন্য উন্মত্ত হয়ে গেছে৷ লোকেরা জরুরি অবস্থাকে চিনতে পেরেছেন – বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর সংখ্যা দেখে৷ অনেকগুলি প্রার্থনার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে৷”

ঈশ্বর আন্দোলনের সাথে এই সঙ্কটকেও নানান ভাবে অন্যদের যুক্ত করেছেন৷ এক নেতার প্রতিবেদনগুলিঃ “অতীতে, অট্টালিকা মণ্ডলীগুলি ডি.এম.এম.-কে পছন্দ করতো না৷ এখন এই মণ্ডলীগুলিই গৃহমণ্ডলীর নমুণাতে জোর দিচ্ছে এবং আমাদের কাছে সাহায্য চাইছে৷ এই নেতাদের তাদের লোকেদের সঙ্গে যুক্ত রাখতে আমরা প্রতিদিনই বাইরে যাচ্ছি৷ কিভাবে গৃহমণ্ডলী চালাতে হবে তার জন্য আমরা তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি৷” অন্যজন বলেনঃ “সরকরের মাধ্যমে মিডিয়াতে বিরাট প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছে৷ অনেক স্থানে আমাদের কাছে ইন্টারনেট নেই, কিন্তু আমরা ৭জনের সাথে দূরভাষ-সম্মেলন করতে পারি৷ আমরা তাদের সকলের সাথে প্রতি দু’সপ্তাহে বৈঠক করি, এবং প্রতি সপ্তাহে তারা একে অপরের সাথে বৈঠক করে৷ আমাদের একটি বাইবেল অধ্যয়ন হয় যেখানে ফোনের মাধ্যমে প্রচার করা হয়৷” 

এই কয়েকটি উপায়ে আন্দোলনগুলি কোভিড-১৯-এর প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায়৷ আমরা ঈশ্বরকে প্রশংসা দিই যে এই মহামারীর সময়েও তাঁর গৌরব প্রকটের জন্য এই লোকেদের দ্বারা কাজ করছেন৷ [লিঙ্ক ভাগ ২ এ]

Categories
কোর ভিশন

কেন সহযোগিকেতা দেবেন?

কেন সহযোগিকেতা দেবেন?

– ক্রিস্ ম্যাকব্রাইড দ্বারা লিখিত –

জগত পরিবর্তন হচ্ছে, এবং যোগাযোগের শক্তি পরিপক্কতায় আসছে৷ যখন অনেকেই একসাথে একটি দর্শনের পরিপূরণে যুক্ত হয় তখন কি ঘটে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলি তার অসংখ্যা উদাহরণগুলি আমাদের দেখিয়েছে৷

মহান আদেশ একত্রে সম্পাদন করার জন্য, ২৪:১৪ খ্রীষ্টীয় দেহের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে দানকারীদের জন্য একটি পথের প্রস্তুতি করে৷ আমাদের সাধারনভাবেঃ “চলো একসাথে করি” বলার চেয়ে আরও বেশী কিছুর প্রয়োজন৷ সহযোগিতায় সাফল্যতাপ্রাপ্ত সাম্প্রতিক উদাহরণগুলি আমাদের কিছু প্রয়োজনীয় উপাদানগুলি দেখায়৷

সহযোগিতার জন্য স্পষ্ট দর্শন

২৪:১৪-এর দর্শন হলো প্রত্যেক গোষ্ঠীর লোকেদের জন্য বিশ্বব্যাপী সমস্ত স্থানে এক বিশ্বাসী সম্প্রদায় যা একটি মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনে শিষ্যের সংখ্যা বৃদ্ধিতে ধ্যান কেন্দ্রীভূত করে৷ এই স্তরের স্পষ্টতাই সমগ্র বিশ্বের বিশ্বাসীদের এই শক্তিশালী দর্শনে নিজের অবদান রাখতে অনুমতি দেয়৷ 

সহযোগিতার জন্য স্পষ্ট গঠনতন্ত্র

আমাদের ২৪:১৪ সমাজ তথ্য, সম্পদ, প্রশিক্ষন, প্রশিক্ষা, শিক্ষা এবং উৎসাহ প্রদান করে একে অপরকে সমর্থন করে৷ সংস্থা ও সমর্থনকারী সহযোগী আঞ্চলিক এবং উপ-আঞ্চলিক দলগুলি স্থানীয় স্তরে পদক্ষেপ গ্রহণ করে৷ আমরা কোন অগ্রিম সাংগঠনিক বিষয়সূচি বা প্রণালীবিদ্যার লক্ষ্য রাখছি না৷ আমরা আমাদের সম্প্রদায়ের প্রতিটি সংস্থান, মণ্ডলী, দল, আন্দোলন ও যোগাযোগের সাফল্যতা প্রচার করি৷ 

সহযোগিতার জন্য সমর্থনের কাঠামো নির্মাণ

সহযোগিতার প্রচেষ্টার মধ্যে সেরা অনুশীলনগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠের প্রকাশ করেছিলঃ সহযোগিতার জন্য কঠিন পরিশ্রমের প্রয়োজন৷ বেশীর ভাগ মণ্ডলী, যোগাযোগ, সংস্থা, ও আন্দোলনগুলি মধ্যে তাদের আলোচ্যসূচিগুলিতে একটি বিশাল চুক্তি থাকে৷ অগ্রণী সহযোগিতা প্রায়শই তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে নিবেদিত কার্য গ্রহণ করে থাকেঃ যেই ধারণাকে আমরা “সহযোগী মেরুদণ্ড” বলে থাকি৷

প্রথম সাক্ষাতে আমরা কোন ব্যক্তির মেরুদণ্ড দেখতে পাই না, কিন্তু তাদের যদি এটি না থাকে তাহলে আমরা লক্ষ্য করতে পারি ! একটি মেরুদণ্ড সমর্থনের কাঠামো প্রস্তুত করে যা শরীররের বাকি অংশগুলিকে একসাথে পরিচালিত হতে সক্ষম করে৷ একটি সহযোগী মেরুদণ্ড মণ্ডলী, যোগাযোগ, সংস্থা, ও আন্দোলনগুলিকে অনুমতি প্রদানের দ্বারা এমন প্রচেষ্ঠা সংগঠন করে, যার মাধ্যমে এক সাধারণ লক্ষ্যের অভিমুখে একসাথে কার্য পরিচালনা করা যায়৷

সহযোগিতার লক্ষ্যকে সংজ্ঞাবদ্ধ করা

২৪:১৪’র নেতৃত্বকারী দল আমাদের মেরুদণ্ডকে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যগুলিসহ কর্মভার প্রদান করেছেঃ

  • শিষ্যবৃদ্ধিকারী আন্দোলনগুলির জন্য প্রার্থনা ও উপবাসের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার বিস্তৃতি৷
  • একদল গবেষকদের গভীর বিকাশ ও উপাত্ত ভাগ করা যা নির্ভরযোগ্যভাবে প্রাদেশিক স্তরে ফাঁকগুলিকে সনাক্ত করে৷
  • ৩২টি প্রান্তের নথিভুক্তকরণ, মূল্যায়ণ, এবং কর্ম পরিকল্পনা উদযাপনের জন্য সংগঠিত একটি বিশ্বব্যাপী কৌশলকে উন্নত করা ৷
  • নিয়মিত প্রজ্ঞপ্তির সাথে ব্লগ বিষয়ক, পুস্তক, জার্নাল প্রবন্ধ, ও সোসাল মিডিয়া পোস্টগুলির প্রকাশনা করা৷
  • অভিজ্ঞত আন্দোলনের পরামর্শদাতাদের দ্বারা সমর্থনের পর্যায়ক্রমে সুগম সম্প্রদায়্গুলিকে সজ্জিত করা৷
  • আন্দোলনের অনুশীলনকারীদের জন্য আরও সুগম মিশ্র পরাগায়ন৷
  • মহান আদেশের ব্যবধান প্রকল্পগুলিতে মণ্ডলী, ভিত্তি এবং দাতাদের একটি জোটকে পরামর্শের দ্বারা সংস্থানগুলিকে একত্রিত করা৷

আমরা বিশ্বাস করি মহান আদেশের চারপাশে সহযোগিতা এক বিশ্বাসীর দ্বারা কৃত একটি সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যয়৷ রাজ্যের দানের জন্য কোথায় ব্যয় করবেন বলে যখন আপনি বিবেচনা করেন, দয়া করে একটি মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনের সাথে প্রত্যেকটি ব্যক্তি ও স্থানকে যুক্ত করার সমর্থনের সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রার্থনাপূর্বক বিবেচনা করবেন৷

Categories
কোর ভিশন

আঞ্চলিক দলগুলির ক্ষমতা

আঞ্চলিক দলগুলির ক্ষমতা

– ক্রিস্ ম্যাকব্রাইড দ্বারা লিখিত –

যদি আমি বিদ্যালয়ে গুনাত্বকের ক্ষমতা বিষয়ে না শিখে থাকি, তবে কোভিড-১৯ থেকে সম্ভবত এটি শিখে গেছি৷ 

২০২০ সালের প্রথমার্ধ একটি শিক্ষা দিয়েছে যা মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনগুলি বছরের পর দেখিয়ে আসছেঃ একটি ভাইরাসের সংখ্যাবৃদ্ধি দ্বারা একটি এলাকাকে ভরাট করেছে… কিংবা রাজ্যের শিষ্যেরা সেটা কোনো উপায়ে করতে পারত না ! যোগাযোগের সম্প্রদায়গুলি প্রভাবের বৃদ্ধি করে, কারণ তারা বহুসংখ্যাক নেতাদের ব্যক্তিগত ভাবে যীশু খ্রীষ্টের বাধ্য হওয়ার জন্য ক্ষমতাশীল করে৷ যখন আত্মা দ্বারা চালিত আঞ্চলিক নেতারা যারা তাদের সম্প্রদায়ের সাথে পরিচিত তাদের নেতৃত্বের নমুণা প্রদান করতে শুরু করে, তখন সংক্রমণের প্রভাব শীঘ্রই অনুসরণ করে৷ 

২৪:১৪ হলো একটি সহযোগী সম্প্রদায়৷ আমরা এক সাধারণ দর্শনের জন্য একত্রে কার্য করিঃ সংখ্যাবর্ধক শিষ্য তৈরী এবং মণ্ডলী স্থাপণের সাথে বিশ্বব্যাপী সমগ্র গোষ্ঠীর ব্যক্তি ও বিশ্বব্যাপী সমস্ত স্থানকে যুক্ত করছি৷ বিচিত্র ব্যক্তি ও সংস্কৃতির এক জগতে আমরা কিভাবে সর্বোত্তম কার্য করতে  পারি?

অতীতের সহযোগী প্রচেষ্টাগুলি প্রায়ই বিফল হয়েছে কারণ সহযোগিতার জন্য তারা এক “সর্বনিম্ন সাধারণ হর” পদ্ধতির প্রয়োগ করেছিল৷ অনেক লোকেরা তাদের সহযোগিতায় বিচিত্র আলোচ্যসূচির অনুধাবন করেছিল, প্রশস্ত দর্শনের চারপাশে অন্তর্ভুক্তির অর্থ ছিল যে লক্ষ্যগুলিকে প্রশস্ত থাকতে হয়েছিল৷ কারণ লক্ষ্যগুলিকে প্রায়ই বিশ্বব্যাপী ও সাধারণীকরণ করা হতো, অংশগ্রহনকারীদের উপায় খুঁজতে অসুবিধে হয়েছিল তারা অর্থপূর্ণভাবে বৃহত্তর লক্ষ্যে অবদান দিতে পারে৷ 

২৪:১৪ আঞ্চলিক দলগুলি তাদের বিগত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চেষ্টা করে৷ অঞ্চলগুলিতে অনুরূপ ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, সুরক্ষা, ও প্রভাবশালী ধর্মীয় পৃষ্ঠভূমিগত দলগুলি গঠন করে, দলগুলিতে ভিন্নতার চেয়ে বেশী কারণগুলি রয়েছে৷ যখন কোনো ধার্মিক দল মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনগুলি শুরু করার জন্য শিষ্য তৈরীর নেতার দ্বারা গঠিত হয়, তখন সাফল্যতার জন্য তাদের কাছে একটি স্পষ্ট পথ থাকে৷ আঞ্চলিক দল মণ্ডলীর সংখ্যাবৃদ্ধি, কৌশলগত পরিকল্পনা, প্রার্থনা, ও সম্পদের বন্টনের ফাঁকগুলি পূরণ করতে সহযোগিতা করতে পারে৷ এইভাবে অন্যান্য অনেকেই এই পথে হাঁটার জন্য উৎসাহ ও সমর্থণ খুঁজে পায়৷

আঞ্চলিক দলগুলি এক বিশ্বব্যাপী দর্শনকে অনেকগুলি অঞ্চলে বহুগুনে পরিণত হতে অনুমতি প্রদান করে৷ যেমন এই দলগুলি সফলভাবে পরিচালিত করে, তারা একটি দেশীয় স্তরে, তারপরে একটি প্রদেশ স্তরে, তারপর এক জেলা স্তরে সহযোগী সম্প্রদায় গঠনের জন্য উৎসাহ দেয়৷ যেমন সম্পর্ক গঠিত হয় ও বিশ্বাস গড়ে ওঠে, শক্তি বাড়তে শুরু করে, হারানোদের কাছে পৌঁছানো হয় এবং ফাঁকগুলি পূরণ হয়৷

প্রত্যেক অঞ্চলের আন্দোলনের নেতাদের দ্বারা সম্পর্কের মাধ্যমে প্রত্যেক অঞ্চলের জন্য নেতৃত্বকারী দলগুলি গঠিত হয়৷ বেশির ভাগ অঞ্চলের নেতারা বৃহত্তর আন্দোলনগুলি চালিয়েছেন যা অন্যান্য এলাকায় নতুন কার্যগুলি শুরু করেছিল এবং বহু বছর ধরে বিশ্বব্যাপী অন্যান্য নেতাদের সাথে চলেছিল৷ আঞ্চলিক নেতাদের যোগাযোগের মধ্যে মজবুত সম্পর্ক ও পারস্পরিক বিশ্বাস, বছরের পর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ 

আমাদের ২৪:১৪ সম্প্রদায় একে অপরের সমর্থনের জন্য বিশ্বব্যাপী একসাথে কার্য করে৷ জ্ঞানের বন্টন, সরঞ্জামের বন্টন, সম্পদের বন্টন, ও অভিজ্ঞতাগুলির বন্টন যোগাযোগকে দ্রুত ছড়াতে সাহায্য করে৷ আমাদের সম্প্রদায়ের ক্ষমতা আমাদের অঞ্চলগুলির দ্বারা বিতরণ করা হয়…. এবং শেষ পর্যন্ত আপনার কাছে৷

Categories
কোর ভিশন

২৪:১৪ – এক কাহিনী

২৪:১৪ – এক কাহিনী

– ক্রিস্ ম্যাকব্রাইড দ্বারা লিখিত –

পুরানো কোষাগারের পাশাপাশি নতুনও

১৯৯০ সালের প্রথম দিকে বিশ্বব্যাপী মণ্ডলীর একটি ভালো মরসুম ছিল৷ আমরা কঠিন পরিশ্রম করেছিলাম এবং উৎসাহজনক  বিষয়গুলি ঘটেছিল৷ লোহার পর্দাটি খোলা হয়েছিল ও লোকেরা খ্রীষ্টের কাছে আসতে শুরু করেছিল৷

কিন্তু আমরা স্থানগুলিতে পৌঁছেও কঠিনতম স্থানে পৌঁছোতে পারছিলাম না৷ খ্রীষ্ট ব্যতীত সমগ্র গোষ্ঠীর লোকদের প্রাণ বংশানুক্রমে চিরন্তনে প্রবেশ করছিল৷ বিশ্ব জনসংখ্যা ব্যাপকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল, কিন্তু মণ্ডলীর নয়৷ 

তখন কিছু অপ্রত্যাশিত বিষয় ঘটেছিল৷ সুসমাচারের বার্তাবাহকেরা খ্রীষ্টের মূল আজ্ঞাগুলির প্রতি নতুন করে দেখতে শুরু করাতে বিরাট সাফল্যতাগুলি প্রকট হতে থাকে৷ ভারত থেকে আশ্চর্যজনক সংবাদ এসেছিল৷ চীন থেকে৷ দক্ষিণপূর্ব এশিয়া থেকে৷ তারপর আফ্রিকাতেঃ সাধারণ, শিষ্যদের সংখ্যাবৃদ্ধির সুবিধার্থে পুনরুৎপাদনকারী নমুণা৷ ক্ষমতাপ্রাপ্ত শিষ্যরা প্রভু যীশুর আজ্ঞা পালন, শিষ্য তৈরী, এবং নতুন মণ্ডলীগুলিতে জমায়েত হয়৷ হারানোদের মাঝে এই সংখ্যাবৃদ্ধিকারী মণ্ডলীগুলি ব্যাখ্যামূলক ছিল৷ প্রারম্ভিক মণ্ডলীগুলিতে যেমন এই ধরনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটেছিল (যেমন প্রেরিতের পুস্তকে লিখিত আছে) এবং কেবলমাত্র মণ্ডলীর ইতিহাসের মাঝেমধ্যেই (যেমন আয়ারল্যান্ডের প্যাট্রিক’এর পরিচর্য্যার ওয়েস্লিয়ান আন্দোলনের প্রথম দিকে)৷

পুরাতন প্রজ্ঞা থেকে নতুন ধনের উদয় হয়েছিল৷

আত্মা বাহিত হয় 

২০০০ সালের উদ্বোধনী দশকের অগ্রগতির সাথে, আরো প্রচুর এই ধননের মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনগুলি (সি.পি.এম. গুলি) উত্থিত হতে শুরু করে৷ (সি.পি.এম. হলো এক ছত্র শব্দ যা আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ মণ্ডলীগুলি দ্বারা শিষ্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার আন্দোলনগুলিকে ব্যাখ্যা করতে ব্যবহার করি৷) ২০০৭ সালের মধ্যে, মিশিওলজিস্ট’রা  ৩০ টিরও বেশী সি.পি.এম.গুলির গতিবিধির প্রতি লক্ষ্য রেখেছে৷ ২০১০ সালে, তারা ৬০টিরও বেশী গণনা করতে পেরেছিল, যার মধ্যে বেশির ভাগ একে অপর থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবে শুরু করেছিল৷ তারপরে সংখ্যাটি ১০০ ছাড়িয়ে যায়৷ যেখানে বেশীর ভাগ আন্দোলনগুলি ধৈর্য্য ধরেছিল ও কিছুটা শেষ হয়ে গেলেও, অবিরত হারানোদের কাছে পৌঁছানোর জন্য শিক্ষা ও সংখ্যায় বৃদ্ধি করার জন্য কর্মীরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার আন্দোলনকে চালু রাখে৷ 

আন্দোলনগুলি যেমন অবিরত সংখ্যায় বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং প্রভাবে ছড়িয়ে পড়ে, অনেক নেতারা বুঝতে পেরেছিল যে এটি হলো মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনের উপর আত্মার হাওয়া বাহিত হচ্ছে৷ লক্ষ লক্ষ নতুন বিশ্বাসীরা রাজ্যে প্রবেশ করছিল৷ এটি সময় ছিল পাল তুলে ধরার৷

একটি সম্প্রদায়ের জন্ম 

২০১৭ সালে, ২৪:১৪ এর জন্মগ্রহণ দু’টি আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলনের পর হয়েছিল যেখানে মিশন সংগঠন, মণ্ডলী, যোগাযোগ ও আন্দোলনগুলির বিশ্বব্যাপী নেতারা জমায়েত হয়েছিলেন যারা ইতিমধ্যেই সি.পি.এম.এর দ্বারা সুসমাচার অপ্রাপ্তদের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিলেন৷ আমরা একটি সাধারণ প্রশ্নে জড়িয়ে পড়িঃ

আমাদের প্রজন্মের প্রতিটি সুসমাচার অপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও স্থানের মধ্যে একত্রে প্রার্থনা ও কার্যের দ্বারা রাজ্যের আন্দোলনগুলি শুরু করতে আমাদের কি করতে হবে ?”

পবিত্র আত্মা ২৪:১৪ এর শীর্ষ সম্মেলনে অংশকারীদের সুসমাচার অপ্রাপ্তদের নিযুক্ত করার জন্য নম্রভাবে এক সমন্বিত প্রচেষ্টায় অনুধাবন করতে চালিত করেন – বিশেষত ২০২৫ সালের মধ্যে ত্যাগী তৎপরতার সাথে মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনগুলির দ্বারা৷ ফলাফলস্বরূপ, আমরা একই মনোবৃত্তির সংগঠন, মণ্ডলী ও বিশ্বাসীদের একটি বিশ্বব্যাপী জোট শুরু করি – ঈশ্বরের-আকারবিশিষ্ট এই দর্শনকে পরিপূর্ণ হতে দেখতে – যা ২৪:১৪ হিসাবে পরিচিত৷

একত্রে গড়ে তোলা 

২০১৭ সাল থেকে, আমরা সেই দর্শনকে একত্রে তীক্ষ্ণ করে চলেছিঃ প্রত্যেক স্থানের প্রত্যেক ব্যক্তি এক বিশ্বাসীদের সম্প্রদায়ের সাথে একটি মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনে যীশু খ্রীষ্টের শিষ্যদের সংখ্যাবৃদ্ধির প্রতি মনোনিবেশ করে৷ আমরা ভালো ভূমিতে এই বীজ পড়তে দেখি ও রাজার জন্য উপযুক্ত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত একটি ফসলে পরিণত হওয়ার প্রতি নজর রাখি এবং কার্য করি৷

২৪:১৪ হলো একটি সহযোগী সম্প্রদায় যারা মণ্ডলী স্থাপণের আন্দোলনগুলির অনুঘটন ও সমর্থন করতে সাহায্য করে৷ আমরা কোনো সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন করি না; আমরা একমাত্র যীশু খ্রীষ্টের সেবার জন্য সহযোগী ঐক্যের মধ্যে কার্য করি৷

Categories
আন্দোলন সম্পর্কে

আন্দোলনগুলির সংখ্যাবৃদ্ধিতে বহিরাগতদের ভূমিকা

আন্দোলনগুলির সংখ্যাবৃদ্ধিতে বহিরাগতদের ভূমিকা

২০১৯ সালে, ৩০টিরও বেশী আন্দোলনের অনুশীলোনকারীরা মিশনারী প্রশিক্ষণের নতুন নমুণাগুলির অনুসন্ধান করতে একত্রিত হয়েছিলেন৷ সেই সমাবেশের মধ্যে ছিলেন অ-পাশ্চাত্য আন্দোলনের শিষ্য নির্মাণকারী নেতারা এবং পাশ্চাত্য মিশনের কর্মীগণ৷ একটি অধিবেশন চলাকালীন, তাদের অঞ্চলের নতুন কার্যগুলির অনুঘটনে বহিরাগতদের ভুমিকার প্রতি তাদের অন্তর্দৃষ্টির কথাগুলি বলা হয়েছিল৷ তারা সুসমাচার অপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রবেশের সঙ্গে বহিরাগতদের জন্য শ্রেষ্ঠ ভঙ্গিমার বর্ণনা করেন৷ 

তাদের অন্তর্দৃষ্টিগুলি দশটি সুপারিশগুলিতে সংক্ষিপ্ত করা যেতে পারে৷ যে কেউ মিশনের ক্ষেত্রে যেতে চায় কিংবা ক্ষেত্রে কর্মীদের পাঠাতে চায় তাদের ধ্যান দিয়ে এগুলি শোনা দরকারঃ

১. একটি উদাহরণ হওয়া৷ বহিরাগতদের এক “বিশ্বাসযোগ্য পথে”র প্রয়োজন৷ শিষ্যদের তৈরী ও মণ্ডলী স্থাপণের সঙ্গে পরীক্ষা ও কষ্ট জড়িত থাকে৷ এই বিষয়গুলি বহিরাগতদের মধ্যে এমন গভিরতা সৃষ্টি করে যা অভ্যন্তরীণরা লক্ষ্য করে ও অনুভব করে৷ তারা সেই পথগুলিতে চলার মাধ্যমে যেই ধৈর্য্য ও নম্রতা উৎপন্ন হয় তার প্রশংসা করে৷ নমুনার মধ্যে শুধু ধর্মতত্ব বা সরঞ্জামগুলিই থাকে না৷ এটি হলো প্রার্থনা, পরিশ্রম, উদ্যম, দায়িত্ব প্রদান, এবং ঈশ্বরের প্রতি নির্ভরযোগ্য হওয়ার জীবনশৈলী৷

২. সম্পর্কযুক্ত হওয়া৷ স্থানীয়রা একটি ভিন্নতা অনুভব করতে পারে যখন, কোন বহিরাগত, আন্দোলন পদ্ধতিগুলির জন্য একটি আগ্রহের সাথে আসে যা মানুষের জন্য ভালবাসার চেয়েও বেশী৷ কৌশল সম্পর্কের আগের থাকে৷ সম্পর্কযুক্ত সংস্কৃতির লোকেদের ওপর কৃতজ্ঞ কাজ পাওয়া হলো একটি মাত্রাতিরিক্ত-লেনদেনের ইচ্ছা৷ আমাদের বৈঠকগুলিতে আন্দোলনের নেতারা আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলেন যে পাশ্চাত্য বহিরাগতরা “সীমানা” সম্পর্কে কতটা কথা বলেন, স্থানীয় লোকেদের চাহিদা ও দৃষ্টিকোণের কথা বিবেচনা না করেই তারা বাহু’র দৈর্ঘ্য ধারণ করেছিলেন৷ অতিরিক্তভাবে, স্থানীয় বিশ্বাসীরা বহিরাগতদের’ বিশাল সরঞ্জাম ও পদ্ধতিগুলির দ্বারা বিশেষ প্রভাবিত হয় নি৷ যাদের সাথে তারা অংশীদার, তাদের প্রেম ও সম্মান করতে জানতে হবে৷ পরিবারের মতো হয়ে ওঠার কার্যটি খুব ধীর অনুভব হতে পারে, কিন্তু এটি ফলপ্রসূতার শ্রেষ্ঠ পথ প্রস্তুত করে৷ 

৩. নম্র হওয়া৷ জগত এক অনুক্রমিক পরিকাঠামোর ওপর কার্য করে৷ বিপরীতে, প্রভু যীশু বলেছিলেন, “তোমাদের মধ্যে সেরূপ নয়” (মার্ক ১০:৪৩ পদে)৷ এক মালিকের মতো আসা নয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণ নেতাদের সাথে এক বন্ধুর মতো ব্যবহার করা৷ তাদের ক্ষমতাশীল করা এবং নিয়ন্ত্রণ প্রদান করা (এমন কিছু যা আমাদের অনেকের জন্য করা কঠিন হয় !)৷ নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনগুলিকে হত্যা করতে থাকে তা জেনে, “একটি আয়তাকার নয়, এক বৃত্তাকার মেজ” স্থাপণের জন্য কার্য করতে হবে৷ ধ্যান দিয়ে শোনা অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা, প্রেম, ও যত্নকে দেখায়৷ যখন আপনি তাদের জগতকে বোঝার জন্য সময় নেন, এবং তাদের সাথে  ও তাদের দ্বারা কাজ করেন (তাদের জন্য নয়, বা তারা আপনার জন্য নয়) অভিজ্ঞ পরিচর্য্যাকারীরা সম্মানীত অনুভব করেন৷

৪. এক সংস্কৃতির শিক্ষার্থী হওয়া৷ যখন সাংস্কৃতিকভাবে অজ্ঞাত কোন বহিরাগতরা যেভাবে নতুন ফসলের ক্ষেত্রে তারা সুসমাচারের বার্তা নিয়ে আসে, স্থানীয় বিশ্বাসীরা প্রায়শই হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে৷ আমাদের বুঝতে হবে যে, যখন আমরা এক বহিরাগতের মতো পৌঁছাই, আমাদের সঙ্গে আমাদের গৃহ সংস্কৃতির সুগন্ধও নিয়ে আসি৷ এটি প্রভাবিত করে আমরা কিভাবে বার্তালাপ করছি, আমরা কিভাবে সংশোধন করছি, যেই মিত্রতা আমরা বহন করছি, যেই পক্ষপাতিত্বের সাথে আমরা বাস করছি, ও যেভাবে আমরা বিষয়গুলি সম্পূর্ণ করেছি৷ এমনকি সরঞ্জামগুলিও যা আমরা সাংস্কৃতিক লটবহরে বহন করে আনি৷ নতুন ভাষা শিখতে ও স্থানীয় সংস্কৃতির দ্বারা কার্য সাধন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে, আরো বেশী প্রভু যীশুর মতো হতে রাজ্যের জ্যোতিকে কিভাবে আনা যায়, স্থানীয় ব্যক্তির সঙ্গে তার আবিষ্কার করা৷

৫. ধৈর্যশীল হওয়া৷ আন্দোলনের নেতারা বর্ণনা করতেন যে কিভাবে প্রায়শই বহিরাগতরা তাদের সরঞ্জাম ও পদ্ধতিগুলির সাথে পৌঁছান এবং বলেনঃ “আমি জানি এটি এখানে কার্য করবে কারণ এটি অন্য কোথাও কার্য করেছে৷” একটি ধৈর্যশীল সম্পর্কযুক্ত অভিগমন এক নিষ্পত্তি কালের জন্য অনুমতি দেয়, যেখানে বহির্গত ও অভ্যন্তরীণ উভয়ই পবিত্র আত্মার নির্দেশনায় একে অপরের থেকে শিখতে পারে এবং বিশ্বাসের কুঁড়ি ফুটতে পারে৷ বহিরাগতের অংশের ক্ষেত্রে ধৈর্য্য নম্রতার ব্যাখ্যা করে এবং স্বীকৃতি দেয় যে, ফলপ্রসু সরঞ্জামগুলির পেছনে নীতিগুলির সন্নিবেশে সাহায্য করার জন্য সাংস্কৃতিক অভ্যন্তরীণেরা তাদের যথেষ্ট অবদান রাখতে পারে৷ 

৬. এক প্রার্থনার নেতা হওয়া৷ বহিরাগতদের প্রার্থনায় নেতৃত্ব দেওয়া প্রয়োজন, যদিও তারা দেখতে পারে যে তারা যা করছে স্থানীয়রা প্রায় তার চেয়ে ভালো করে৷ বহিরাগতদেরও, তবে, কৌশলগত উপায়ের দ্বারা বাহ্যিক প্রার্থনার যোগাযোগগুলির অনুঘটনের ক্ষমতা আছে যা ভূমির উপর বাস্তবের পরিবর্তন করতে পারে৷ স্থানীয় বিশ্বাসীদের এই প্রার্থনার যোগাযোগগুলির সাথে সংযোগ তাদের একটি সংস্থানে অভিগমনের অনুমতি দেয়, যা হয়তো বহিরাগতদের মাধ্যমে সংযোগ ছাড়া পাওয়া কঠিন হতো৷ 

৭. অভ্যন্তরীণদের এক দর্শন নিক্ষেপকারী ও অনুঘটক হওয়া৷ আন্দোলনের নেতারা বহিরাগতদের গল্পগুলি বলেন যারা তাদের “শস্যক্ষেত্রে শ্রমিক” হবার জন্য একটি দর্শন নিক্ষেপ করেন এবং যা সম্ভব হয় সে বিষয়ে তাদের সাথে স্বপ্ন দেখেছিলেন৷ বহিরাগতরা সম্পর্কের এক বিস্তৃত ভিত সৃষ্টি এবং বিভিন্ন ধরনের যোগাযোগগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করতে সাহায্য করতে পারে৷ আমরা এও শুনেছি, আন্দোলনের নেতারা বলেন যে কিভাবে বহিরাগতদের সাথে তাদের সংযোগ তাদের সুসমাচার অপ্রাপ্ত গোষ্ঠীগুলির কাছে পৌঁছানোর ও তাদের অঞ্চলে ২৪:১৪ দর্শনকে সংযোগ করার জন্য এক নতুন দর্শনের প্রকাশ দেয়৷ অভ্যন্তরীণদের যথাযথ বাহ্যিক যোগাযোগগুলির সাথে সংযোগ স্থাপণের সাহায্য দর্শনকে প্রচলিত ও নতুন শ্রমিকদের অনুঘটনও করতে পারে৷

৮. একজন পরামর্শদাতা ও প্রশিক্ষক হওয়া৷ বহিরাগতরা এক জীবনের-উপর-জীবন পরামর্শদাতা হিসেবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারে৷ কিন্তু আন্দোলনের নেতারা সতর্কতা অবলম্বন যা লেনদেন প্রশিক্ষার কৌশলগুলির সম্পর্কযুক্ত সংস্কৃতিতে সমতল হয়ে যায়৷ স্থানীয় নেতারা তাদের বহিরাগতদের থেকে যা আকাঙ্খা করছিল তা হলো প্রশ্ন ও সাংস্কৃতিক শ্রদ্ধার সাথে, একসাথে সময় ব্যতীত করে সমস্যাগুলির সমাধান করা৷ 

৯. বাক্যের উপর নির্ভরশীল হওয়া৷ বহিরাগতদের ঈশ্বরের সাথে থাকা এক দীর্ঘ ইতিহাস ধর্মতত্বের পরিকাঠামোগুলির প্রস্তুতিতে এবং ঈশ্বরের বাক্যের মাধ্যমে তাঁর নেতৃত্বের উপর নির্ভরশীল হতে সাহায্য করে৷ ঈশ্বর ও তাঁর বাক্যের দ্বারা একসাথে নির্দেশন সন্ধানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা, এবং বাক্য যা বলে তার পালন করা, তা যাই হোক না কেন, ঈশ্বরের জন্য এক পুনরুৎপাদনকারী জীবনের নমুণা৷ 

১০. এক সংযোগকারী হওয়া৷ একজন বহিরাগত স্বাভাবিকভাবেই অন্য বহিরাগতের দ্বারা যার কাছে সম্পদ আছে বেশী বিশ্বস্ত হবে৷ একজন বাহ্যিক অনুঘটক যে অভ্যন্তরীণ নেতাদের সাথে সম্পর্কগুলি বিকশিত করেছে একটি সেতু হতে পারে, তাদের বাইবেল, সরঞ্জামের সাথে সংযোগ করে, বা প্রশিক্ষণগুলিতে সাহায্য করতে পারে যা নতুন কার্যগুলি শুরু করতে সাহায্য করে৷ বাহ্যিক অনুঘটকেরা তথ্য সংগ্রহ এবং প্রতিবদনে সাহায্য করতে পারে যা আন্দোলনকে অন্য আন্দোলন ও যোগাযোগের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে সাহায্য করে৷

বাহ্যিক অনুঘটকেরা যেমন সুসমাচার অপ্রাপ্তদের মাঝে আন্দোলনগুলি শুরু করতে নজর রাখে, আমাদের পূর্বে যারা চলে গিয়েছেন তাদের থেকে এমন অনেক কিছুই শিখতে পারিঃ অনুঘটকের জন্য সবচেয়ে প্রভাবশালী, ঈশ্বর-সম্মাণিত ভঙ্গিমা৷ প্রেরণের সংস্থাগুলি যাতে নম্র, লোকেদের সম্মানকারী ধরনের পাঠায় যাদের ঈশ্বর প্রত্যেক ভাষা, গোত্র, ও রাষ্ট্রের মাঝে তাঁর রাজ্য সম্প্রসারণে ব্যবহার করতে পারেন৷

 

 

 

মিশন ফ্রন্টিয়ার্স-এর  সেপ্টেম্বর/অক্টোবর ২০২০ সালের প্রকাশনায়, ক্রিস্ ম্যাকব্রাইড দ্বারা লিখিত একটি প্রবন্ধ থেকে সংকলিত, http://www.missionfrontiers.org